সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজা সেবনের প্রতিবাদ করায় দুই যুবককে মারধর, মাথা ফাটানোর অভিযোগ ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: গোডাউনসহ পুড়ে ছাই ৮ দোকান উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

চুরি করতে গিয়ে মারধরের ভয়ে ৯৯৯-এ কল, অতঃপর…

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৩:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অক্টোবর ২০২২ ১০৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
চুরি করতে গিয়ে টেরই পাননি সূর্য উঠে গেছে। যখন বুঝতে পারলেন ততক্ষণে দোকানের সামনে অনেক মানুষের আনাগোনা। ব্যাগভর্তি চুরির মালামাল নিয়ে বের হতে গেলে ধরা পড়ে গণধোলাইয়ের শিকার হতে পারেন এমন শঙ্কায় ৯৯৯-এ কল করে সহায়তা চান।

পুলিশ এসে বিপদে পড়া লোকটিকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না। যখন পেলেন তখন চোখ ছানাবড়া। শেষে দোকান খুলে সহায়তাপ্রার্থী চোরকে উদ্ধার করে নিয়ে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তির নাম ইয়াছিন খান (৪১)। তিনি ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার বাসিন্দা হলেও বরিশাল নগরীর কালুশাহ সড়কের একটি ভাড়া বাসায় থাকেন।

ঘটনাটি ঘটেছে বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের এআরখান বাজার এলাকায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেট্রোপলিটন বন্দর থানার ওসি আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ধরা পরে গেলে স্থানীয়দের হাতে মারধরের শিকার হতে পারেন এই ভয় থেকে ওই ব্যক্তি ৯৯৯ নম্বরে কল করে সহায়তা চান। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে যখন বন্ধ একটি দোকানের মধ্য থেকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন, তখন স্বীকার করেন পেশায় তিনি চোর।

ওসি জানান, ভোরে জরুরি সেবা থেকে আমাদের কাছে তথ্য আসে চরকাউয়া ইউনিয়নের এআরখান বাজার এলাকায় বিপদে পড়েছেন এক ব্যক্তি। ওই ব্যক্তি জরুরি সেবার কনফারেন্সের মাধ্যমে থানার ডিউটি অফিসারের সঙ্গেও কথা বলেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছলে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

শেষে মোবাইলে কল করে জানা যায় তিনি ঝন্টু মিয়ার দোকানের মধ্যে। দোকান থেকে বের হতে তার অসুবিধা কোথায় জানতে চাইলে পুলিশ সদস্যদের ইয়াছিন খাঁ বলেন, চুরির মালামাল গুছিয়ে ব্যাগ ভর্তি করতে তার বেশি সময় লেগেছে। সময় গড়িয়ে সকাল হয়ে গেছে। লোকজন দোকানের পাশে অবস্থান করছিল। এ অবস্থায় সেখান থেকে বের হলে মারধরের শিকার হতো। এ জন্য বুদ্ধি করে ৯৯৯ নম্বরে কল করেছে।

দোকান মালিক ঝন্টু বলেন, পুলিশ আমার দোকানের কাছে এলেও কিছুই অনুমান করতে পারিনি। পরে তার মধ্য থেকে একজনকে বের করায় বুঝতে পারি চোর ধরেছে। পরে জানি ওই চোর ৯৯৯ নম্বরে কল করে সহায়তা চেয়েছে।

তিনি বলেন, দোকানের মালামাল যায়নি কিছুই। তবে সবকিছু এলোমেলো করে রেখেছে। ভালো ভালো জিনিস ব্যাগে ভরেছিল। কিন্তু নিতে পারেনি।

চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ নম্বরে কল করে নিজেকে ধরা পড়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে এক চোর বলে জেনেছি। এই ঘটনা এখন সবখানে আলোচনা হচ্ছে। যে শুনছে সেই অবাক হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চুরি করতে গিয়ে মারধরের ভয়ে ৯৯৯-এ কল, অতঃপর…

আপডেট সময় : ০৭:২৩:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অক্টোবর ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স
চুরি করতে গিয়ে টেরই পাননি সূর্য উঠে গেছে। যখন বুঝতে পারলেন ততক্ষণে দোকানের সামনে অনেক মানুষের আনাগোনা। ব্যাগভর্তি চুরির মালামাল নিয়ে বের হতে গেলে ধরা পড়ে গণধোলাইয়ের শিকার হতে পারেন এমন শঙ্কায় ৯৯৯-এ কল করে সহায়তা চান।

পুলিশ এসে বিপদে পড়া লোকটিকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না। যখন পেলেন তখন চোখ ছানাবড়া। শেষে দোকান খুলে সহায়তাপ্রার্থী চোরকে উদ্ধার করে নিয়ে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তির নাম ইয়াছিন খান (৪১)। তিনি ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার বাসিন্দা হলেও বরিশাল নগরীর কালুশাহ সড়কের একটি ভাড়া বাসায় থাকেন।

ঘটনাটি ঘটেছে বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের এআরখান বাজার এলাকায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেট্রোপলিটন বন্দর থানার ওসি আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ধরা পরে গেলে স্থানীয়দের হাতে মারধরের শিকার হতে পারেন এই ভয় থেকে ওই ব্যক্তি ৯৯৯ নম্বরে কল করে সহায়তা চান। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে যখন বন্ধ একটি দোকানের মধ্য থেকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন, তখন স্বীকার করেন পেশায় তিনি চোর।

ওসি জানান, ভোরে জরুরি সেবা থেকে আমাদের কাছে তথ্য আসে চরকাউয়া ইউনিয়নের এআরখান বাজার এলাকায় বিপদে পড়েছেন এক ব্যক্তি। ওই ব্যক্তি জরুরি সেবার কনফারেন্সের মাধ্যমে থানার ডিউটি অফিসারের সঙ্গেও কথা বলেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছলে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

শেষে মোবাইলে কল করে জানা যায় তিনি ঝন্টু মিয়ার দোকানের মধ্যে। দোকান থেকে বের হতে তার অসুবিধা কোথায় জানতে চাইলে পুলিশ সদস্যদের ইয়াছিন খাঁ বলেন, চুরির মালামাল গুছিয়ে ব্যাগ ভর্তি করতে তার বেশি সময় লেগেছে। সময় গড়িয়ে সকাল হয়ে গেছে। লোকজন দোকানের পাশে অবস্থান করছিল। এ অবস্থায় সেখান থেকে বের হলে মারধরের শিকার হতো। এ জন্য বুদ্ধি করে ৯৯৯ নম্বরে কল করেছে।

দোকান মালিক ঝন্টু বলেন, পুলিশ আমার দোকানের কাছে এলেও কিছুই অনুমান করতে পারিনি। পরে তার মধ্য থেকে একজনকে বের করায় বুঝতে পারি চোর ধরেছে। পরে জানি ওই চোর ৯৯৯ নম্বরে কল করে সহায়তা চেয়েছে।

তিনি বলেন, দোকানের মালামাল যায়নি কিছুই। তবে সবকিছু এলোমেলো করে রেখেছে। ভালো ভালো জিনিস ব্যাগে ভরেছিল। কিন্তু নিতে পারেনি।

চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ নম্বরে কল করে নিজেকে ধরা পড়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে এক চোর বলে জেনেছি। এই ঘটনা এখন সবখানে আলোচনা হচ্ছে। যে শুনছে সেই অবাক হচ্ছে।