সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

বানারীপাড়ায় লঞ্চের ধাক্কায় বাল্কহেড ডুবির ৪ দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ সুকানী মিলনের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৬:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২ ১০৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাহাদ সুমন,
বিশেষ প্রতিনিধি:
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সন্ধ্যা নদীতে ঢাকাগামী মর্নিং সান-৯ লঞ্চের ধাক্কায় বালুবাহী বাল্কহেড ডুবির ঘটনায় শ্রমিক কালামের (৬০) লাশ পরদিন উদ্ধার হলেও নিখোঁজের ৪ দিনেও সন্ধান মেলেনি বাল্কহেডের সুকানী মিলন হাওলাদারের (৩৫)। তাদের দুজনের বাড়ি পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার নান্দুহার গ্রামে। দুর্ঘটনার পর থেকে মিলনের খোঁজে
সন্ধ্যা নদীর বানারীপাড়া,স্বরূপকাঠি ও উজিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ট্রলার নিয়ে সন্ধানের পাশাপাশি প্রতিদিন মাইকিং করা হচ্ছে। তার বাড়িতে বইছে শোকের মাতম।
প্রসঙ্গত,

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে গত ৮ আগস্ট সোমবার রাত পৌনে ৯টার দিকে বানারীপাড়ার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের মসজিদবাড়ি (দাসেরহাট) এলাকায় সন্ধ্যা নদীতে এমভি মর্নিংসান-৯ লঞ্চের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে বালুবাহী একটি বাল্কহেড ডুবে যায়। নিখোঁজ হয় বাল্কহেডের দু’শ্রমিক কালাম ও মিলন। সংঘর্ষে লঞ্চের সামনের দিকের ডানপাশে পানির স্তরের কিছুটা উপরে ছিদ্র হয়। এতে যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণে স্থানীয় প্রশাসন রাতে ওই লঞ্চের যাত্রা স্থগিত করে।
দুর্ঘটনাস্থলের অদূরে লঞ্চটি উজিরপুরের চৌধুরীর হাটে নোঙর করলে লঞ্চে থাকা আশপাশের বিভিন্ন উপজেলার দু’শতাধিক যাত্রী নেমে গন্তব্যে চলে যায়। এরপর শতাধিক যাত্রী লঞ্চে অবস্থান করে। পরের দিন ৯ আগস্ট সকালে
ডুবে যাওয়া বাল্কহেডের সন্ধান মেলে মসজিদবাড়ি গ্রামের একটি ইটভাটা সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীর পানির তলদেশে। ওই বাল্কহেডের ভেতর থেকে নিখোঁজ দু’শ্রমিকের মধ্যে ইঞ্জিন রুমের মিস্ত্রি কালামের (৫৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তার মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। তবে
অপরজন বাল্কহেডের সুকানী মিলনের সন্ধান পায়নি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা। বাল্কহেডটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে সংঘর্ষে এমভি মর্নিংসান-৯ লঞ্চের ছিদ্র হওয়া তলা সাময়িক মেরামত করে শতাধিক যাত্রী নিয়ে মঙ্গলবার সকালেই ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায় ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বানারীপাড়ায় লঞ্চের ধাক্কায় বাল্কহেড ডুবির ৪ দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ সুকানী মিলনের

আপডেট সময় : ০৫:৫৬:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২

রাহাদ সুমন,
বিশেষ প্রতিনিধি:
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সন্ধ্যা নদীতে ঢাকাগামী মর্নিং সান-৯ লঞ্চের ধাক্কায় বালুবাহী বাল্কহেড ডুবির ঘটনায় শ্রমিক কালামের (৬০) লাশ পরদিন উদ্ধার হলেও নিখোঁজের ৪ দিনেও সন্ধান মেলেনি বাল্কহেডের সুকানী মিলন হাওলাদারের (৩৫)। তাদের দুজনের বাড়ি পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার নান্দুহার গ্রামে। দুর্ঘটনার পর থেকে মিলনের খোঁজে
সন্ধ্যা নদীর বানারীপাড়া,স্বরূপকাঠি ও উজিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ট্রলার নিয়ে সন্ধানের পাশাপাশি প্রতিদিন মাইকিং করা হচ্ছে। তার বাড়িতে বইছে শোকের মাতম।
প্রসঙ্গত,

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে গত ৮ আগস্ট সোমবার রাত পৌনে ৯টার দিকে বানারীপাড়ার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের মসজিদবাড়ি (দাসেরহাট) এলাকায় সন্ধ্যা নদীতে এমভি মর্নিংসান-৯ লঞ্চের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে বালুবাহী একটি বাল্কহেড ডুবে যায়। নিখোঁজ হয় বাল্কহেডের দু’শ্রমিক কালাম ও মিলন। সংঘর্ষে লঞ্চের সামনের দিকের ডানপাশে পানির স্তরের কিছুটা উপরে ছিদ্র হয়। এতে যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণে স্থানীয় প্রশাসন রাতে ওই লঞ্চের যাত্রা স্থগিত করে।
দুর্ঘটনাস্থলের অদূরে লঞ্চটি উজিরপুরের চৌধুরীর হাটে নোঙর করলে লঞ্চে থাকা আশপাশের বিভিন্ন উপজেলার দু’শতাধিক যাত্রী নেমে গন্তব্যে চলে যায়। এরপর শতাধিক যাত্রী লঞ্চে অবস্থান করে। পরের দিন ৯ আগস্ট সকালে
ডুবে যাওয়া বাল্কহেডের সন্ধান মেলে মসজিদবাড়ি গ্রামের একটি ইটভাটা সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীর পানির তলদেশে। ওই বাল্কহেডের ভেতর থেকে নিখোঁজ দু’শ্রমিকের মধ্যে ইঞ্জিন রুমের মিস্ত্রি কালামের (৫৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তার মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। তবে
অপরজন বাল্কহেডের সুকানী মিলনের সন্ধান পায়নি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা। বাল্কহেডটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে সংঘর্ষে এমভি মর্নিংসান-৯ লঞ্চের ছিদ্র হওয়া তলা সাময়িক মেরামত করে শতাধিক যাত্রী নিয়ে মঙ্গলবার সকালেই ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায় ।