সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

একটি ডিমের দাম সাড়ে ১৩ টাকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৮:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২ ১১৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
নীলফামারীর সৈয়দপুরে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির ডিমের দাম হালিপ্রতি বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে প্রতি হালিতে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। এ ছাড়া হাঁসের ডিমের দাম হালিতে বেড়েছে ১৮ থেকে ২০ টাকা।

জানা যায়, ‘গরিবের প্রোটিন’ হিসেবে পরিচিত মুরগির ডিম এক সপ্তাহ আগে স্থানীয় বাজারে পাইকারি পর্যায়ে প্রতি হালি ৩৫ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে ৩৭ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এখন সেই ডিম পাইকারি পর্যায়ে প্রতি হালি ৫০ টাকা এবং মহল্লার মুদিদোকানে খুচরা পর্যায়ে ৫৪ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে। ৪৫ টাকা হালি দরের হাঁসের ডিম খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা দরে।

শনিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, পাইকারি বাজারে লেয়ার মুরগির ডিম প্রতি হালি ৪৮ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি সাদা কক মুরগির ডিম বিক্রি হয়েছে প্রতি হালি ৪৬ টাকা দরে। শহরের মুদিদোকানগুলোতে এই লেয়ার মুরগির ডিমই প্রতি হালি ৫৪ টাকায়, সাদা এবং হাঁসের ডিম ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

শহরের শহীদ ডা. জিকরুল হক রোডের একটি পাইকারি আড়ত থেকে নিয়মিত ডিম কেনেন স্কুলশিক্ষক সেলিনা খাতুন। গত শুক্রবার তিনি প্রতি হালি ডিম কিনেছেন ৩৫ টাকা দরে। সপ্তাহের শেষে বৃহস্পতিবার একই আড়তে ডিম কিনতে গেলে দাম চাওয়া হয় প্রতি হালি ৫০ টাকা।

ক্ষুব্ধ এই শিক্ষক বলেন, ‘তেলের দাম বাড়ার পর নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন লেগেছে। সবজি থেকে শুরু করে চাল, ডাল, মসলা, সয়াবিন, মাছ, মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। আগে ১২ হাজার টাকায় সংসারের মাসের খরচ চলে যেত। এখন ১৮ হাজার টাকায় হিমশিম খেতে হচ্ছে।’

শহরের গোলাহাট এলাকার ক্রেতা গৃহবধূ রোখসানা বেগম এক সপ্তাহ আগে এক হালি হাঁসের ডিম কিনেছেন ৪৮ টাকায়। বৃহস্পতিবার দোকানে গিয়ে দেখেন, সেই ডিম এক লাফে হালিতে ১৭ টাকা বেড়ে এখন ৬৫ টাকা।

তবে দাম বাড়লেও লাভ বাড়েনি বলে দাবি করেছেন ডিম ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর পরিবহন খরচ বেড়েছে। এ কারণে ডিমের দাম বেড়েছে। আগে প্রতি হালি ডিমে যে লাভ করেছি, এখনো সেই টাকাই লাভ হচ্ছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নীলফামারীর উপ-সহকারী পরিচালক শামসুল আলম বলেন, খুব শিগগির ডিমের বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হবে। যাঁরা ক্রয়মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে ডিম বিক্রি করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

একটি ডিমের দাম সাড়ে ১৩ টাকা

আপডেট সময় : ০৭:০৮:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স
নীলফামারীর সৈয়দপুরে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির ডিমের দাম হালিপ্রতি বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে প্রতি হালিতে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। এ ছাড়া হাঁসের ডিমের দাম হালিতে বেড়েছে ১৮ থেকে ২০ টাকা।

জানা যায়, ‘গরিবের প্রোটিন’ হিসেবে পরিচিত মুরগির ডিম এক সপ্তাহ আগে স্থানীয় বাজারে পাইকারি পর্যায়ে প্রতি হালি ৩৫ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে ৩৭ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এখন সেই ডিম পাইকারি পর্যায়ে প্রতি হালি ৫০ টাকা এবং মহল্লার মুদিদোকানে খুচরা পর্যায়ে ৫৪ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে। ৪৫ টাকা হালি দরের হাঁসের ডিম খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা দরে।

শনিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, পাইকারি বাজারে লেয়ার মুরগির ডিম প্রতি হালি ৪৮ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি সাদা কক মুরগির ডিম বিক্রি হয়েছে প্রতি হালি ৪৬ টাকা দরে। শহরের মুদিদোকানগুলোতে এই লেয়ার মুরগির ডিমই প্রতি হালি ৫৪ টাকায়, সাদা এবং হাঁসের ডিম ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

শহরের শহীদ ডা. জিকরুল হক রোডের একটি পাইকারি আড়ত থেকে নিয়মিত ডিম কেনেন স্কুলশিক্ষক সেলিনা খাতুন। গত শুক্রবার তিনি প্রতি হালি ডিম কিনেছেন ৩৫ টাকা দরে। সপ্তাহের শেষে বৃহস্পতিবার একই আড়তে ডিম কিনতে গেলে দাম চাওয়া হয় প্রতি হালি ৫০ টাকা।

ক্ষুব্ধ এই শিক্ষক বলেন, ‘তেলের দাম বাড়ার পর নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন লেগেছে। সবজি থেকে শুরু করে চাল, ডাল, মসলা, সয়াবিন, মাছ, মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। আগে ১২ হাজার টাকায় সংসারের মাসের খরচ চলে যেত। এখন ১৮ হাজার টাকায় হিমশিম খেতে হচ্ছে।’

শহরের গোলাহাট এলাকার ক্রেতা গৃহবধূ রোখসানা বেগম এক সপ্তাহ আগে এক হালি হাঁসের ডিম কিনেছেন ৪৮ টাকায়। বৃহস্পতিবার দোকানে গিয়ে দেখেন, সেই ডিম এক লাফে হালিতে ১৭ টাকা বেড়ে এখন ৬৫ টাকা।

তবে দাম বাড়লেও লাভ বাড়েনি বলে দাবি করেছেন ডিম ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর পরিবহন খরচ বেড়েছে। এ কারণে ডিমের দাম বেড়েছে। আগে প্রতি হালি ডিমে যে লাভ করেছি, এখনো সেই টাকাই লাভ হচ্ছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নীলফামারীর উপ-সহকারী পরিচালক শামসুল আলম বলেন, খুব শিগগির ডিমের বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হবে। যাঁরা ক্রয়মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে ডিম বিক্রি করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।