সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন ঝালকাঠি জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীরের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন চুয়াডাঙ্গার জেলা জামায়াতের জেলা আমির এমপি রুহুল আমিনের শপথ ঘোড়াঘাটে গবাদিপশুর খাদ্য সংকট জানাযার খাদ্যের দাম বৃদ্ধি বিপাকে গরুর মালিক ও খামারিরা চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে সরকারি রাস্তার চার কিলোমিটার এলাকার গাছ লুটের মহোৎসব

স্বামী দলীয় প্রার্থী, স্ত্রী বিদ্রোহী : দলের স্বার্থে ভাঙছে বিয়ে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ১৭৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

ঘটনাটি ওপার বাংলার দক্ষিণ দমদমের। সেখানে পৌর নির্বাচনে স্বামী সুরজিৎ রায় চৌধুরী দলের হয়ে তৃণমূলের প্রার্থী। স্ত্রী রীতা রায় চৌধুরীও তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী। তবে তার নাম প্রথমে প্রার্থী তালিকায় থাকলেও পরে বাদ পড়ে।

তাই ভোটে লড়তে স্ত্রী দাঁড়িয়েছেন বিদ্রোহী সতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে। দল থেকে স্ত্রীর টিকিট না পাওয়ার এই দুঃখেই দাম্পত্যে ভাঙনের ইঙ্গিত দিলেন স্বামী।
জানা গেছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পারিষদ এবং ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল প্রার্থী সুরজিৎ রায় চৌধুরী বৃহস্পতিবার ভারতীয় গণমাধ্যমের কাছে দাবি করেছেন, দলের স্বার্থে তিনি তার স্ত্রীকে বিবাহ বিচ্ছেদের নোটিস পাঠিয়েছেন। এ বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি স্ত্রী, ন’নম্বর ওয়ার্ডের নির্দল প্রার্থী রীতা রায় চৌধুরী।

তিনি জানান, এটি তার পারিবারিক বিষয়। নির্বাচনের পরে যা বলার বলবেন। তবে নোটিস পেয়েছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে সরগরম স্থানীয় রাজনৈতিক মহল।

ঘটনাচক্রে দক্ষিণ দমদমের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক চেয়ারম্যান পারিষদ দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ বার নির্দল প্রার্থী হিসাবে দাঁড়িয়েছেন। পারিবারিক ভাঙনের বিষয়ে বিরোধীদের অবশ্য দাবি, আদৌ এমন কিছু ঘটেছে কি না, তা জানা প্রয়োজন। ঘটলে তা অনভিপ্রেত। সুরজিতের পুরনো ওয়ার্ড ন’নম্বর। সেখানে প্রথমে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় রীতার নাম থাকলেও পরে প্রার্থী হন টুম্পা দাস।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, ন’নম্বর ওয়ার্ড জুড়ে নির্দল প্রার্থীরই হোর্ডিং, ব্যানার রয়েছে। জোর প্রচার চলছে। তুলনায় তৃণমূল প্রচারে বরং কিছুটা পিছিয়ে। এই নিয়ে নানা জল্পনা ঘুরছে স্থানীয় মহলে।
এর পরেই বৃহস্পতিবার সুরজিৎ মুখ খোলেন। তাকে দাবি করতে শোনা যায়, ভোটে যে কেউ দাঁড়াতে পারেন। তাঁর স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে ন’নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছেন। স্ত্রীর নেতৃত্বে বিধানসভায় তৃণমূল ওই ওয়ার্ড থেকে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছে। এর পরেই তাঁর দাবি, অনেকেই বলছেন স্বামী-স্ত্রীকে টিকিট দেওয়া যাবে না। কিন্তু উত্তর ২৪ পরগনা, বারাসত, গারুলিয়ায় স্বামী-স্ত্রী প্রার্থী হয়েছেন। এই দু’রকম বিচারে ভুগতে হল। দলের স্বার্থে পরিবারকে ছাড়তে হল। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সুরজিৎকে ফোন এবং মেসেজ করা হলেও কোনও সাড়া মেলেনি। যোগাযোগ করা যায়নি রীতার সঙ্গেও।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্বামী দলীয় প্রার্থী, স্ত্রী বিদ্রোহী : দলের স্বার্থে ভাঙছে বিয়ে

