পটুয়াখালীতে তরমুজ চাষে সফল তিন তরুণ চাষি
- আপডেট সময় : ০৮:২৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অগাস্ট ২০২২ ১১১ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন পটুয়াখালী সদর উপজেলার জৈনকাঠি এলাকার তিন চাষি। গত এপ্রিল মাসে ইউটিউবে ভিডিও দেখে এই তরমুজ চাষে প্রথম আগ্রহ জন্মায় তিন তরুন উদ্যোক্তা নাজিম, আলামিন, সবুজের।
জানা গেছে, উপজেলা কৃষি অফিসের সাহায্যে ২৫ শতাংশ জমিতে ৭০ হাজার টাকা খরচে অক্সিজেন বাংলালিংক পাকিজা ও ফনিক্স জাতের তরমুজের চাষ শুরু করেন তারা। চাষ শুরু করার দুই মাস পরেই তিন বন্ধু বানিজ্যিক ভাবে তরমুজ বিক্রি শুরু করে। প্রতিটি তরমুজের ওজন প্রায় চার থেকে আট কেজি, যেগুলো গড়ে ৭০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি করছেন।
এসব তরমুজ গাড়িতে পাঠানো হচ্ছে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে। মালচিং পদ্ধতি হলো মাটিতে পচনশীল এক ধরনের পলিথিন দিয়ে চাষের মাদাটি (বেড) ঢেকে দেওয়া। আর মালচিং কাগজ হলো এক ধরনের কাগজ, যার এক পাশে কালো ও অন্য পাশে রুপালি রং করা থাকে। কালো পাশ নিচে ও রুপালি পাশ ওপরের দিকে দিয়ে মাদাটি ঢেকে দিতে হয়। এভাবে মাটি ঢেকে দেওয়ার ফলে কালো রঙের প্রভাবে প্রচ- সূর্যের তাপেও মাটির আর্দ্রতা শুকিয়ে যায় না। এ কারণে মাটিতে পানির পরিমাণ কম লাগে। অন্যদিকে মাটি ঢেকে থাকায় আগাছা হয় না। রুপালি পাশ ওপরে থাকায় পোকামাকড়ের
উপদ্রবও তুলনামূলক কম হয়।
তরুন চাষি আল আমিন জানান, তারা ইউটিউব দেখে তিন বন্ধু প্রথম এই তরমুজ চাষের কথা ভাবেন। পরে তিনজন এই বিষয়ে কথাবার্তা বলে কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে এই চাষ শুরু করে। দুই মাস পরেই ফল বিক্রি করে মুনাফা আসায় তারা এই তরমুজের চাষকে আরো প্রসারিত করতে চান।
স্থানীয় কৃষক কাওসার আলী বলেন, আমি ধান ও মুগ ডাল চাষ করে থাকি। এর আগে শুনেছি বারো মাসের তরমুজ চাষের কথা। এই প্রথম আমাদের এলাকাতে দেখলাম। আমিও সামনের বছর থেকে এই ফল চাষ শুরু করতে ইচ্ছুক।
পটুয়াখালী উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার বলেন, বারোমাসি তরমুজ চাষের যে সকল প্রযুক্তিগত সহায়তা থেকে শুরু করে এই উদ্যোক্তাদের সকল ধরনের ফিজিকাল সহায়তা ও পরামর্শ আমরা দিচ্ছি।


























