সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

পাকা সেতুতে কাঠের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২১ ১২৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভূতের দিয়া( নতুনচর) গ্রামের দক্ষিণ ভূতেরদিয়া (নতুনচর) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে চলাচল করছেন স্কুলের কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীসহ গ্রামের প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবারের লোকজন। যেকোনো সময় সেতুটি ভেঙে পরে ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।

বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুটির পিলার দেবে গেছে । সেতুর দক্ষিণ পাশে কাঠ দিয়ে সাঁকো বানিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৬/৭ বছর আগে দক্ষিণ ভূতেরদিয়া ( নতুনচর) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পারাপার ও এলাকাবাসীর সুবিধার জন্য

ইউনিয়ন পরিষদ ২০১৫–১৬ অর্থবছরে ১ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল । কিন্তু গত দুই মাস আগে সেতুর খুঁটি দেবে সেতুটি হেলে পড়ে সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা মোঃ আক্তার হোসেন, মোঃ শাহাব উদ্দিন সহ বেশ কয়েকজন জানান, সেতু দিয়ে শুধু শিক্ষার্থীরা নয়, এলাকাবাসীও আসাযাওয়া করতে ভয় পায়। কয়েক দিন আগে স্থানীয় মোঃ আবু বকর নামে একজন সেতু দিয়ে পারাপারের সময় পরে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়াও এলাকার প্রায় ৫০ টি পরিবারের লোকজন এই সেতু দিয়ে পারাপার হন। এলাকার বেশির ভাগ মানুষ কৃষি নির্ভর। তাদের উৎপাদিত পণ্য নিয়ে এই সেতু দিয়ে বাজারে যেতে হয়। বর্তমানে সেতুটি দেবে যাওয়ায় এলাকার মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। তাই সেতুটি সংস্কারের জন্য জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেন।

দক্ষিণ ভূতের দিয়া নতুনচর সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে খুব আতঙ্কে আছি। ওই ব্রিজ ছাড়া বিদ্যালয়ে আসার বিকল্প কোনো পথ নেই। যে কোন সময় ব্রিজটি ভেঙে পরতে পারে। আমি ব্রীজটি সংস্কারের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

কেদারপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ আরিফ মাহমুদ জানান, সেতুটির অবস্থা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সেতুটি দ্রুত সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যে ইউপি চেয়ারম্যানসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগনদের অবহিত করা হয়েছে।

কেদারপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নূরে আলম বেপারী জানান, সেতুটি সংস্কারের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছে বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আমীনুল ইসলাম জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তার জানা ছিল না। তবে তিনি উপজেলা প্রকৌশলীকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অবহিত করবেন বলে জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পাকা সেতুতে কাঠের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল

আপডেট সময় : ০৮:২৩:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২১

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভূতের দিয়া( নতুনচর) গ্রামের দক্ষিণ ভূতেরদিয়া (নতুনচর) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে চলাচল করছেন স্কুলের কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীসহ গ্রামের প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবারের লোকজন। যেকোনো সময় সেতুটি ভেঙে পরে ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।

বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুটির পিলার দেবে গেছে । সেতুর দক্ষিণ পাশে কাঠ দিয়ে সাঁকো বানিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৬/৭ বছর আগে দক্ষিণ ভূতেরদিয়া ( নতুনচর) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পারাপার ও এলাকাবাসীর সুবিধার জন্য

ইউনিয়ন পরিষদ ২০১৫–১৬ অর্থবছরে ১ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল । কিন্তু গত দুই মাস আগে সেতুর খুঁটি দেবে সেতুটি হেলে পড়ে সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা মোঃ আক্তার হোসেন, মোঃ শাহাব উদ্দিন সহ বেশ কয়েকজন জানান, সেতু দিয়ে শুধু শিক্ষার্থীরা নয়, এলাকাবাসীও আসাযাওয়া করতে ভয় পায়। কয়েক দিন আগে স্থানীয় মোঃ আবু বকর নামে একজন সেতু দিয়ে পারাপারের সময় পরে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়াও এলাকার প্রায় ৫০ টি পরিবারের লোকজন এই সেতু দিয়ে পারাপার হন। এলাকার বেশির ভাগ মানুষ কৃষি নির্ভর। তাদের উৎপাদিত পণ্য নিয়ে এই সেতু দিয়ে বাজারে যেতে হয়। বর্তমানে সেতুটি দেবে যাওয়ায় এলাকার মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। তাই সেতুটি সংস্কারের জন্য জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেন।

দক্ষিণ ভূতের দিয়া নতুনচর সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে খুব আতঙ্কে আছি। ওই ব্রিজ ছাড়া বিদ্যালয়ে আসার বিকল্প কোনো পথ নেই। যে কোন সময় ব্রিজটি ভেঙে পরতে পারে। আমি ব্রীজটি সংস্কারের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

কেদারপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ আরিফ মাহমুদ জানান, সেতুটির অবস্থা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সেতুটি দ্রুত সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যে ইউপি চেয়ারম্যানসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগনদের অবহিত করা হয়েছে।

কেদারপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নূরে আলম বেপারী জানান, সেতুটি সংস্কারের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছে বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আমীনুল ইসলাম জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তার জানা ছিল না। তবে তিনি উপজেলা প্রকৌশলীকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অবহিত করবেন বলে জানান।