আপডেট সময় : ০৬:৩৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২

অনলাইন ডেস্ক

ঘটনাটি ওপার বাংলার দক্ষিণ দমদমের। সেখানে পৌর নির্বাচনে স্বামী সুরজিৎ রায় চৌধুরী দলের হয়ে তৃণমূলের প্রার্থী। স্ত্রী রীতা রায় চৌধুরীও তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী। তবে তার নাম প্রথমে প্রার্থী তালিকায় থাকলেও পরে বাদ পড়ে।

তাই ভোটে লড়তে স্ত্রী দাঁড়িয়েছেন বিদ্রোহী সতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে। দল থেকে স্ত্রীর টিকিট না পাওয়ার এই দুঃখেই দাম্পত্যে ভাঙনের ইঙ্গিত দিলেন স্বামী।
জানা গেছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পারিষদ এবং ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল প্রার্থী সুরজিৎ রায় চৌধুরী বৃহস্পতিবার ভারতীয় গণমাধ্যমের কাছে দাবি করেছেন, দলের স্বার্থে তিনি তার স্ত্রীকে বিবাহ বিচ্ছেদের নোটিস পাঠিয়েছেন। এ বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি স্ত্রী, ন’নম্বর ওয়ার্ডের নির্দল প্রার্থী রীতা রায় চৌধুরী।

তিনি জানান, এটি তার পারিবারিক বিষয়। নির্বাচনের পরে যা বলার বলবেন। তবে নোটিস পেয়েছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে সরগরম স্থানীয় রাজনৈতিক মহল।

ঘটনাচক্রে দক্ষিণ দমদমের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক চেয়ারম্যান পারিষদ দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ বার নির্দল প্রার্থী হিসাবে দাঁড়িয়েছেন। পারিবারিক ভাঙনের বিষয়ে বিরোধীদের অবশ্য দাবি, আদৌ এমন কিছু ঘটেছে কি না, তা জানা প্রয়োজন। ঘটলে তা অনভিপ্রেত। সুরজিতের পুরনো ওয়ার্ড ন’নম্বর। সেখানে প্রথমে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় রীতার নাম থাকলেও পরে প্রার্থী হন টুম্পা দাস।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, ন’নম্বর ওয়ার্ড জুড়ে নির্দল প্রার্থীরই হোর্ডিং, ব্যানার রয়েছে। জোর প্রচার চলছে। তুলনায় তৃণমূল প্রচারে বরং কিছুটা পিছিয়ে। এই নিয়ে নানা জল্পনা ঘুরছে স্থানীয় মহলে।
এর পরেই বৃহস্পতিবার সুরজিৎ মুখ খোলেন। তাকে দাবি করতে শোনা যায়, ভোটে যে কেউ দাঁড়াতে পারেন। তাঁর স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে ন’নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছেন। স্ত্রীর নেতৃত্বে বিধানসভায় তৃণমূল ওই ওয়ার্ড থেকে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছে। এর পরেই তাঁর দাবি, অনেকেই বলছেন স্বামী-স্ত্রীকে টিকিট দেওয়া যাবে না। কিন্তু উত্তর ২৪ পরগনা, বারাসত, গারুলিয়ায় স্বামী-স্ত্রী প্রার্থী হয়েছেন। এই দু’রকম বিচারে ভুগতে হল। দলের স্বার্থে পরিবারকে ছাড়তে হল। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সুরজিৎকে ফোন এবং মেসেজ করা হলেও কোনও সাড়া মেলেনি। যোগাযোগ করা যায়নি রীতার সঙ্গেও।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।