নিজস্ব প্রতিবেদন
বরিশাল নগরীতে সৈয়দ সাবের হোসেন বাবুর বিরুদ্ধে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জাল-জালিয়াতির মোকাদ্দমা সি,আর ১০৫৫/১৭ সি, আর ৭৪০/১৮, সি, আর ২৬০/১৯ ও সি, আর ১৯০/১৮ মামলাগুলি দায়ের হয়েছে। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে বরিশাল পি,বি,আই সরেজমিনে তদন্ত শেষে টাকার মোকাদ্দমা ৯৩/৫১, সৃষ্টি টাঃ ডিং ৬৫/৫৩, মোকদ্দমা ০৯/০৯/১৯৭১ তারিখের ১০৫৫ নং হেবানামা দলিল,মিস কেস ২৩/৬৩ (৫৪ধারা) জাল-জালিয়াতি ঘটনা সত্য বলিয়া প্রমাণ হয় যে, সৈয়দ সাবের হোসেন বাবু উক্ত জাল টাকার মোকদ্দমা, রাজাপুরের হেবানামা দলিলের বরাতে নিজ নামে হেবা ঘোষণা দলিল দিয়ে বিভিন্ন সময় ভূমি রেকর্ড করত উক্ত সম্পত্তি মিস কেস ৭৬২/৬১,১৫০ ধারা ৬৮ কোটি/২০০৮-০৯(১৫০) ধারা কেসের আদেশে বাতিল হইয়াছে। সাবের হোসেন বাবু তাহার নামিয় বাতিলকৃত নামজারি খতিয়ান নং ১৫২৯৫,১৭১২৩ বাতিল হইয়াছে। কিন্তু বিভিন্ন মোকাদ্দমা ও অফিস-আদালতে ব্যবহার করে জমি দাবি করছে। এই জমিতে তাহার কোনো দখল সত্য নাই ও বি,এসে রেকর্ড নাই। ভুয়া মালিকানা দেখাইয়া প্রতারণা করে চলছে। উক্ত ভুয়া কাগজপত্র খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করিয়া পেনাল কোড ৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৪২০ ধারার অপরাধ প্রাথমিকভাবে সত্য বলিয়া প্রতীয়মান হয়। মামলাগুলি বিচারাধীন আছে। সৈয়দ সাবের হোসেন বাবু একজন জমিজমার জাল-জালিয়াতি কারী, প্রতারক, মামলাবাজ, ভূমিদস্যু। জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মূল দলিল সৃষ্টি করে জাল দলিল কে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারকারী। তিনি একই জমিতে বিভিন্ন তারিখ তাহার অধুনামৃত দাদা আমজেদ আলী নামের অর্থ স্বার্থে জাল-জালিয়াতি ভাবে ভুয়া টাকার মোকাদ্দমা সৃষ্টি করে যেমন বিগত ইংরেজি ১২/০৭/৫৮ তারিখের রেজিস্ট্রিকৃত ৩৭৩১ নং দলিলের দাতা সৈয়দ আমজেদ আলী মালিকানায় বর্ণনা করেন যে, তিনি মোকাম বরিশালের দ্বিতীয় মুন্সেফী আদালতে ১৯৫২ সনের ১৩৪ নং মিস কেসের সৃষ্টি ১৯৫৩ সনের ৬৫ নং মোকাদ্দমার ডিগ্রী জারি নং তারিখ ১০/০৪/১৯৫৪ মূলে মালিক। সৈয়দ আমজাদ আলী টাকার মোকাদ্দমার বরাতে আবার সৈয়দ সাবের হোসেন বাবু দেওয়ানী ১৫/১০ নং মোকাদ্দমার সাক্ষীর জবানবন্দিতে বলেন যে, বরিশাল দ্বিতীয় মুন্সেফী আদালতের ৯৩/১৯৫১ নং টাকার মোকাদ্দমা হইতে ৬৫/৫৩ নং ডিক্রি জারি মূলে মালিক। তাহার দাদা সৈয়দ আমজেদ আলী। তাহা হইলে একই ৬৫/১৯৫৩ সনের ডিগ্রী জারি মোকাদ্দমা ৫৩/৫১ নং টাকার মোকাদ্দমা ও ১৯৫২ সনের ১৩৪ নং টাকার মোকাদ্দমা। মূল দুইটি মোকদ্দমায় একটি ৬৫/৫৩ ডিগ্রী হইল কিভাবে, একই মালিকের নামে, সৈয়দ সাবের হোসেন বাবু ওই মোকদ্দমায় আরো বলেন যে,৫০ নং বগুড়া আলেকান্দা মৌজার এসে,এ ২৫৮ নং খতিয়ানে ৬৮৭৪ নং দাগের হিং"(আট) আনা অংশে ৮০ শতাংশ জমি ৬৫/৫৩ লং ডিগ্রী মূলে মালিক আমজেদ আলী। আবার একই মালিক একই তফসিল সম্পত্তি আমজেত আলির সার্টিফিকেট কেস নং ২১৬৪ কেটি/৭৫-৭৬ মূলে এসে,এ ২৫৮ নং খতিয়ানে ৬৮৭৪ নং দাগের মোট ৮০ শতাংশ জমির ৫২/২৫ শতাংশ নিলাম খরিদ মূলে মালিক দাবি করেন।সৈয়দ সাবের হোসেন বাবুর পিতাও তাহার জীবদ্দশায় উক্তরূপ কর্মকাণ্ড কোরিয়া আশিতে থাকেন। সাবের হোসেন বাবুও তাহার পিতার জাল-জালিয়াতি মূলক কর্মকান্ডের ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন সম্পত্তি আত্মসাৎ করার লক্ষ্যে, নানাপ্রকার জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নেয়। তাহার মৃত দাদা আমজেদ আলী নামে বরিশাল দ্বিতীয় মুন্সেফী আদালতে ৯৩/১৯৫ নং টাকার মোকাদ্দমা, ১৯৫২ সনের ১৩৪ নং মোকাদ্দমা সৃষ্টি করে এই টাকার মোকাদ্দমা বরাতে রাজাপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ০৯/০৯/১৯৭১ তারিখের ১০৫৫ নং হেবানামা দলিল সাবের হোসেন ও তার পিতার যোগসাজশে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্টি করিয়া নামজারি রেকর্ড করেন। তাহার বরাতে নিজ নামে বিগত ইং ২৬/০৬/১১ তারিখের রেজিস্ট্রিকৃত ৭৩১৮ নং হেবা ঘোষণা দলিল মূলে। ২০/০৬/১২ তারিখের রেজিস্ট্রিকৃত ৮৭৭৭/১২ নং এবং ০৩/১০/২০১৩ তারিখের রেজিস্ট্রিকৃত ১২৬৪ নং দলিল মূলে পিতার নিকট হইতে নিজ নামে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্টি দলিল ও কাগজপত্র ব্যবহার করিয়া মালিকানা দাবি করিয়া সম্পত্তি দাবি করিয়া বিক্রির পাঁয়তারা করিতেছে।
তফসিল সম্পত্তির পরিচয়
জেলা বরিশাল, থানা কোতয়ালী, মোতালক জে,এল ৫০ নং বগুড়া আলেকান্দা মৌজার এসে,এ ২৩৭,২৪০,২৪১,২৪২,২৫৮ নং খতিয়ানের এসে,এ ৬৮৭২,৬৮৭৩,৬৮৭৪ নং দাগের ৫০ শতাংশ মাত্র দরখাস্তের প্রার্থিত ভূমি বটে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ বেল্লাল তালুকদার
প্রধান কার্যালয় ফ্লাট#এ ৫ ট্রফিকাল হোম ৫৫/৫৬ শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন রোড মগবাজার রমনা ঢাকা-১২১৭
মোবাইল নং- 01712573978
ই-মেইল:- ajkercrimenews@gmail.com
Copyright © 2026 আজকের ক্রাইম নিউজ. All rights reserved.