সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

বরিশাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে রোগী পরিবহন বন্ধ রাখার ঘোষণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৩:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২২ ৮৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স : দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহত চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র বরিশাল শের-ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের সামনে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসা দালালের হাতে জিম্মি হয়ে পরেছে বলে অভিযোগ করেছেন জেলা অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের নেতৃবৃন্দরা।

আগামী ২০ নভেম্বরের মধ্যে দালাল চক্রের প্রধান নাসির খান ও তার সহযোগিদের আইনের আওতায় আনা না হলে নেতৃবৃন্দরা আগামী ২১ নভেম্বর সকাল আটটা থেকে অনিদৃষ্টকালের জন্য সকল প্রকার অ্যাম্বুলেন্সে রোগী ও লাশ পরিবহন বন্ধ রাখার আল্টিমেটাম দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ আল্টিমেটাম দেয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বরিশাল অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের উপদেষ্টা সদস্য জাকির হোসেন বলেন, শেবাচিম হাসপাতালের সামনে রোগী পরিবহনের জন্য একমাত্র বৈধ সংগঠন বরিশাল অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেড।

এ সংগঠনের অধীনে ১৬০টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। যারমধ্যে প্রথম সারির অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে ৬৫টি। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন থেকে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসায় নাসির খান, মোসলেম খানসহ ১০/১২ জন দালাল চক্র যাদের কোনো অ্যাম্বুলেন্স নেই, তারা অ্যাম্বুলেন্স মালিক, চালক ও হেলপারদের জিম্মি করে রেখেছে।

দালাল চক্রটি আইনের তোয়াক্কা না করে তাদের খেয়াল খুশিমত কৌশলে রোগী ও তার স্বজনদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, দালাল চক্রটি রোগীর স্বজনদের কাছ থেকে ভাড়ার চুক্তি নিয়ে ৪০ শতাংশ টাকা নিজেরা হাতিয়ে নেয়।

ফলে রোগী পরিবহনে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের পথে বসার উপক্রম হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংবাদ সম্মলনে সংগঠনের সভাপতি ফিরোজ আলম, সহসভাপতি নিয়াজ মোর্শেদ, দপ্তর সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল, সদস্য হুমায়ুন কবীর, মাইনুল ইসলাম খানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে রোগী পরিবহন বন্ধ রাখার ঘোষণা

আপডেট সময় : ১১:৩৩:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স : দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহত চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র বরিশাল শের-ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের সামনে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসা দালালের হাতে জিম্মি হয়ে পরেছে বলে অভিযোগ করেছেন জেলা অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের নেতৃবৃন্দরা।

আগামী ২০ নভেম্বরের মধ্যে দালাল চক্রের প্রধান নাসির খান ও তার সহযোগিদের আইনের আওতায় আনা না হলে নেতৃবৃন্দরা আগামী ২১ নভেম্বর সকাল আটটা থেকে অনিদৃষ্টকালের জন্য সকল প্রকার অ্যাম্বুলেন্সে রোগী ও লাশ পরিবহন বন্ধ রাখার আল্টিমেটাম দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ আল্টিমেটাম দেয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বরিশাল অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের উপদেষ্টা সদস্য জাকির হোসেন বলেন, শেবাচিম হাসপাতালের সামনে রোগী পরিবহনের জন্য একমাত্র বৈধ সংগঠন বরিশাল অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেড।

এ সংগঠনের অধীনে ১৬০টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। যারমধ্যে প্রথম সারির অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে ৬৫টি। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন থেকে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসায় নাসির খান, মোসলেম খানসহ ১০/১২ জন দালাল চক্র যাদের কোনো অ্যাম্বুলেন্স নেই, তারা অ্যাম্বুলেন্স মালিক, চালক ও হেলপারদের জিম্মি করে রেখেছে।

দালাল চক্রটি আইনের তোয়াক্কা না করে তাদের খেয়াল খুশিমত কৌশলে রোগী ও তার স্বজনদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, দালাল চক্রটি রোগীর স্বজনদের কাছ থেকে ভাড়ার চুক্তি নিয়ে ৪০ শতাংশ টাকা নিজেরা হাতিয়ে নেয়।

ফলে রোগী পরিবহনে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের পথে বসার উপক্রম হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংবাদ সম্মলনে সংগঠনের সভাপতি ফিরোজ আলম, সহসভাপতি নিয়াজ মোর্শেদ, দপ্তর সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল, সদস্য হুমায়ুন কবীর, মাইনুল ইসলাম খানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।