সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা, পুনঃতদন্তে প্রশাসন রাজাপুরে বেহাল সড়ক পুনঃনির্মাণ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন: দুই যুগের দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ চুয়াডাঙ্গায় রাইচ কুকারের সুইচ দেবার কালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু রহমতপুর সমিতি ঢাকা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে, বাবুগঞ্জে নদী ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজের উদ্বোধন

রাজাপুরে ঠিকাদারের স্বেচ্ছাচারিতা ও পল্লী বিদ্যুতের অবহেলায় ঘটতে পারে প্রাণহানি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ অগাস্ট ২০২২ ৭৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির রাজাপুরের সদর ইউনিয়নের বড়কৈবর্তখালি গ্রামে ঠিকাদারের স্বেচ্ছাচারিতা ও পল্লী বিদ্যুত বিভাগের অবহেলায় বিদ্যুতের খুটি হেলেপড়ায় তার ঝুলে রাস্তার ওপরে থাকায় ঘটতে পারে প্রাণহানি। আতঙ্কে আছেন পথচারী এলাকাবাসী।

ওই গ্রামের ক্লাবষ্টান থেকে ফুলহার পর্যন্ত রাস্তার কাজীবাড়ির সামনে একটি কালভার্ট নিমার্নের সময় পাশে থাকা পল্লী বিদ্যুতের খুটির গোড়ার মাটি কয়েকমাস আগে খনন করা হয়। বর্তমানে পানি ওঠায় মাটি নরম হয়ে ওই খুটিটি উত্তর দিকে হেলে পড়েছে। ফলে ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুতের তার ঝুলে পড়েছে। তারের নিচে রয়েছে ক্লাবষ্টান থেকে ফুলহার পর্যন্ত নির্মানাধীন রাস্তা ও এলাকার কৃষি ক্ষেত। তার ঝুলে এতটা নিচে রয়েছে , যাতে রাস্তা দিয়ে পথচারীর মাথার ওপরে ২/৩ ইঞ্চি ফাঁকা থাকে। যাহা খুবই ঝুকি পূর্ণ। অপরদিকে তার ঝুলে পড়ছে এলাকার কৃষি ক্ষেতে উপরে।

কৃষক সাইফুল ইসলাম জানান, তার ক্ষেতের পেঁপে গাছ ও কলা গাছের সাথে বিদ্যুতের তার মিশে আছে এবং প্রায় সময় ফায়ারিং করে। যে কোন সময় পেঁপে পারতে গেলে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটতে পারে। তিনি আতংকে আছেন। এ বিষয় রাজাপুর পল্লী বিদ্যুত অফিসে একাধিকবার অভিযোগ করলেও মেলেনি কোন প্রতিকার।

এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, ওই রাস্তা দিয়ে হাটার সময় আমরা আতংকে থাকি। যে কোন সময় প্রাণহানি ঘটতে পারে। এবিষয় পল্লীবিদ্যুত অফিস কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। পল্লীবিদ্যুতের ১১ হাজার ভোল্টেজের ঝুলন্ত ওই ঝুকিপূর্ণ তারে বিদ্যুতায়িত হয়ে কোন পথচারী হতাহতের আগে এর সমাধানের জন্য দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসি।

এবিষয় রাজাপুর পল্লীবিদ্যুতের এজিএম মধূসুদন রায় জানান, আনুমানিক গত মার্চমাসে ওই স্থানে সরেজমিনে দেখতে গিয়েছিলাম। উপজেলা এলজিইডি অফিসকে পল্লীবিদ্যুত বরাবরে আবেদন করতে বলেছি। এলজিইডি বিভাগের কালভার্ট নিমার্নের কারনে ওই খুটি ও বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এখন ওই খুটি ঠিক করতে হলে খরচের বিষয় আছে। তাই এলজিইডি প্রকৌশলী আবেদন করলে তার প্রেক্ষিতে কাজ করিয়ে তাদেরকে ভাউচার দেয়া হবে। এলজিইডি প্রকৌশলীর আবেদন ছাড়া আমরা কাজ করালে তার খরচ বহন করবে কে?

