সুগন্ধা নদী থেকে বালু উত্তোলনের দায়ে ৪লক্ষ ৫০হাজার টাকা অর্থদণ্ড বাল্ক হেড জব্দ আটক ১
- আপডেট সময় : ১২:১০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২২ ৬৬ বার পড়া হয়েছে

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠির সুগন্ধা নদী থেকে বালু উত্তোলন করে নিচু জমি ভরাট করার দায়ে তিন বাল্কহেড মালিকে সাড়ে চার লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল রোববার রাত সাড়ে নয়টার দিকে শহরের সুগন্ধা নদীর তীরবর্তী জেলে পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় জাকির হোসেন (৩৫) নামে এক বাল্কহেড মালিকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অর্থ দণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই বাল্কহেড মালিক হলেন শহরের পালবাড়ি এলাকার সালেক শরীফের ছেলে ইদ্রিস শরীফ (৩৫) ও লঞ্চঘাট এলাকার বাকে আলীর ছেলে রিয়াদ হোসেন (৫০)। এদের প্রত্যেককে দেড় লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। এ সময় একটি বাল্কহেড জব্দ করা হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মং এচেং ও অং চিং মারমা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড প্রদান করেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ঝালকাঠি শহরের জেলে পাড়া এলাকার মো. মাসুদ মিয়া নামে এক ব্যক্তি ভবন নির্মাণের জন্য বালু দিয়ে নিচু জমি ভরাট করার উদ্দেশ্যে বাল্কহেড মালিকের সাথে চুক্তি করে। গতকাল রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মং এচেং ও অং চিং মারমা সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। পরে সরকারি কাজে বাধা ও সুগন্ধা নদী থেকে বালু উত্তোলনের দায়ে জাকির হোসেনকে তিন মাসের কারাদণ্ড ও দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অপর দুই বাল্কহেড মালিক ইদ্রিস শরীফ ও রিয়াজ হোসেনকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মং এচেং বলেন, দীর্ঘদিন একটি চক্র সুগন্ধা নদী থেকে বালু উত্তোলন করায় তীরবর্তী কিস্তাকাঠি মৌজার দিয়াকুলসহ একাধিক গ্রাম হুমকির মুখে আছে। তাই অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার দায়ে তিন বাল্কহেড মালিককে সাড়ে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজনকে তিন মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। জব্দ করা বাল্কহেড নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
সোমবার বিকেল চারটায় ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয় সুগন্ধা কক্ষে বাল্কহেড এর নিলাম ডাকা হয় এতে ২২ জন ব্যবসায়ী নিলামে অংশগ্রহণ করেন। যখন তারা জানতে পারে সরকারিভাবে বলগেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ লক্ষ টাকা অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীরা বলেন বাজার তুলনায় অনেক বেশি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
তার জন্য নিলামে কেহই অংশগ্রহণ করে নাই।
জেলা প্রশাসকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অংচিং মারমা বলেন পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী আবারও বাল্কহেড নিলাম প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ করা হবে।


























