সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ,

বরিশাল নগরীতে সৈয়দ সাবের হোসেন বাবুর একই জমিতে একাধিক জালিয়াতি ভাবে সৃষ্টির গোপন তথ্য ফাঁস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৮:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২২ ১৭৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদন
বরিশাল নগরীতে সৈয়দ সাবের হোসেন বাবুর বিরুদ্ধে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জাল-জালিয়াতির মোকাদ্দমা সি,আর ১০৫৫/১৭ সি, আর ৭৪০/১৮, সি, আর ২৬০/১৯ ও সি, আর ১৯০/১৮ মামলাগুলি দায়ের হয়েছে। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে বরিশাল পি,বি,আই সরেজমিনে তদন্ত শেষে টাকার মোকাদ্দমা ৯৩/৫১, সৃষ্টি টাঃ ডিং ৬৫/৫৩, মোকদ্দমা ০৯/০৯/১৯৭১ তারিখের ১০৫৫ নং হেবানামা দলিল,মিস কেস ২৩/৬৩ (৫৪ধারা) জাল-জালিয়াতি ঘটনা সত্য বলিয়া প্রমাণ হয় যে, সৈয়দ সাবের হোসেন বাবু উক্ত জাল টাকার মোকদ্দমা, রাজাপুরের হেবানামা দলিলের বরাতে নিজ নামে হেবা ঘোষণা দলিল দিয়ে বিভিন্ন সময় ভূমি রেকর্ড করত উক্ত সম্পত্তি মিস কেস ৭৬২/৬১,১৫০ ধারা ৬৮ কোটি/২০০৮-০৯(১৫০) ধারা কেসের আদেশে বাতিল হইয়াছে। সাবের হোসেন বাবু তাহার নামিয় বাতিলকৃত নামজারি খতিয়ান নং ১৫২৯৫,১৭১২৩ বাতিল হইয়াছে। কিন্তু বিভিন্ন মোকাদ্দমা ও অফিস-আদালতে ব্যবহার করে জমি দাবি করছে। এই জমিতে তাহার কোনো দখল সত্য নাই ও বি,এসে রেকর্ড নাই। ভুয়া মালিকানা দেখাইয়া প্রতারণা করে চলছে। উক্ত ভুয়া কাগজপত্র খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করিয়া পেনাল কোড ৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৪২০ ধারার অপরাধ প্রাথমিকভাবে সত্য বলিয়া প্রতীয়মান হয়। মামলাগুলি বিচারাধীন আছে। সৈয়দ সাবের হোসেন বাবু একজন জমিজমার জাল-জালিয়াতি কারী, প্রতারক, মামলাবাজ, ভূমিদস্যু। জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মূল দলিল সৃষ্টি করে জাল দলিল কে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারকারী। তিনি একই জমিতে বিভিন্ন তারিখ তাহার অধুনামৃত দাদা আমজেদ আলী নামের অর্থ স্বার্থে জাল-জালিয়াতি ভাবে ভুয়া টাকার মোকাদ্দমা সৃষ্টি করে যেমন বিগত ইংরেজি ১২/০৭/৫৮ তারিখের রেজিস্ট্রিকৃত ৩৭৩১ নং দলিলের দাতা সৈয়দ আমজেদ আলী মালিকানায় বর্ণনা করেন যে, তিনি মোকাম বরিশালের দ্বিতীয় মুন্সেফী আদালতে ১৯৫২ সনের ১৩৪ নং মিস কেসের সৃষ্টি ১৯৫৩ সনের ৬৫ নং মোকাদ্দমার ডিগ্রী জারি নং তারিখ ১০/০৪/১৯৫৪ মূলে মালিক। সৈয়দ আমজাদ আলী টাকার মোকাদ্দমার বরাতে আবার সৈয়দ সাবের হোসেন বাবু দেওয়ানী ১৫/১০ নং মোকাদ্দমার সাক্ষীর জবানবন্দিতে বলেন যে, বরিশাল দ্বিতীয় মুন্সেফী আদালতের ৯৩/১৯৫১ নং টাকার মোকাদ্দমা হইতে ৬৫/৫৩ নং ডিক্রি জারি মূলে মালিক। তাহার দাদা সৈয়দ আমজেদ আলী। তাহা হইলে একই ৬৫/১৯৫৩ সনের ডিগ্রী জারি মোকাদ্দমা ৫৩/৫১ নং টাকার মোকাদ্দমা ও ১৯৫২ সনের ১৩৪ নং টাকার মোকাদ্দমা। মূল দুইটি মোকদ্দমায় একটি ৬৫/৫৩ ডিগ্রী হইল কিভাবে, একই মালিকের নামে, সৈয়দ সাবের হোসেন বাবু ওই মোকদ্দমায় আরো বলেন যে,৫০ নং বগুড়া আলেকান্দা মৌজার এসে,এ ২৫৮ নং খতিয়ানে ৬৮৭৪ নং দাগের হিং”(আট) আনা অংশে ৮০ শতাংশ জমি ৬৫/৫৩ লং ডিগ্রী মূলে মালিক আমজেদ আলী। আবার একই মালিক একই তফসিল সম্পত্তি আমজেত আলির সার্টিফিকেট কেস নং ২১৬৪ কেটি/৭৫-৭৬ মূলে এসে,এ ২৫৮ নং খতিয়ানে ৬৮৭৪ নং দাগের মোট ৮০ শতাংশ জমির ৫২/২৫ শতাংশ নিলাম খরিদ মূলে মালিক দাবি করেন।সৈয়দ সাবের হোসেন বাবুর পিতাও তাহার জীবদ্দশায় উক্তরূপ কর্মকাণ্ড কোরিয়া আশিতে থাকেন। সাবের হোসেন বাবুও তাহার পিতার জাল-জালিয়াতি মূলক কর্মকান্ডের ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন সম্পত্তি আত্মসাৎ করার লক্ষ্যে, নানাপ্রকার জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নেয়। তাহার মৃত দাদা আমজেদ আলী নামে বরিশাল দ্বিতীয় মুন্সেফী আদালতে ৯৩/১৯৫ নং টাকার মোকাদ্দমা, ১৯৫২ সনের ১৩৪ নং মোকাদ্দমা সৃষ্টি করে এই টাকার মোকাদ্দমা বরাতে রাজাপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ০৯/০৯/১৯৭১ তারিখের ১০৫৫ নং হেবানামা দলিল সাবের হোসেন ও তার পিতার যোগসাজশে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্টি করিয়া নামজারি রেকর্ড করেন। তাহার বরাতে নিজ নামে বিগত ইং ২৬/০৬/১১ তারিখের রেজিস্ট্রিকৃত ৭৩১৮ নং হেবা ঘোষণা দলিল মূলে। ২০/০৬/১২ তারিখের রেজিস্ট্রিকৃত ৮৭৭৭/১২ নং এবং ০৩/১০/২০১৩ তারিখের রেজিস্ট্রিকৃত ১২৬৪ নং দলিল মূলে পিতার নিকট হইতে নিজ নামে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্টি দলিল ও কাগজপত্র ব্যবহার করিয়া মালিকানা দাবি করিয়া সম্পত্তি দাবি করিয়া বিক্রির পাঁয়তারা করিতেছে।

তফসিল সম্পত্তির পরিচয়
