বাবুগঞ্জে দলিল লেখকদের কর্মবিরতি
- আপডেট সময় : ০১:২৫:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ৪৮৭ বার পড়া হয়েছে

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর সাব রেজিস্ট্রি কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে দলিল লেখক ও সেবা গ্রহণকারীদের আর্থিক জন নিরাপত্তার প্রয়োজনে স্থায়ী বসার স্থান না থাকায় কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন বাবুগঞ্জ সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখকরা।
গতকাল সোমবার দুপুরে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জামান আহমেদ খান
ফারুক আনুষ্ঠানিক ভাবে এ ঘোষণা করেন।
এসময় দলিল লেখক সমিতি সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন তালুকদার জুয়েল, সাবেক সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান পিন্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন খোকন, সদস্য মোঃ হাসানুর রহমান পান্নু সহ বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে অস্থায়ীভাবে টিনশেড ঘর নির্মাণ করে ৩৯ জন দলিল লেখক, ৫জন স্টাম্প ভান্ডার, সহকারী ৯০ জন ও কম্পিউটার অপারেটর ১০জন তাদের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম দীর্ঘদিন যাবৎ অব্যাহত রেখেছিল।
কিন্তু সম্প্রতি সড়ক ও জনপথ বিভাগ বিনা নোটিশে রোববার বিকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে আকর্ষিক টিনশেড ঘরগুলে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। এতে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন দলিল লেখকসহ সেবা গ্রহণকারী জনসাধারণ।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাব রেজিস্ট্রি অফিস কমপ্লেক্সে দলিল লেখকদের কোন বসার স্থান নেই এবং সেবা গ্রহীতা জনসাধারণের আর্থিক লেনদেন নিরাপত্তার বিষয়টিও হুমকীর মুখে। বিষয়টি জেলা রেজিষ্ট্রার অফিসে অবগত করলেও তারা কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
যার দরুন দলিল লেখকরা সাব রেজিস্ট্রি কমপ্লেক্সের আঙ্গিনায় স্থানীভাবে বসার সুযোগ করে দেয়ার জন্য উর্ধ্বতন কর্মকতাদের দৃষ্টি কামনা করেন। যতক্ষণ পর্যন্ত দলিল লেখকরা স্থানীভাবে বসার জায়গা না পাবেন ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা করেন।
দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জামান আহমেদ খান ফারুক বলেন, স্থানীয় মোঃ হাবিবুর রহমান ১৯৮০ সালে ৩৬ শতাংশ জমি সাব রেজিস্ট্রি অফিসের নামে দান করেন। সেই থেকেই দলিল লেখকরা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। রেজিস্ট্রি অফিস ও দলিল লেখক ওতোপ্রোতো ভাবে জড়িত। আমরা সরকারের কাজ সম্পাদন করতে সহযোগিতা করে আসছি। রেজিস্ট্রি অফিস কিংবা সড়ক ও জনপদ বিভাগ আমাদের কেউই আমাদের অবহিত না করে বিনা নোটিশে আকর্ষিক ঘরগুলো ভেঙ্গে দিয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ মিজানুর রহমানের কাছে একদিন সময় চেয়েছিলাম ঘরগুলো সরিয়ে নেওয়ার জন্য। তিনি কোন কথা না শুনে ঘরগুলো ভেঙ্গে দিয়েছেন। আমরা এখন নিরুপায়। তাই আমাদের স্থায়ীভাবে বসার জায়গা না দেয়া পর্যন্ত দলিল লেখা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

























