সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা, পুনঃতদন্তে প্রশাসন রাজাপুরে বেহাল সড়ক পুনঃনির্মাণ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন: দুই যুগের দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ চুয়াডাঙ্গায় রাইচ কুকারের সুইচ দেবার কালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু রহমতপুর সমিতি ঢাকা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে,

পটুয়াখালীতে তরমুজ চাষে সফল তিন তরুণ চাষি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অগাস্ট ২০২২ ৯৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন পটুয়াখালী সদর উপজেলার জৈনকাঠি এলাকার তিন চাষি। গত এপ্রিল মাসে ইউটিউবে ভিডিও দেখে এই তরমুজ চাষে প্রথম আগ্রহ জন্মায় তিন তরুন উদ্যোক্তা নাজিম, আলামিন, সবুজের।

জানা গেছে, উপজেলা কৃষি অফিসের সাহায্যে ২৫ শতাংশ জমিতে ৭০ হাজার টাকা খরচে অক্সিজেন বাংলালিংক পাকিজা ও ফনিক্স জাতের তরমুজের চাষ শুরু করেন তারা। চাষ শুরু করার দুই মাস পরেই তিন বন্ধু বানিজ্যিক ভাবে তরমুজ বিক্রি শুরু করে। প্রতিটি তরমুজের ওজন প্রায় চার থেকে আট কেজি, যেগুলো গড়ে ৭০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি করছেন।

এসব তরমুজ গাড়িতে পাঠানো হচ্ছে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে। মালচিং পদ্ধতি হলো মাটিতে পচনশীল এক ধরনের পলিথিন দিয়ে চাষের মাদাটি (বেড) ঢেকে দেওয়া। আর মালচিং কাগজ হলো এক ধরনের কাগজ, যার এক পাশে কালো ও অন্য পাশে রুপালি রং করা থাকে। কালো পাশ নিচে ও রুপালি পাশ ওপরের দিকে দিয়ে মাদাটি ঢেকে দিতে হয়। এভাবে মাটি ঢেকে দেওয়ার ফলে কালো রঙের প্রভাবে প্রচ- সূর্যের তাপেও মাটির আর্দ্রতা শুকিয়ে যায় না। এ কারণে মাটিতে পানির পরিমাণ কম লাগে। অন্যদিকে মাটি ঢেকে থাকায় আগাছা হয় না। রুপালি পাশ ওপরে থাকায় পোকামাকড়ের
উপদ্রবও তুলনামূলক কম হয়।

তরুন চাষি আল আমিন জানান, তারা ইউটিউব দেখে তিন বন্ধু প্রথম এই তরমুজ চাষের কথা ভাবেন। পরে তিনজন এই বিষয়ে কথাবার্তা বলে কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে এই চাষ শুরু করে। দুই মাস পরেই ফল বিক্রি করে মুনাফা আসায় তারা এই তরমুজের চাষকে আরো প্রসারিত করতে চান।

স্থানীয় কৃষক কাওসার আলী বলেন, আমি ধান ও মুগ ডাল চাষ করে থাকি। এর আগে শুনেছি বারো মাসের তরমুজ চাষের কথা। এই প্রথম আমাদের এলাকাতে দেখলাম। আমিও সামনের বছর থেকে এই ফল চাষ শুরু করতে ইচ্ছুক।

পটুয়াখালী উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার বলেন, বারোমাসি তরমুজ চাষের যে সকল প্রযুক্তিগত সহায়তা থেকে শুরু করে এই উদ্যোক্তাদের সকল ধরনের ফিজিকাল সহায়তা ও পরামর্শ আমরা দিচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পটুয়াখালীতে তরমুজ চাষে সফল তিন তরুণ চাষি

আপডেট সময় : ০৮:২৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অগাস্ট ২০২২

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন পটুয়াখালী সদর উপজেলার জৈনকাঠি এলাকার তিন চাষি। গত এপ্রিল মাসে ইউটিউবে ভিডিও দেখে এই তরমুজ চাষে প্রথম আগ্রহ জন্মায় তিন তরুন উদ্যোক্তা নাজিম, আলামিন, সবুজের।

জানা গেছে, উপজেলা কৃষি অফিসের সাহায্যে ২৫ শতাংশ জমিতে ৭০ হাজার টাকা খরচে অক্সিজেন বাংলালিংক পাকিজা ও ফনিক্স জাতের তরমুজের চাষ শুরু করেন তারা। চাষ শুরু করার দুই মাস পরেই তিন বন্ধু বানিজ্যিক ভাবে তরমুজ বিক্রি শুরু করে। প্রতিটি তরমুজের ওজন প্রায় চার থেকে আট কেজি, যেগুলো গড়ে ৭০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি করছেন।

এসব তরমুজ গাড়িতে পাঠানো হচ্ছে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে। মালচিং পদ্ধতি হলো মাটিতে পচনশীল এক ধরনের পলিথিন দিয়ে চাষের মাদাটি (বেড) ঢেকে দেওয়া। আর মালচিং কাগজ হলো এক ধরনের কাগজ, যার এক পাশে কালো ও অন্য পাশে রুপালি রং করা থাকে। কালো পাশ নিচে ও রুপালি পাশ ওপরের দিকে দিয়ে মাদাটি ঢেকে দিতে হয়। এভাবে মাটি ঢেকে দেওয়ার ফলে কালো রঙের প্রভাবে প্রচ- সূর্যের তাপেও মাটির আর্দ্রতা শুকিয়ে যায় না। এ কারণে মাটিতে পানির পরিমাণ কম লাগে। অন্যদিকে মাটি ঢেকে থাকায় আগাছা হয় না। রুপালি পাশ ওপরে থাকায় পোকামাকড়ের
উপদ্রবও তুলনামূলক কম হয়।

তরুন চাষি আল আমিন জানান, তারা ইউটিউব দেখে তিন বন্ধু প্রথম এই তরমুজ চাষের কথা ভাবেন। পরে তিনজন এই বিষয়ে কথাবার্তা বলে কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে এই চাষ শুরু করে। দুই মাস পরেই ফল বিক্রি করে মুনাফা আসায় তারা এই তরমুজের চাষকে আরো প্রসারিত করতে চান।

স্থানীয় কৃষক কাওসার আলী বলেন, আমি ধান ও মুগ ডাল চাষ করে থাকি। এর আগে শুনেছি বারো মাসের তরমুজ চাষের কথা। এই প্রথম আমাদের এলাকাতে দেখলাম। আমিও সামনের বছর থেকে এই ফল চাষ শুরু করতে ইচ্ছুক।

পটুয়াখালী উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার বলেন, বারোমাসি তরমুজ চাষের যে সকল প্রযুক্তিগত সহায়তা থেকে শুরু করে এই উদ্যোক্তাদের সকল ধরনের ফিজিকাল সহায়তা ও পরামর্শ আমরা দিচ্ছি।