সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার

ঝালকাঠির রাজাপুর থানা পাক হানাদার মুক্তি দিবস আজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২২ ৬৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড যৌথভাবে সকাল ১০ টায় মুক্তিযোদ্ধা মিলনকেন্দ্র থেকে র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদশিক্ষন করে মিলন কেন্দ্রে আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করে- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান খান।
প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান মনির, বক্তব্য রাখেন – জেলার ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা দুলাল সাহা, জেলা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল আলম সরফরাজ, উপজেলা কমান্ডার শাহ আলম নান্নু, সন্তান কমান্ডের জালাল আহমেদ, শামীম হোসেন প্রমূখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ৯ নম্বর সেক্টরের অধীনে থাকা ১৯৭১ সালের ২২ নভেম্বর রাতে তারা ঝালকাঠির রাজাপুর থানা আক্রমণ করেন। শুরু হয় সম্মুখ যুদ্ধ। এআ যুদ্ধে প্রায় তিনশ মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেন।
২৩ নভেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের বরিশাল অঞ্চলের জন্য একইসঙ্গে শোক আর গর্বের দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পাকহানাদার মুক্ত হয় ঝালকাঠির রাজাপুর থানা এলাকা। রাজাপুরের আকাশে ওড়ে বাংলাদেশের পতাকা। ১৯৭১ সালের ২২ নভেম্বর রাতে তারা রাজাপুর থানা আক্রমণ করেন। শুরু হয় সম্মুখ যুদ্ধ। এ যুদ্ধে প্রায় তিনশ মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেন।
২৩ নভেম্বর সকাল পর্যন্ত চলে যুদ্ধ। যুদ্ধে আব্দুর রাজ্জাক ও হোচেন আলী নামে দুই জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। আহত হন কমপক্ষে ২০ জন।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ রাজাপুর উপজেলা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার শাহআলম নান্নু জানান, মুক্তিযুদ্ধে রাজাপুর থানা কমান্ডারের দায়িত্বে ছিলেন কেরামত আলী আজাদ। রাজাপুর থানা ছিল বরিশাল সাব সেক্টরের অধীনে। সাব সেক্টরের দায়িত্ব পালন করেন ক্যাপ্টেন শাহজাহান ওমর।
উপজেলার কানুদাসকাঠিতে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের ঘাঁটি তৈরি করেন। রাজাপুর থানায় সম্মুখযুদ্ধ শুরু হলে শাহজাহান ওমর এ যুদ্ধে অংশ নিয়ে গুলিবিদ্ধ হন।
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য শাহজাহান ওমর ঝালকাঠি জেলায় একমাত্র বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত হন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঝালকাঠির রাজাপুর থানা পাক হানাদার মুক্তি দিবস আজ

আপডেট সময় : ১১:২২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২২

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড যৌথভাবে সকাল ১০ টায় মুক্তিযোদ্ধা মিলনকেন্দ্র থেকে র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদশিক্ষন করে মিলন কেন্দ্রে আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করে- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান খান।
প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান মনির, বক্তব্য রাখেন – জেলার ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা দুলাল সাহা, জেলা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল আলম সরফরাজ, উপজেলা কমান্ডার শাহ আলম নান্নু, সন্তান কমান্ডের জালাল আহমেদ, শামীম হোসেন প্রমূখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ৯ নম্বর সেক্টরের অধীনে থাকা ১৯৭১ সালের ২২ নভেম্বর রাতে তারা ঝালকাঠির রাজাপুর থানা আক্রমণ করেন। শুরু হয় সম্মুখ যুদ্ধ। এআ যুদ্ধে প্রায় তিনশ মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেন।
২৩ নভেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের বরিশাল অঞ্চলের জন্য একইসঙ্গে শোক আর গর্বের দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পাকহানাদার মুক্ত হয় ঝালকাঠির রাজাপুর থানা এলাকা। রাজাপুরের আকাশে ওড়ে বাংলাদেশের পতাকা। ১৯৭১ সালের ২২ নভেম্বর রাতে তারা রাজাপুর থানা আক্রমণ করেন। শুরু হয় সম্মুখ যুদ্ধ। এ যুদ্ধে প্রায় তিনশ মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেন।
২৩ নভেম্বর সকাল পর্যন্ত চলে যুদ্ধ। যুদ্ধে আব্দুর রাজ্জাক ও হোচেন আলী নামে দুই জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। আহত হন কমপক্ষে ২০ জন।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ রাজাপুর উপজেলা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার শাহআলম নান্নু জানান, মুক্তিযুদ্ধে রাজাপুর থানা কমান্ডারের দায়িত্বে ছিলেন কেরামত আলী আজাদ। রাজাপুর থানা ছিল বরিশাল সাব সেক্টরের অধীনে। সাব সেক্টরের দায়িত্ব পালন করেন ক্যাপ্টেন শাহজাহান ওমর।
উপজেলার কানুদাসকাঠিতে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের ঘাঁটি তৈরি করেন। রাজাপুর থানায় সম্মুখযুদ্ধ শুরু হলে শাহজাহান ওমর এ যুদ্ধে অংশ নিয়ে গুলিবিদ্ধ হন।
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য শাহজাহান ওমর ঝালকাঠি জেলায় একমাত্র বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত হন।