সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

বরিশালে ফের চাউলের বাজার উত্তাপ, বড় বড় কোম্পানির কারসাজিকে দুষছেন খুচরা পাইকারি বিক্রেতারা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫০:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২ ৭৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জামাল কাড়াল বরিশাল জেলা প্রতিনিধি।

বরিশালে চালের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে নাভিশ্বাস ক্রেতারা। সবধরনের চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৪-৫ টাকা পর্যন্ত। এ দিকে ভরা
মৌসুমের শুরুতে নতুন ধান ওঠার সময়ে এমন অযৌক্তিক দাম বৃদ্ধির জন্য বড় বড় কোম্পানির কারসাজিকে দুষছেন খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতারা। এদিকে মিলাররা ধানে সংকট এবং উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার অজুহাত তুলে ধরছেন। ক্রেতাদের অভিযোগ, নজরদারির অভাবে গুটিকয়েক ব্যবসায়ীর কাছে জিম্মি চালের বাজার।
এবার মোট ৫৬ লাখ ৫৭ হাজার ৪৪৭ হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদ করা হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি। ফলে চাল উৎপাদনও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। চাল উৎপাদনের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৮৬ হাজার টন।
তবে এসব তথ্য কেবল কাগুজে স্বস্তি আনছে! করছাড়ের সুবিধায় বিপুল পরিমাণ চাল আমদানি। কিংবা বাম্পার ফলনের সুফল বাজারে নেই। গত ছয়মাস ধরে লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির চালের বাজারে নতুন করে দাম বেড়েছে। মাত্র সাত দিনের ব্যবধানে চালের এতটা দাম বৃদ্ধিতে  নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের  মাথায় হাত 
ছয় মাস আগে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজির চাল, দফায় দফায় বৃদ্ধি পেয়ে এখন তা ৭০ থেকে ৮৫’র কোঠায়। গত সপ্তাহে যে মিনিকেট কেনা গেছে ৬৮ টাকায়। আজকের বাজারে তার জন্য গুণতে হবে ৭৫ টাকা।
৭২ টাকার নাজিরশাইলের জন্য গুণতে হবে ৮৫। আর বাজারে সবচেয়ে কমদামি ৫৫ টাকা কেজির বিআর-২৮ জন্য দিতে হবে ৬০ টাকা।
নতুন মৌসুমের চাল বাজারে আসতে শুরু করেছে। আমদানিও হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে যেখানে দাম কমার কথা, সেখানে উল্টো চিত্র। কিন্তু কেন ? এরজন্য গুটি কয়েক বড় কোম্পানির কারসাজিকেই দুষছেন বিক্রেতারা।
হঠাৎ দাম বৃদ্ধির জন্য বরাবরের মত ধানের সংকটকে দায়ী করছেন মিলাররা। বলছেন, এবার লোডশেডিংয়ের জন্য চালের স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
বছরে চালের চাহিদা ৩ কোটি ৫৭ লাখ টন। যার মধ্যে ৫৪ শতাংশ আসে বোরো থেকে আর ৩৭ শতাংশ আসে আমন মৌসুম থেকে। বাকীটা আউশ এবং আমদানি করে মেটানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে ফের চাউলের বাজার উত্তাপ, বড় বড় কোম্পানির কারসাজিকে দুষছেন খুচরা পাইকারি বিক্রেতারা

আপডেট সময় : ০৭:৫০:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২

জামাল কাড়াল বরিশাল জেলা প্রতিনিধি।

বরিশালে চালের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে নাভিশ্বাস ক্রেতারা। সবধরনের চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৪-৫ টাকা পর্যন্ত। এ দিকে ভরা
মৌসুমের শুরুতে নতুন ধান ওঠার সময়ে এমন অযৌক্তিক দাম বৃদ্ধির জন্য বড় বড় কোম্পানির কারসাজিকে দুষছেন খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতারা। এদিকে মিলাররা ধানে সংকট এবং উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার অজুহাত তুলে ধরছেন। ক্রেতাদের অভিযোগ, নজরদারির অভাবে গুটিকয়েক ব্যবসায়ীর কাছে জিম্মি চালের বাজার।
এবার মোট ৫৬ লাখ ৫৭ হাজার ৪৪৭ হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদ করা হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি। ফলে চাল উৎপাদনও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। চাল উৎপাদনের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৮৬ হাজার টন।
তবে এসব তথ্য কেবল কাগুজে স্বস্তি আনছে! করছাড়ের সুবিধায় বিপুল পরিমাণ চাল আমদানি। কিংবা বাম্পার ফলনের সুফল বাজারে নেই। গত ছয়মাস ধরে লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির চালের বাজারে নতুন করে দাম বেড়েছে। মাত্র সাত দিনের ব্যবধানে চালের এতটা দাম বৃদ্ধিতে  নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের  মাথায় হাত 
ছয় মাস আগে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজির চাল, দফায় দফায় বৃদ্ধি পেয়ে এখন তা ৭০ থেকে ৮৫’র কোঠায়। গত সপ্তাহে যে মিনিকেট কেনা গেছে ৬৮ টাকায়। আজকের বাজারে তার জন্য গুণতে হবে ৭৫ টাকা।
৭২ টাকার নাজিরশাইলের জন্য গুণতে হবে ৮৫। আর বাজারে সবচেয়ে কমদামি ৫৫ টাকা কেজির বিআর-২৮ জন্য দিতে হবে ৬০ টাকা।
নতুন মৌসুমের চাল বাজারে আসতে শুরু করেছে। আমদানিও হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে যেখানে দাম কমার কথা, সেখানে উল্টো চিত্র। কিন্তু কেন ? এরজন্য গুটি কয়েক বড় কোম্পানির কারসাজিকেই দুষছেন বিক্রেতারা।
হঠাৎ দাম বৃদ্ধির জন্য বরাবরের মত ধানের সংকটকে দায়ী করছেন মিলাররা। বলছেন, এবার লোডশেডিংয়ের জন্য চালের স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
বছরে চালের চাহিদা ৩ কোটি ৫৭ লাখ টন। যার মধ্যে ৫৪ শতাংশ আসে বোরো থেকে আর ৩৭ শতাংশ আসে আমন মৌসুম থেকে। বাকীটা আউশ এবং আমদানি করে মেটানো হয়।