সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন ঝালকাঠি জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীরের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন চুয়াডাঙ্গার জেলা জামায়াতের জেলা আমির এমপি রুহুল আমিনের শপথ ঘোড়াঘাটে গবাদিপশুর খাদ্য সংকট জানাযার খাদ্যের দাম বৃদ্ধি বিপাকে গরুর মালিক ও খামারিরা চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে সরকারি রাস্তার চার কিলোমিটার এলাকার গাছ লুটের মহোৎসব

নির্বাচনে মুখোমুখি দুই সতীন, প্রথম স্ত্রীর পক্ষে স্বামী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৯:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১ ১২৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স: কুড়িগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা সদর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে লড়ছেন দুই সতীন। মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে এই তথ্য জানা যায়। এর আগে শুক্রবার (১২ নভেম্বর) দুই সতিনই প্রতীক পেয়েছেন। বড় সতিন আঙুর পেয়েছেন কলম এবং জাহানারা পেয়েছেন তালগাছ প্রতীক।
তারা হলেন, চন্দ্রখানা বুদারবান্নি গ্রামের ফজলু আলী ওরফে ফজু কসাইয়ের প্রথম স্ত্রী আঙুর বেগম এবং তৃতীয় স্ত্রী জাহানারা বেগম। ফজু কসাইয়ের নাজমা নামের আরও একজন স্ত্রী রয়েছেন। প্রথম স্ত্রী আঙুরের পক্ষে স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী প্রচারে নামলেও তৃতীয় স্ত্রী জাহানারা একাই প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।
এলাকাবাসী জানান, অনেক দিন ধরেই তিন স্ত্রীকে নিয়ে ফজলুর ভালো সময় যাচ্ছিল না। ঝগড়া বিবাদে বিপর্যস্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত জাহানারাকে আলাদা বাড়িতে রেখে তিনি প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা বাড়িতে বসবাস করছেন। এরপরও জাহানারা স্বামীর অমতে নির্বাচনে সতিনের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামায় ফজলু তার প্রতি নাখোশ হয়েছেন।
ফজলুর তৃতীয় স্ত্রী জাহানারা বলেন, ২০১৭ সালের ইউপি নির্বাচনে স্বামীর সমর্থন নিয়েই আমি প্রার্থী হয়েছিলাম। সেবার ভোটের লড়াইয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলাম। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার সতিন স্বামীকে ফুসলিয়ে প্রার্থী হয়েছেন। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে চাপ দিচ্ছেন। তবে আমি এতে ভীত নই। জনগণ আমার সঙ্গে রয়েছে।
প্রথম স্ত্রী আঙুর বেগম বলেন, গ্রামের মানুষ আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। আমার সঙ্গে সবাই কাজ করছেন। শেষ পর্যন্ত আমিই বিজয়ী হবো।এই বিষয়ে দুই প্রার্থীর স্বামী ফজলু কসাই বলেন, আমার ও পাড়া-প্রতিবেশীদের সমর্থন নিয়ে আঙুর ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
তাই আমি এবং এলাকাবাসী তার জন্য ভোট চাচ্ছি। কিন্তু তৃতীয় স্ত্রী জাহানারাকে বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও সে প্রথম স্ত্রী আঙুরের বিরুদ্ধে লড়ছে। আমি আমার তৃতীয় স্ত্রী জাহানারাকে পার্শ্ববর্তী নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কুলারপাড় এলাকায় বাড়ি করে দিয়েছি। সে সেখানেই থাকে।
উল্লেখ্য, আগামী ২৮ নভেম্বর এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দুই সতিন ছাড়াও ওই ওয়ার্ডে সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে আরেক আঙুর বেগম, নুরি বেগম এবং আনজুমা বেগম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নির্বাচনে মুখোমুখি দুই সতীন, প্রথম স্ত্রীর পক্ষে স্বামী

আপডেট সময় : ০৬:২৯:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স: কুড়িগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা সদর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে লড়ছেন দুই সতীন। মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে এই তথ্য জানা যায়। এর আগে শুক্রবার (১২ নভেম্বর) দুই সতিনই প্রতীক পেয়েছেন। বড় সতিন আঙুর পেয়েছেন কলম এবং জাহানারা পেয়েছেন তালগাছ প্রতীক।
তারা হলেন, চন্দ্রখানা বুদারবান্নি গ্রামের ফজলু আলী ওরফে ফজু কসাইয়ের প্রথম স্ত্রী আঙুর বেগম এবং তৃতীয় স্ত্রী জাহানারা বেগম। ফজু কসাইয়ের নাজমা নামের আরও একজন স্ত্রী রয়েছেন। প্রথম স্ত্রী আঙুরের পক্ষে স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী প্রচারে নামলেও তৃতীয় স্ত্রী জাহানারা একাই প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।
এলাকাবাসী জানান, অনেক দিন ধরেই তিন স্ত্রীকে নিয়ে ফজলুর ভালো সময় যাচ্ছিল না। ঝগড়া বিবাদে বিপর্যস্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত জাহানারাকে আলাদা বাড়িতে রেখে তিনি প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা বাড়িতে বসবাস করছেন। এরপরও জাহানারা স্বামীর অমতে নির্বাচনে সতিনের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামায় ফজলু তার প্রতি নাখোশ হয়েছেন।
ফজলুর তৃতীয় স্ত্রী জাহানারা বলেন, ২০১৭ সালের ইউপি নির্বাচনে স্বামীর সমর্থন নিয়েই আমি প্রার্থী হয়েছিলাম। সেবার ভোটের লড়াইয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলাম। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার সতিন স্বামীকে ফুসলিয়ে প্রার্থী হয়েছেন। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে চাপ দিচ্ছেন। তবে আমি এতে ভীত নই। জনগণ আমার সঙ্গে রয়েছে।
প্রথম স্ত্রী আঙুর বেগম বলেন, গ্রামের মানুষ আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। আমার সঙ্গে সবাই কাজ করছেন। শেষ পর্যন্ত আমিই বিজয়ী হবো।এই বিষয়ে দুই প্রার্থীর স্বামী ফজলু কসাই বলেন, আমার ও পাড়া-প্রতিবেশীদের সমর্থন নিয়ে আঙুর ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
তাই আমি এবং এলাকাবাসী তার জন্য ভোট চাচ্ছি। কিন্তু তৃতীয় স্ত্রী জাহানারাকে বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও সে প্রথম স্ত্রী আঙুরের বিরুদ্ধে লড়ছে। আমি আমার তৃতীয় স্ত্রী জাহানারাকে পার্শ্ববর্তী নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কুলারপাড় এলাকায় বাড়ি করে দিয়েছি। সে সেখানেই থাকে।
উল্লেখ্য, আগামী ২৮ নভেম্বর এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দুই সতিন ছাড়াও ওই ওয়ার্ডে সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে আরেক আঙুর বেগম, নুরি বেগম এবং আনজুমা বেগম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।