কালভার্ট ও সড়কের ঠিকাদার রাজাপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মজিবর মৃধা জানান, কালভার্ট থেকে ওই খুটি অনেক দুরে থাকায় আমরা ওই স্থানের মাটি কাটি নাই। ওই খুটির স্থানের জমির মালিকরা মাটি কেটেছে।

স্থানীয় ৪নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সৈয়দ সুমনসহ একাধিক এলাকাবাসী জানান, কালভার্ট নির্মানের সময় টিকাদারের শ্রমিকরাই ওই বিদ্যুতের খুটির গোড়ার মাটি কেটে নেয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাজাপুরে ঠিকাদারের স্বেচ্ছাচারিতা ও পল্লী বিদ্যুতের অবহেলায় ঘটতে পারে প্রাণহানি

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ অগাস্ট ২০২২

নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির রাজাপুরের সদর ইউনিয়নের বড়কৈবর্তখালি গ্রামে ঠিকাদারের স্বেচ্ছাচারিতা ও পল্লী বিদ্যুত বিভাগের অবহেলায় বিদ্যুতের খুটি হেলেপড়ায় তার ঝুলে রাস্তার ওপরে থাকায় ঘটতে পারে প্রাণহানি। আতঙ্কে আছেন পথচারী এলাকাবাসী।

ওই গ্রামের ক্লাবষ্টান থেকে ফুলহার পর্যন্ত রাস্তার কাজীবাড়ির সামনে একটি কালভার্ট নিমার্নের সময় পাশে থাকা পল্লী বিদ্যুতের খুটির গোড়ার মাটি কয়েকমাস আগে খনন করা হয়। বর্তমানে পানি ওঠায় মাটি নরম হয়ে ওই খুটিটি উত্তর দিকে হেলে পড়েছে। ফলে ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুতের তার ঝুলে পড়েছে। তারের নিচে রয়েছে ক্লাবষ্টান থেকে ফুলহার পর্যন্ত নির্মানাধীন রাস্তা ও এলাকার কৃষি ক্ষেত। তার ঝুলে এতটা নিচে রয়েছে , যাতে রাস্তা দিয়ে পথচারীর মাথার ওপরে ২/৩ ইঞ্চি ফাঁকা থাকে। যাহা খুবই ঝুকি পূর্ণ। অপরদিকে তার ঝুলে পড়ছে এলাকার কৃষি ক্ষেতে উপরে।

কৃষক সাইফুল ইসলাম জানান, তার ক্ষেতের পেঁপে গাছ ও কলা গাছের সাথে বিদ্যুতের তার মিশে আছে এবং প্রায় সময় ফায়ারিং করে। যে কোন সময় পেঁপে পারতে গেলে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটতে পারে। তিনি আতংকে আছেন। এ বিষয় রাজাপুর পল্লী বিদ্যুত অফিসে একাধিকবার অভিযোগ করলেও মেলেনি কোন প্রতিকার।

এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, ওই রাস্তা দিয়ে হাটার সময় আমরা আতংকে থাকি। যে কোন সময় প্রাণহানি ঘটতে পারে। এবিষয় পল্লীবিদ্যুত অফিস কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। পল্লীবিদ্যুতের ১১ হাজার ভোল্টেজের ঝুলন্ত ওই ঝুকিপূর্ণ তারে বিদ্যুতায়িত হয়ে কোন পথচারী হতাহতের আগে এর সমাধানের জন্য দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসি।

এবিষয় রাজাপুর পল্লীবিদ্যুতের এজিএম মধূসুদন রায় জানান, আনুমানিক গত মার্চমাসে ওই স্থানে সরেজমিনে দেখতে গিয়েছিলাম। উপজেলা এলজিইডি অফিসকে পল্লীবিদ্যুত বরাবরে আবেদন করতে বলেছি। এলজিইডি বিভাগের কালভার্ট নিমার্নের কারনে ওই খুটি ও বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এখন ওই খুটি ঠিক করতে হলে খরচের বিষয় আছে। তাই এলজিইডি প্রকৌশলী আবেদন করলে তার প্রেক্ষিতে কাজ করিয়ে তাদেরকে ভাউচার দেয়া হবে। এলজিইডি প্রকৌশলীর আবেদন ছাড়া আমরা কাজ করালে তার খরচ বহন করবে কে?

কালভার্ট ও সড়কের ঠিকাদার রাজাপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মজিবর মৃধা জানান, কালভার্ট থেকে ওই খুটি অনেক দুরে থাকায় আমরা ওই স্থানের মাটি কাটি নাই। ওই খুটির স্থানের জমির মালিকরা মাটি কেটেছে।

স্থানীয় ৪নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সৈয়দ সুমনসহ একাধিক এলাকাবাসী জানান, কালভার্ট নির্মানের সময় টিকাদারের শ্রমিকরাই ওই বিদ্যুতের খুটির গোড়ার মাটি কেটে নেয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।