মাইলফলক ছুঁয়েছেন বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার
- আপডেট সময় : ০৪:০১:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২২ ৭৯ বার পড়া হয়েছে

রেকর্ডের বরপুত্র সাকিব আল হাসানের অর্জনের মুকুটে যুক্ত হলো আরও একটি পালক। এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাঁচা-মরার ম্যাচে খেলতে নেমে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ৬ হাজার রানের
এর আগে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ছয় হাজার রান করেছিলেন দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। যদিও টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়ে ফেলেছেন তিনি। তবে তার আগে ২৩৮ ম্যাচে ২৩৭ ইনিংসে তার রান সংখ্যা ৬ হাজার ৮৮৬। একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরির রেকর্ডও চট্টলার এই ক্রিকেটারের নামের পাশে।
এদিকে, ৩৬৮ ম্যাচে ৩৩৮ ইনিংসে ৪৮ ফিফটিতে সাকিবের রান ৬০০৯। যদিও মাইলফলক ছোঁয়ার দিনে ইনিংস দীর্ঘ করতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক। মাত্র ২৪ রানেই ফিরে গেছেন।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রান ক্যারিবীয় ব্যাটিং দানব ক্রিস গেইলের। ৪৬৩ ম্যাচে তার রান সংখ্যা ১৪ হাজার ৫৬২।
রেকর্ডের বরপুত্র সাকিব বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) আরেকটি রেকর্ডও স্পর্শ করেছেন। টি-টোয়েন্টিতে ছয় হাজার রান এবং ৪০০ উইকেট পাওয়া দ্বিতীয় ক্রিকেটারও সাকিব।
এর আগে এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচেই তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে শততম টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমেছিলেন সাকিব। সাকিবের আগে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার শতক পূর্ণ করেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিম। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে শতক পূর্ণ করা রিয়াদ এখন পর্যন্ত খেলেছেন ১২১টি ম্যাচ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলার সংখ্যায় তিনি সবমিলিয়েই আছেন চতুর্থ স্থানে।
দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে শত ম্যাচ খেলার কৃতিত্ব দেখান মুশফিকুর রহিম। তার ম্যাচ সংখ্যা ১০২।
টি-টোয়েন্টিতে সাকিবের অভিষেক হয় ২০০৬ সালে। সে বছরের নভেম্বরে খুলনায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক হয় এই বাঁহাতির। এরপর গত ১৬ বছরে জাতীয় দলে নিজের অপরিহার্যতার প্রমাণ দিয়ে এসেছেন। ক্যারিয়ারে নানা বিতর্কে কয়েকবার দলের বাইরে থাকতে হলেও পারফরম্যান্সের জন্য কখনোই বাদ পড়তে হয়নি সাকিবকে। তাই বলা চলে, বিতর্কে না জড়ালে এই ম্যাচের সংখ্যা আরও বাড়ত। হয়তো তখন সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারের লড়াইয়ে আরও একটু এগিয়ে যেতেন মিস্টার সেভেন্টি ফাইভ।
















