সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

সরবতে বিষ মিশিয়ে প্রেমিক খুন, তরুণী গ্রেপ্তার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর ২০২২ ৭২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স : সম্পর্কে ইতি টানতে চাইছিলেন তরুণী। রাজি ছিলেন না প্রেমিক। তাই সম্পর্ক থেকে মুক্তি পেতে প্রেমিককে বিষ খাইয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে গ্রিশমা নামের এক তরুণীর বিরুদ্ধে।

কেরালার তিরুঅনন্তপুরম এলাকার কলেজছাত্র শ্যারন রাজের (২৩) সঙ্গে একই কলেজে পড়াশোনা করতেন গ্রিশমা।

এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর মধ্যে গ্রিশমার বিয়ে ঠিক করে তার পরিবার। বেশ কিছু দিন ধরেই শ্যারনের সঙ্গে সম্পর্কে বিচ্ছেদ চাইছিলেন গ্রিশমা। কিন্তু সম্পর্ক ছেড়ে বেরিয়ে আসতে রাজি হননি শ্যারন।

এর পরই ‘পথের কাঁটা’সরানোর সিদ্ধান্ত নেন গ্রিশমা। ১৪ অক্টোবর শ্যারনকে বাড়িতে ঢেকে পাঠান গ্রিশমা। এই সময় বাড়িতে একাই ছিলেন তিনি। শ্যারন বাড়িতে এলে গ্রিশমা তাকে এক গ্লাস আয়ুর্বেদিক সরবত খেতে দেন।

কিন্তু সেই সরবতের মধ্যে গ্রিশমা কীটনাশক মিশিয়ে দিয়েছিলেন। সরবত খাওয়ার পরই বমি করতে শুরু করেন শ্যারন।

পরে শ্যারনের অবস্থার অবনতি হলে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ১১ দিন পর ২৫ অক্টোবর মারা যান শ্যারন। তার পরিবারের দাবি ছিল, শ্যারনকে খুন করা হয়েছে।

শ্যারনের ভাইয়ের প্রথম থেকেই গ্রিশমার উপর সন্দেহ জাগে। শ্যারনকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর থেকেই তার ভাই গ্রিশমাকে ফোন করে জানতে চান, তিনি শ্যারনকে কিছু খাইয়েছেন কি না।

আর যদি কিছু বিষাক্ত খাওয়ানো হয়ে থাকে, তা হলে কী খাওয়ানো হয়েছে তা যেন তিনি জানান। তবে গ্রিশমা কোনো উত্তর দেননি।

শ্যারনের মৃত্যুর পর তদন্তে নামে তিরুঅনন্তপুরমের পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় গ্রিশমাকে। রোববার পুলিশ গ্রিশমাকে টানা ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তিনি নিজের দোষ স্বীকার করেন।

তিরুঅনন্তপুরমের অতিরিক্ত ডিজিপি অজিত কুমার জানান, প্রেমিকাকে খুন করার অভিযোগে ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত গ্রিশমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রিশমার স্বীকারোক্তি রেকর্ড করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সরবতে বিষ মিশিয়ে প্রেমিক খুন, তরুণী গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৮:১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স : সম্পর্কে ইতি টানতে চাইছিলেন তরুণী। রাজি ছিলেন না প্রেমিক। তাই সম্পর্ক থেকে মুক্তি পেতে প্রেমিককে বিষ খাইয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে গ্রিশমা নামের এক তরুণীর বিরুদ্ধে।

কেরালার তিরুঅনন্তপুরম এলাকার কলেজছাত্র শ্যারন রাজের (২৩) সঙ্গে একই কলেজে পড়াশোনা করতেন গ্রিশমা।

এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর মধ্যে গ্রিশমার বিয়ে ঠিক করে তার পরিবার। বেশ কিছু দিন ধরেই শ্যারনের সঙ্গে সম্পর্কে বিচ্ছেদ চাইছিলেন গ্রিশমা। কিন্তু সম্পর্ক ছেড়ে বেরিয়ে আসতে রাজি হননি শ্যারন।

এর পরই ‘পথের কাঁটা’সরানোর সিদ্ধান্ত নেন গ্রিশমা। ১৪ অক্টোবর শ্যারনকে বাড়িতে ঢেকে পাঠান গ্রিশমা। এই সময় বাড়িতে একাই ছিলেন তিনি। শ্যারন বাড়িতে এলে গ্রিশমা তাকে এক গ্লাস আয়ুর্বেদিক সরবত খেতে দেন।

কিন্তু সেই সরবতের মধ্যে গ্রিশমা কীটনাশক মিশিয়ে দিয়েছিলেন। সরবত খাওয়ার পরই বমি করতে শুরু করেন শ্যারন।

পরে শ্যারনের অবস্থার অবনতি হলে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ১১ দিন পর ২৫ অক্টোবর মারা যান শ্যারন। তার পরিবারের দাবি ছিল, শ্যারনকে খুন করা হয়েছে।

শ্যারনের ভাইয়ের প্রথম থেকেই গ্রিশমার উপর সন্দেহ জাগে। শ্যারনকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর থেকেই তার ভাই গ্রিশমাকে ফোন করে জানতে চান, তিনি শ্যারনকে কিছু খাইয়েছেন কি না।

আর যদি কিছু বিষাক্ত খাওয়ানো হয়ে থাকে, তা হলে কী খাওয়ানো হয়েছে তা যেন তিনি জানান। তবে গ্রিশমা কোনো উত্তর দেননি।

শ্যারনের মৃত্যুর পর তদন্তে নামে তিরুঅনন্তপুরমের পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় গ্রিশমাকে। রোববার পুলিশ গ্রিশমাকে টানা ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তিনি নিজের দোষ স্বীকার করেন।

তিরুঅনন্তপুরমের অতিরিক্ত ডিজিপি অজিত কুমার জানান, প্রেমিকাকে খুন করার অভিযোগে ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত গ্রিশমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রিশমার স্বীকারোক্তি রেকর্ড করা হয়েছে।