জেলা বরিশাল, থানা কোতয়ালী, মোতালক জে,এল ৫০ নং বগুড়া আলেকান্দা মৌজার এসে,এ ২৩৭,২৪০,২৪১,২৪২,২৫৮ নং খতিয়ানের এসে,এ ৬৮৭২,৬৮৭৩,৬৮৭৪ নং দাগের ৫০ শতাংশ মাত্র দরখাস্তের প্রার্থিত ভূমি বটে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশাল নগরীতে সৈয়দ সাবের হোসেন বাবুর একই জমিতে একাধিক জালিয়াতি ভাবে সৃষ্টির গোপন তথ্য ফাঁস

আপডেট সময় : ০৯:২৮:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদন
বরিশাল নগরীতে সৈয়দ সাবের হোসেন বাবুর বিরুদ্ধে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জাল-জালিয়াতির মোকাদ্দমা সি,আর ১০৫৫/১৭ সি, আর ৭৪০/১৮, সি, আর ২৬০/১৯ ও সি, আর ১৯০/১৮ মামলাগুলি দায়ের হয়েছে। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে বরিশাল পি,বি,আই সরেজমিনে তদন্ত শেষে টাকার মোকাদ্দমা ৯৩/৫১, সৃষ্টি টাঃ ডিং ৬৫/৫৩, মোকদ্দমা ০৯/০৯/১৯৭১ তারিখের ১০৫৫ নং হেবানামা দলিল,মিস কেস ২৩/৬৩ (৫৪ধারা) জাল-জালিয়াতি ঘটনা সত্য বলিয়া প্রমাণ হয় যে, সৈয়দ সাবের হোসেন বাবু উক্ত জাল টাকার মোকদ্দমা, রাজাপুরের হেবানামা দলিলের বরাতে নিজ নামে হেবা ঘোষণা দলিল দিয়ে বিভিন্ন সময় ভূমি রেকর্ড করত উক্ত সম্পত্তি মিস কেস ৭৬২/৬১,১৫০ ধারা ৬৮ কোটি/২০০৮-০৯(১৫০) ধারা কেসের আদেশে বাতিল হইয়াছে। সাবের হোসেন বাবু তাহার নামিয় বাতিলকৃত নামজারি খতিয়ান নং ১৫২৯৫,১৭১২৩ বাতিল হইয়াছে। কিন্তু বিভিন্ন মোকাদ্দমা ও অফিস-আদালতে ব্যবহার করে জমি দাবি করছে। এই জমিতে তাহার কোনো দখল সত্য নাই ও বি,এসে রেকর্ড নাই। ভুয়া মালিকানা দেখাইয়া প্রতারণা করে চলছে। উক্ত ভুয়া কাগজপত্র খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করিয়া পেনাল কোড ৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৪২০ ধারার অপরাধ প্রাথমিকভাবে সত্য বলিয়া প্রতীয়মান হয়। মামলাগুলি বিচারাধীন আছে। সৈয়দ সাবের হোসেন বাবু একজন জমিজমার জাল-জালিয়াতি কারী, প্রতারক, মামলাবাজ, ভূমিদস্যু। জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মূল দলিল সৃষ্টি করে জাল দলিল কে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারকারী। তিনি একই জমিতে বিভিন্ন তারিখ তাহার অধুনামৃত দাদা আমজেদ আলী নামের অর্থ স্বার্থে জাল-জালিয়াতি ভাবে ভুয়া টাকার মোকাদ্দমা সৃষ্টি করে যেমন বিগত ইংরেজি ১২/০৭/৫৮ তারিখের রেজিস্ট্রিকৃত ৩৭৩১ নং দলিলের দাতা সৈয়দ আমজেদ আলী মালিকানায় বর্ণনা করেন যে, তিনি মোকাম বরিশালের দ্বিতীয় মুন্সেফী আদালতে ১৯৫২ সনের ১৩৪ নং মিস কেসের সৃষ্টি ১৯৫৩ সনের ৬৫ নং মোকাদ্দমার ডিগ্রী জারি নং তারিখ ১০/০৪/১৯৫৪ মূলে