সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

নাগরপুরে বরশিতে ধরা পড়ল ১০০ কেজি ওজনের সামুদ্রিক শুশুক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০২:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ জুলাই ২০২২ ১০১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাগরপুর(টাংগাইল) প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের নাগরপুরের ধলেশ্বরী নদী থেকে বরশিতে ধরা পড়েছে ১শ কেজি ওজনের বিরল প্রজাতির সামদ্রিক মাছ শুশুক। সমুদ্রের দূর্লভ মাছ নদীতে ভেসে লোকালয়ে আসায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ব্যাপক কৌতুহল দেখা দিয়েছে। এক নজর শুশুক মাছটি দেখতে হাজার হাজার উৎসক জনতা ভিড় করছে । রোববার ভোরে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া ধলেশ্বরী নদীতে সেন্টু নামের এক যুবকের বরশিতে ধরা পড়ে এ শুশুকটি। সেন্টু উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের চরডাঙ্গা গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে।

এলাকাবাসী জানান, রোববার ভোরে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের জাঙ্গলিয়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে সেন্টু নামে এক যুবক সন্ধারাতে বোয়াল মাছ মারা বরশি (জিয়ালা বরশি) নদীতে ফেলে আসে। বরশি ফেলার পর ছোট একটি বোয়াল মাছ বরশিতে আটকে যায়। ওই যুবক মাছটি খুলে আনার জন্য উদ্দ্যোত হয়। এসময় আকস্মিক ভাবে বিশাল আকৃতির শুশুক মাছ বরশিতে আটকে যাওয়া বোয়াল মাছকে গিলতে গিয়ে আটকে যায়। পরে সেন্টু মাছটি দেখে ভয় পেয়ে ডাক চিৎকার করতে থাকে। এসময় তার চিৎকার শুনে নদী পাড়ের লোকজন ঘটনা স্থলে ছুটে আসে। স্থানীয় জনতার সহায়তায় মাছটি ডাঙ্গায় তুলে আনা হয়। এরপর শুশুক মাছটি স্থানীয় জাঙ্গালীয়া ভোর বাজারে নেয়া হয়। মুহুর্তের মধ্যে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে আশ-পাশের লোকজন সহ দূরদুরান্ত থেকে হাজারো মানুষ শুশুক মাছটি দেখতে সেখানে ভির জমায়। এদিকে স্থানীয় ইসমাইল মিয়া জানান, মাছটি ১৫ হাজার টাকায় সেন্টুর কাছ থেকে কিনে নেয় এলাকাবাসী।

নাগরপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাছুম বিল্লা বলেন, মাছটি বিলুপ্তির পথে । এটি সংরক্ষিত প্রাণী। যদি জীবিত থাকতো তাহলে আমরা উদ্বার করে অবমুক্ত করতাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নাগরপুরে বরশিতে ধরা পড়ল ১০০ কেজি ওজনের সামুদ্রিক শুশুক

আপডেট সময় : ১০:০২:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ জুলাই ২০২২

নাগরপুর(টাংগাইল) প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের নাগরপুরের ধলেশ্বরী নদী থেকে বরশিতে ধরা পড়েছে ১শ কেজি ওজনের বিরল প্রজাতির সামদ্রিক মাছ শুশুক। সমুদ্রের দূর্লভ মাছ নদীতে ভেসে লোকালয়ে আসায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ব্যাপক কৌতুহল দেখা দিয়েছে। এক নজর শুশুক মাছটি দেখতে হাজার হাজার উৎসক জনতা ভিড় করছে । রোববার ভোরে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া ধলেশ্বরী নদীতে সেন্টু নামের এক যুবকের বরশিতে ধরা পড়ে এ শুশুকটি। সেন্টু উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের চরডাঙ্গা গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে।

এলাকাবাসী জানান, রোববার ভোরে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের জাঙ্গলিয়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে সেন্টু নামে এক যুবক সন্ধারাতে বোয়াল মাছ মারা বরশি (জিয়ালা বরশি) নদীতে ফেলে আসে। বরশি ফেলার পর ছোট একটি বোয়াল মাছ বরশিতে আটকে যায়। ওই যুবক মাছটি খুলে আনার জন্য উদ্দ্যোত হয়। এসময় আকস্মিক ভাবে বিশাল আকৃতির শুশুক মাছ বরশিতে আটকে যাওয়া বোয়াল মাছকে গিলতে গিয়ে আটকে যায়। পরে সেন্টু মাছটি দেখে ভয় পেয়ে ডাক চিৎকার করতে থাকে। এসময় তার চিৎকার শুনে নদী পাড়ের লোকজন ঘটনা স্থলে ছুটে আসে। স্থানীয় জনতার সহায়তায় মাছটি ডাঙ্গায় তুলে আনা হয়। এরপর শুশুক মাছটি স্থানীয় জাঙ্গালীয়া ভোর বাজারে নেয়া হয়। মুহুর্তের মধ্যে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে আশ-পাশের লোকজন সহ দূরদুরান্ত থেকে হাজারো মানুষ শুশুক মাছটি দেখতে সেখানে ভির জমায়। এদিকে স্থানীয় ইসমাইল মিয়া জানান, মাছটি ১৫ হাজার টাকায় সেন্টুর কাছ থেকে কিনে নেয় এলাকাবাসী।

নাগরপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাছুম বিল্লা বলেন, মাছটি বিলুপ্তির পথে । এটি সংরক্ষিত প্রাণী। যদি জীবিত থাকতো তাহলে আমরা উদ্বার করে অবমুক্ত করতাম।