সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

বাবুগঞ্জে ঘুর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে সৃষ্ট ঝড়ে বসত ঘর ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৮:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর ২০২২ ৮২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে বাবুগঞ্জ উপজেলা ৬ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় শহস্রাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে। সোমবার থেকে টানা বর্ষনে ও জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় এ প্লাবনের সৃষ্টি হয়েছে।

ঝড়ে আটকেপরা পরিবারের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার পক্ষ থেকে চাল, ডাল, তেল সহ শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গবারের ঝড়ে উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নের কাঁচা বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট বাতাসে এসব এলাকার বহু গাছপালা উপরে পরেছে। একাধিক বাড়ির উপর গাছ পরার ফলে ভেঙ্গে গেছে অনেকের বসত ঘর।

দেহেরগতি ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের হারুন অর রশিদের বসত ঘর, এনায়েত হোসেন মোল্লার পেঁপে বাগান, রহমতপুর ইউনিয়নের বিমান বন্দর মোড়ে নুরে আলম হাওলাদার ও রহমতপুর বাজার সন্নিকটে দুলাল ডাক্তারের ঘরের উপর রেইনট্রি গাছ উপরে পড়ে বসত ঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, এ পরিবারগুলো বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

তবে উপজেলার প্রশাসনের ব্যাপক প্রচার ও তৎপরতার ফলে কোন প্রাণ হানির মত ঘটনা ঘটেনি। ঘুর্নিঝড় মোকাবেলায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৩ টি আশ্রয়ণ প্রস্তুত রাখা হয়েছিলো।

রহমতপুর ইউপি চেয়ারম্যান মৃধা মুহাম্মদ আক্তার উজ জামান মিলন বলেন, পূর্বের ঘূর্ণিঝড়ের তুলনায় এবারের সিত্রাং অনেক ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে। তবে ঝড়ে বাবুগঞ্জে প্রাণহানির কোন ঘটনা ঘটেনি । উপজেলা প্রশাসন ও আমার ইউনিয়নের পক্ষ থেকে সবাইকে নিরাপদে থাকতে বলা হয়েছে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত ফাতিমা জানান, মানুষকে নিরাপদে রাখার জন্য ২৩ টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা মানুষের শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন তৎপর ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাবুগঞ্জে ঘুর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে সৃষ্ট ঝড়ে বসত ঘর ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

আপডেট সময় : ১২:৪৮:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর ২০২২

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে বাবুগঞ্জ উপজেলা ৬ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় শহস্রাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে। সোমবার থেকে টানা বর্ষনে ও জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় এ প্লাবনের সৃষ্টি হয়েছে।

ঝড়ে আটকেপরা পরিবারের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার পক্ষ থেকে চাল, ডাল, তেল সহ শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গবারের ঝড়ে উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নের কাঁচা বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট বাতাসে এসব এলাকার বহু গাছপালা উপরে পরেছে। একাধিক বাড়ির উপর গাছ পরার ফলে ভেঙ্গে গেছে অনেকের বসত ঘর।

দেহেরগতি ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের হারুন অর রশিদের বসত ঘর, এনায়েত হোসেন মোল্লার পেঁপে বাগান, রহমতপুর ইউনিয়নের বিমান বন্দর মোড়ে নুরে আলম হাওলাদার ও রহমতপুর বাজার সন্নিকটে দুলাল ডাক্তারের ঘরের উপর রেইনট্রি গাছ উপরে পড়ে বসত ঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, এ পরিবারগুলো বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

তবে উপজেলার প্রশাসনের ব্যাপক প্রচার ও তৎপরতার ফলে কোন প্রাণ হানির মত ঘটনা ঘটেনি। ঘুর্নিঝড় মোকাবেলায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৩ টি আশ্রয়ণ প্রস্তুত রাখা হয়েছিলো।

রহমতপুর ইউপি চেয়ারম্যান মৃধা মুহাম্মদ আক্তার উজ জামান মিলন বলেন, পূর্বের ঘূর্ণিঝড়ের তুলনায় এবারের সিত্রাং অনেক ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে। তবে ঝড়ে বাবুগঞ্জে প্রাণহানির কোন ঘটনা ঘটেনি । উপজেলা প্রশাসন ও আমার ইউনিয়নের পক্ষ থেকে সবাইকে নিরাপদে থাকতে বলা হয়েছে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত ফাতিমা জানান, মানুষকে নিরাপদে রাখার জন্য ২৩ টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা মানুষের শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন তৎপর ছিল।