মালিক। সৈয়দ আমজাদ আলী টাকার মোকাদ্দমার বরাতে আবার সৈয়দ সাবের হোসেন বাবু দেওয়ানী ১৫/১০ নং মোকাদ্দমার সাক্ষীর জবানবন্দিতে বলেন যে, বরিশাল দ্বিতীয় মুন্সেফী আদালতের ৯৩/১৯৫১ নং টাকার মোকাদ্দমা হইতে ৬৫/৫৩ নং ডিক্রি জারি মূলে মালিক। তাহার দাদা সৈয়দ আমজেদ আলী। তাহা হইলে একই ৬৫/১৯৫৩ সনের ডিগ্রী জারি মোকাদ্দমা ৫৩/৫১ নং টাকার মোকাদ্দমা ও ১৯৫২ সনের ১৩৪ নং টাকার মোকাদ্দমা। মূল দুইটি মোকদ্দমায় একটি ৬৫/৫৩ ডিগ্রী হইল কিভাবে, একই মালিকের নামে, সৈয়দ সাবের হোসেন বাবু ওই মোকদ্দমায় আরো বলেন যে,৫০ নং বগুড়া আলেকান্দা মৌজার এসে,এ ২৫৮ নং খতিয়ানে ৬৮৭৪ নং দাগের হিং”(আট) আনা অংশে ৮০ শতাংশ জমি ৬৫/৫৩ লং ডিগ্রী মূলে মালিক আমজেদ আলী। আবার একই মালিক একই তফসিল সম্পত্তি আমজেত আলির সার্টিফিকেট কেস নং ২১৬৪ কেটি/৭৫-৭৬ মূলে এসে,এ ২৫৮ নং খতিয়ানে ৬৮৭৪ নং দাগের মোট ৮০ শতাংশ জমির ৫২/২৫ শতাংশ নিলাম খরিদ মূলে মালিক দাবি করেন।সৈয়দ সাবের হোসেন বাবুর পিতাও তাহার জীবদ্দশায় উক্তরূপ কর্মকাণ্ড কোরিয়া আশিতে থাকেন। সাবের হোসেন বাবুও তাহার পিতার জাল-জালিয়াতি মূলক কর্মকান্ডের ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন সম্পত্তি আত্মসাৎ করার লক্ষ্যে, নানাপ্রকার জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নেয়। তাহার মৃত দাদা আমজেদ আলী নামে বরিশাল দ্বিতীয় মুন্সেফী আদালতে ৯৩/১৯৫ নং টাকার মোকাদ্দমা, ১৯৫২ সনের ১৩৪ নং মোকাদ্দমা সৃষ্টি করে এই টাকার মোকাদ্দমা বরাতে রাজাপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ০৯/০৯/১৯৭১ তারিখের ১০৫৫ নং হেবানামা দলিল সাবের হোসেন ও তার পিতার যোগসাজশে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্টি করিয়া নামজারি রেকর্ড করেন। তাহার বরাতে নিজ নামে বিগত ইং ২৬/০৬/১১ তারিখের রেজিস্ট্রিকৃত ৭৩১৮ নং হেবা ঘোষণা দলিল মূলে। ২০/০৬/১২ তারিখের রেজিস্ট্রিকৃত ৮৭৭৭/১২ নং এবং ০৩/১০/২০১৩ তারিখের রেজিস্ট্রিকৃত ১২৬৪ নং দলিল মূলে পিতার নিকট হইতে নিজ নামে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্টি দলিল ও কাগজপত্র ব্যবহার করিয়া মালিকানা দাবি করিয়া সম্পত্তি দাবি করিয়া বিক্রির পাঁয়তারা করিতেছে।

তফসিল সম্পত্তির পরিচয়
জেলা বরিশাল, থানা কোতয়ালী, মোতালক জে,এল ৫০ নং বগুড়া আলেকান্দা মৌজার এসে,এ ২৩৭,২৪০,২৪১,২৪২,২৫৮ নং খতিয়ানের এসে,এ ৬৮৭২,৬৮৭৩,৬৮৭৪ নং দাগের ৫০ শতাংশ মাত্র দরখাস্তের প্রার্থিত ভূমি বটে।