সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু অভাবের সংসারে অসমাপ্ত ঘর, রেহানার পাশে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন। বাবুগঞ্জে সালিশ বৈঠকে হামলার অভিযোগ, আহত একই পরিবারের ৩ কাঠালিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ঘোড়াঘাটে মাদক সেবলের বিস্তার ৬ মাদক সেবীর কারাদন্ড উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী

একটি ডিমের দাম সাড়ে ১৩ টাকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৮:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২ ১৩১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
নীলফামারীর সৈয়দপুরে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির ডিমের দাম হালিপ্রতি বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে প্রতি হালিতে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। এ ছাড়া হাঁসের ডিমের দাম হালিতে বেড়েছে ১৮ থেকে ২০ টাকা।

জানা যায়, ‘গরিবের প্রোটিন’ হিসেবে পরিচিত মুরগির ডিম এক সপ্তাহ আগে স্থানীয় বাজারে পাইকারি পর্যায়ে প্রতি হালি ৩৫ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে ৩৭ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এখন সেই ডিম পাইকারি পর্যায়ে প্রতি হালি ৫০ টাকা এবং মহল্লার মুদিদোকানে খুচরা পর্যায়ে ৫৪ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে। ৪৫ টাকা হালি দরের হাঁসের ডিম খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা দরে।

শনিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, পাইকারি বাজারে লেয়ার মুরগির ডিম প্রতি হালি ৪৮ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি সাদা কক মুরগির ডিম বিক্রি হয়েছে প্রতি হালি ৪৬ টাকা দরে। শহরের মুদিদোকানগুলোতে এই লেয়ার মুরগির ডিমই প্রতি হালি ৫৪ টাকায়, সাদা এবং হাঁসের ডিম ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

শহরের শহীদ ডা. জিকরুল হক রোডের একটি পাইকারি আড়ত থেকে নিয়মিত ডিম কেনেন স্কুলশিক্ষক সেলিনা খাতুন। গত শুক্রবার তিনি প্রতি হালি ডিম কিনেছেন ৩৫ টাকা দরে। সপ্তাহের শেষে বৃহস্পতিবার একই আড়তে ডিম কিনতে গেলে দাম চাওয়া হয় প্রতি হালি ৫০ টাকা।

ক্ষুব্ধ এই শিক্ষক বলেন, ‘তেলের দাম বাড়ার পর নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন লেগেছে। সবজি থেকে শুরু করে চাল, ডাল, মসলা, সয়াবিন, মাছ, মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। আগে ১২ হাজার টাকায় সংসারের মাসের খরচ চলে যেত। এখন ১৮ হাজার টাকায় হিমশিম খেতে হচ্ছে।’

শহরের গোলাহাট এলাকার ক্রেতা গৃহবধূ রোখসানা বেগম এক সপ্তাহ আগে এক হালি হাঁসের ডিম কিনেছেন ৪৮ টাকায়। বৃহস্পতিবার দোকানে গিয়ে দেখেন, সেই ডিম এক লাফে হালিতে ১৭ টাকা বেড়ে এখন ৬৫ টাকা।

তবে দাম বাড়লেও লাভ বাড়েনি বলে দাবি করেছেন ডিম ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর পরিবহন খরচ বেড়েছে। এ কারণে ডিমের দাম বেড়েছে। আগে প্রতি হালি ডিমে যে লাভ করেছি, এখনো সেই টাকাই লাভ হচ্ছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নীলফামারীর উপ-সহকারী পরিচালক শামসুল আলম বলেন, খুব শিগগির ডিমের বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হবে। যাঁরা ক্রয়মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে ডিম বিক্রি করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

একটি ডিমের দাম সাড়ে ১৩ টাকা

আপডেট সময় : ০৭:০৮:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স
নীলফামারীর সৈয়দপুরে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির ডিমের দাম হালিপ্রতি বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে প্রতি হালিতে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। এ ছাড়া হাঁসের ডিমের দাম হালিতে বেড়েছে ১৮ থেকে ২০ টাকা।

জানা যায়, ‘গরিবের প্রোটিন’ হিসেবে পরিচিত মুরগির ডিম এক সপ্তাহ আগে স্থানীয় বাজারে পাইকারি পর্যায়ে প্রতি হালি ৩৫ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে ৩৭ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এখন সেই ডিম পাইকারি পর্যায়ে প্রতি হালি ৫০ টাকা এবং মহল্লার মুদিদোকানে খুচরা পর্যায়ে ৫৪ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে। ৪৫ টাকা হালি দরের হাঁসের ডিম খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা দরে।

শনিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, পাইকারি বাজারে লেয়ার মুরগির ডিম প্রতি হালি ৪৮ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি সাদা কক মুরগির ডিম বিক্রি হয়েছে প্রতি হালি ৪৬ টাকা দরে। শহরের মুদিদোকানগুলোতে এই লেয়ার মুরগির ডিমই প্রতি হালি ৫৪ টাকায়, সাদা এবং হাঁসের ডিম ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

শহরের শহীদ ডা. জিকরুল হক রোডের একটি পাইকারি আড়ত থেকে নিয়মিত ডিম কেনেন স্কুলশিক্ষক সেলিনা খাতুন। গত শুক্রবার তিনি প্রতি হালি ডিম কিনেছেন ৩৫ টাকা দরে। সপ্তাহের শেষে বৃহস্পতিবার একই আড়তে ডিম কিনতে গেলে দাম চাওয়া হয় প্রতি হালি ৫০ টাকা।

ক্ষুব্ধ এই শিক্ষক বলেন, ‘তেলের দাম বাড়ার পর নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন লেগেছে। সবজি থেকে শুরু করে চাল, ডাল, মসলা, সয়াবিন, মাছ, মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। আগে ১২ হাজার টাকায় সংসারের মাসের খরচ চলে যেত। এখন ১৮ হাজার টাকায় হিমশিম খেতে হচ্ছে।’

শহরের গোলাহাট এলাকার ক্রেতা গৃহবধূ রোখসানা বেগম এক সপ্তাহ আগে এক হালি হাঁসের ডিম কিনেছেন ৪৮ টাকায়। বৃহস্পতিবার দোকানে গিয়ে দেখেন, সেই ডিম এক লাফে হালিতে ১৭ টাকা বেড়ে এখন ৬৫ টাকা।

তবে দাম বাড়লেও লাভ বাড়েনি বলে দাবি করেছেন ডিম ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর পরিবহন খরচ বেড়েছে। এ কারণে ডিমের দাম বেড়েছে। আগে প্রতি হালি ডিমে যে লাভ করেছি, এখনো সেই টাকাই লাভ হচ্ছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নীলফামারীর উপ-সহকারী পরিচালক শামসুল আলম বলেন, খুব শিগগির ডিমের বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হবে। যাঁরা ক্রয়মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে ডিম বিক্রি করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।