সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

সিলেটে পুলিশি বাধা- আপত্তি অমান্য করে ইজতেমা শুরু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০১:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২ ৭৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সিলেটে ইজতেমা কে ঘৃরে নানা গুনজনের শেষ নেই। সকল বাধা বিপত্তির কারণ সিলেটের বিএনপির সমাবেশ। ইজতেমাকে ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে গোয়েন্দা রিপোর্টে এমনটি আশঙ্কা করা হয়েছিলো। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়ে ছিলো ইজতেমা পেছানোর জন্য। এ আপত্তি আর অনুরোধ উপেক্ষা করে একদিন আগে থেকেই সিলেটে শুরু হয়ে গেছে আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ইজতেমা।
বৃহস্পতি (১৭ নভেম্বর) ও শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) এই ইজতেমা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও পুলিশ আপত্তি জানানোর পর বুধবার (১৬ নভেম্বর) থেকেই শুরু হয় ইজতেমার কার্যক্রম। সিলেটের দক্ষিণ সুরমার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল মাঠে বুধবার সকাল থেকেই জড়ো হন আয়োজকদের অনেকে। এই মাঠেই ফজর ও জোহরের নামাজ আদায় করেন তারা।
যদিও মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) রাতে সিলেট মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে ইজতেমার আয়োজন কয়েক দিন পিছিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছিলো। বিএনপির সমাবেশের সময়ে ইজতেমা আয়োজনে অপ্রীতিকর ঘটনার শঙ্কা থেকে এমন অনুরোধ করা হয় বলে জানিয়ে ছিলেন সিলেট মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত উপ কমিশনার সুদীপ দাস।
১৯ নভেম্বর নগরের আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির সিলেট বিভাগীয় গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এই সমাবেশের সময়ে ইজতেমা আয়োজনে আপত্তি পুলিশের।
তবে পুলিশের এমন আপত্তি আর অনুরোধে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন আয়োজকরা। পুলিশের নির্দেশনা পাওয়ার পর মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) রাতেই তাদের অনেকে ইজতেমা স্থলে সমেবত হন। আয়োজক সংগঠন আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির বরুণার পীর হিসেবে পরিচিত মুফতি মাওলানা রশীদুর রহমান ফারুকও রাতে ইজতেমা মাঠে আসেন। পুলিশের আপত্তির কারণে বুধবার (১৬ নভেম্বর) থেকেই ইজতেমা শুরুও ঘোষণা দেন তিনি। যা চলবে শনিবার পর্যন্ত।
এ ব্যাপারে আয়োজক সংগঠনের আমির মুফতি রশীদুর রহমান ফারুক বলেন, আমরা সব আয়োজন সম্পন্ন কওে ফেলেছি। আলেম উলামারাও আসতে শুরু করেছেন। এ অবস্থায় ইজতেমা পেছানা সম্ভব নয়। তবে আমরা আইন মান্য করি। এখানে কেউ বিশৃঙ্কলা করবে না। এখান থেকে কেউ বিএনপির সমাবেশেও যাবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সিলেটে পুলিশি বাধা- আপত্তি অমান্য করে ইজতেমা শুরু

আপডেট সময় : ১১:০১:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সিলেটে ইজতেমা কে ঘৃরে নানা গুনজনের শেষ নেই। সকল বাধা বিপত্তির কারণ সিলেটের বিএনপির সমাবেশ। ইজতেমাকে ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে গোয়েন্দা রিপোর্টে এমনটি আশঙ্কা করা হয়েছিলো। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়ে ছিলো ইজতেমা পেছানোর জন্য। এ আপত্তি আর অনুরোধ উপেক্ষা করে একদিন আগে থেকেই সিলেটে শুরু হয়ে গেছে আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ইজতেমা।
বৃহস্পতি (১৭ নভেম্বর) ও শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) এই ইজতেমা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও পুলিশ আপত্তি জানানোর পর বুধবার (১৬ নভেম্বর) থেকেই শুরু হয় ইজতেমার কার্যক্রম। সিলেটের দক্ষিণ সুরমার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল মাঠে বুধবার সকাল থেকেই জড়ো হন আয়োজকদের অনেকে। এই মাঠেই ফজর ও জোহরের নামাজ আদায় করেন তারা।
যদিও মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) রাতে সিলেট মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে ইজতেমার আয়োজন কয়েক দিন পিছিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছিলো। বিএনপির সমাবেশের সময়ে ইজতেমা আয়োজনে অপ্রীতিকর ঘটনার শঙ্কা থেকে এমন অনুরোধ করা হয় বলে জানিয়ে ছিলেন সিলেট মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত উপ কমিশনার সুদীপ দাস।
১৯ নভেম্বর নগরের আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির সিলেট বিভাগীয় গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এই সমাবেশের সময়ে ইজতেমা আয়োজনে আপত্তি পুলিশের।
তবে পুলিশের এমন আপত্তি আর অনুরোধে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন আয়োজকরা। পুলিশের নির্দেশনা পাওয়ার পর মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) রাতেই তাদের অনেকে ইজতেমা স্থলে সমেবত হন। আয়োজক সংগঠন আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির বরুণার পীর হিসেবে পরিচিত মুফতি মাওলানা রশীদুর রহমান ফারুকও রাতে ইজতেমা মাঠে আসেন। পুলিশের আপত্তির কারণে বুধবার (১৬ নভেম্বর) থেকেই ইজতেমা শুরুও ঘোষণা দেন তিনি। যা চলবে শনিবার পর্যন্ত।
এ ব্যাপারে আয়োজক সংগঠনের আমির মুফতি রশীদুর রহমান ফারুক বলেন, আমরা সব আয়োজন সম্পন্ন কওে ফেলেছি। আলেম উলামারাও আসতে শুরু করেছেন। এ অবস্থায় ইজতেমা পেছানা সম্ভব নয়। তবে আমরা আইন মান্য করি। এখানে কেউ বিশৃঙ্কলা করবে না। এখান থেকে কেউ বিএনপির সমাবেশেও যাবে না।