সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

পটুয়াখালীতে তরমুজ চাষে সফল তিন তরুণ চাষি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অগাস্ট ২০২২ ১১১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন পটুয়াখালী সদর উপজেলার জৈনকাঠি এলাকার তিন চাষি। গত এপ্রিল মাসে ইউটিউবে ভিডিও দেখে এই তরমুজ চাষে প্রথম আগ্রহ জন্মায় তিন তরুন উদ্যোক্তা নাজিম, আলামিন, সবুজের।

জানা গেছে, উপজেলা কৃষি অফিসের সাহায্যে ২৫ শতাংশ জমিতে ৭০ হাজার টাকা খরচে অক্সিজেন বাংলালিংক পাকিজা ও ফনিক্স জাতের তরমুজের চাষ শুরু করেন তারা। চাষ শুরু করার দুই মাস পরেই তিন বন্ধু বানিজ্যিক ভাবে তরমুজ বিক্রি শুরু করে। প্রতিটি তরমুজের ওজন প্রায় চার থেকে আট কেজি, যেগুলো গড়ে ৭০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি করছেন।

এসব তরমুজ গাড়িতে পাঠানো হচ্ছে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে। মালচিং পদ্ধতি হলো মাটিতে পচনশীল এক ধরনের পলিথিন দিয়ে চাষের মাদাটি (বেড) ঢেকে দেওয়া। আর মালচিং কাগজ হলো এক ধরনের কাগজ, যার এক পাশে কালো ও অন্য পাশে রুপালি রং করা থাকে। কালো পাশ নিচে ও রুপালি পাশ ওপরের দিকে দিয়ে মাদাটি ঢেকে দিতে হয়। এভাবে মাটি ঢেকে দেওয়ার ফলে কালো রঙের প্রভাবে প্রচ- সূর্যের তাপেও মাটির আর্দ্রতা শুকিয়ে যায় না। এ কারণে মাটিতে পানির পরিমাণ কম লাগে। অন্যদিকে মাটি ঢেকে থাকায় আগাছা হয় না। রুপালি পাশ ওপরে থাকায় পোকামাকড়ের
উপদ্রবও তুলনামূলক কম হয়।

তরুন চাষি আল আমিন জানান, তারা ইউটিউব দেখে তিন বন্ধু প্রথম এই তরমুজ চাষের কথা ভাবেন। পরে তিনজন এই বিষয়ে কথাবার্তা বলে কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে এই চাষ শুরু করে। দুই মাস পরেই ফল বিক্রি করে মুনাফা আসায় তারা এই তরমুজের চাষকে আরো প্রসারিত করতে চান।

স্থানীয় কৃষক কাওসার আলী বলেন, আমি ধান ও মুগ ডাল চাষ করে থাকি। এর আগে শুনেছি বারো মাসের তরমুজ চাষের কথা। এই প্রথম আমাদের এলাকাতে দেখলাম। আমিও সামনের বছর থেকে এই ফল চাষ শুরু করতে ইচ্ছুক।

পটুয়াখালী উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার বলেন, বারোমাসি তরমুজ চাষের যে সকল প্রযুক্তিগত সহায়তা থেকে শুরু করে এই উদ্যোক্তাদের সকল ধরনের ফিজিকাল সহায়তা ও পরামর্শ আমরা দিচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পটুয়াখালীতে তরমুজ চাষে সফল তিন তরুণ চাষি

আপডেট সময় : ০৮:২৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অগাস্ট ২০২২

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন পটুয়াখালী সদর উপজেলার জৈনকাঠি এলাকার তিন চাষি। গত এপ্রিল মাসে ইউটিউবে ভিডিও দেখে এই তরমুজ চাষে প্রথম আগ্রহ জন্মায় তিন তরুন উদ্যোক্তা নাজিম, আলামিন, সবুজের।

জানা গেছে, উপজেলা কৃষি অফিসের সাহায্যে ২৫ শতাংশ জমিতে ৭০ হাজার টাকা খরচে অক্সিজেন বাংলালিংক পাকিজা ও ফনিক্স জাতের তরমুজের চাষ শুরু করেন তারা। চাষ শুরু করার দুই মাস পরেই তিন বন্ধু বানিজ্যিক ভাবে তরমুজ বিক্রি শুরু করে। প্রতিটি তরমুজের ওজন প্রায় চার থেকে আট কেজি, যেগুলো গড়ে ৭০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি করছেন।

এসব তরমুজ গাড়িতে পাঠানো হচ্ছে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে। মালচিং পদ্ধতি হলো মাটিতে পচনশীল এক ধরনের পলিথিন দিয়ে চাষের মাদাটি (বেড) ঢেকে দেওয়া। আর মালচিং কাগজ হলো এক ধরনের কাগজ, যার এক পাশে কালো ও অন্য পাশে রুপালি রং করা থাকে। কালো পাশ নিচে ও রুপালি পাশ ওপরের দিকে দিয়ে মাদাটি ঢেকে দিতে হয়। এভাবে মাটি ঢেকে দেওয়ার ফলে কালো রঙের প্রভাবে প্রচ- সূর্যের তাপেও মাটির আর্দ্রতা শুকিয়ে যায় না। এ কারণে মাটিতে পানির পরিমাণ কম লাগে। অন্যদিকে মাটি ঢেকে থাকায় আগাছা হয় না। রুপালি পাশ ওপরে থাকায় পোকামাকড়ের
উপদ্রবও তুলনামূলক কম হয়।

তরুন চাষি আল আমিন জানান, তারা ইউটিউব দেখে তিন বন্ধু প্রথম এই তরমুজ চাষের কথা ভাবেন। পরে তিনজন এই বিষয়ে কথাবার্তা বলে কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে এই চাষ শুরু করে। দুই মাস পরেই ফল বিক্রি করে মুনাফা আসায় তারা এই তরমুজের চাষকে আরো প্রসারিত করতে চান।

স্থানীয় কৃষক কাওসার আলী বলেন, আমি ধান ও মুগ ডাল চাষ করে থাকি। এর আগে শুনেছি বারো মাসের তরমুজ চাষের কথা। এই প্রথম আমাদের এলাকাতে দেখলাম। আমিও সামনের বছর থেকে এই ফল চাষ শুরু করতে ইচ্ছুক।

পটুয়াখালী উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার বলেন, বারোমাসি তরমুজ চাষের যে সকল প্রযুক্তিগত সহায়তা থেকে শুরু করে এই উদ্যোক্তাদের সকল ধরনের ফিজিকাল সহায়তা ও পরামর্শ আমরা দিচ্ছি।