সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

বরিশালে আলোচিত কবুতর সুমন অবশেষে জেল হাজতে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১ ২১৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
অবশেষে জেলহাজতে যেতে হল বরিশাল নগরীর ভাটার খাল এলাকার আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী সুমন ওরফে কবুতর সুমনকে।

রবিবার সকালে বরিশাল বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট আদালতে জামিনের জন্য আবেদন করা হলে আদালতের বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে আসামি সুমনকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

গত ১৪ অক্টোবর নগরীর ভাটার খাল এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ব্যবসায়ী হালিম শাহ্,র ছেলে সাদ্দাম ও তার খালাতো বোন তানিয়া বেগম কে হত্যার চেষ্টায় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেন আসামি সুমন ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা।

এ ঘটনায় সাদ্দামের মা বেবি বেগম বাদী হয়ে নামধারী ৮ জনের বিরুদ্ধে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলো, ভাটার খাল এলাকার মৃত মাজেদ সরদার এর ছেলে আলমগীর আলমগীর সরদার, আলমগীরের ছেলে রুবেল সরদার, মেয়ে লিমা আক্তার, রুবি আক্তার, এবং তাদের সহযোগী আজাহার, শিপন, এবং রিনা বেগম।

এছাড়া ২০-২৫ জনকে অজ্ঞাত নামা আসামি করা হয়েছে।

মামলার ২ নং আসামী সুমন ওরফে কবুতর সুমন রবিবার বরিশাল বিজ্ঞ আদালতে জামিনের আবেদন করা হলে আদালতের বিচারক তা নামঞ্জুর করে সুমনকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

অভিযোগ রয়েছে, সুমন একজন বরিশালের আলোচিত নাঈম হত্যা মামলার ১ নং আসামি।

এছাড়া নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড ভাটারখাল এলাকায় সুমনের বিরুদ্ধে মাদক, চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যকলাপে থানায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এসবের মদদদাতা সুমনের শশুর আলমগীর সরদার ও তার পরিবারের সহযোগীরা।

সুমন ও আলমগীর সরদারের অত্যাচারে ভাটার খাল এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে আছে। এমনকি সাধারণ মানুষ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে একাধিক মানববন্ধন করেছে। যেকোনো সময় তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিভিন্নভাবে হামলা মামলার ভয় দেখিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে।

ভাটার খাল কলোনির বাসিন্দা ব্যবসায়ী হালিম শাহ ও তার পরিবার আলোচিত সুমন ও আলমগীর সরদারের অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা হলে সুমন ও তার সহযোগীরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে যায়।

ওদের অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে সাদ্দামের পরিবার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একটি ওপেন হাউজ ডে তে সুমন ও আলমগীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। অভিযোগের খবর জানতে পেরে সুমন ও তার সহযোগীরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে যায়।

এরই জের ধরে সুমন ও তার সহযোগীরা হত্যার টার্গেটে ঘটনার দিন গত ১৪ অক্টোবর হালিম শাহ্,র ছেলে সাদ্দাম ও সাদ্দামের খালাতো বোন তানিয়া কে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন সুমনসহ তার বাহিনী।

এদিকে আলোচিত সুমন ওরফে কবুতর সুমনের জেলহাজতে যাওয়ার সংবাদ ভাটার খাল এলাকায় পৌঁছালে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

বাদী বেবী বেগম জানান, সুমন মামলা থেকে বাঁচতে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ইনজুরি দেখিয়ে নাটকীয়ভাবে শেবাচিমে ভর্তি হয়। রবিবার সকালে হাসপাতাল থেকে পলাতক হয়ে আদালতে জামিন নিতে গেলে আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে আলোচিত কবুতর সুমন অবশেষে জেল হাজতে

আপডেট সময় : ০৪:২৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১

অনলাইন ডেস্ক
অবশেষে জেলহাজতে যেতে হল বরিশাল নগরীর ভাটার খাল এলাকার আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী সুমন ওরফে কবুতর সুমনকে।

রবিবার সকালে বরিশাল বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট আদালতে জামিনের জন্য আবেদন করা হলে আদালতের বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে আসামি সুমনকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

গত ১৪ অক্টোবর নগরীর ভাটার খাল এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ব্যবসায়ী হালিম শাহ্,র ছেলে সাদ্দাম ও তার খালাতো বোন তানিয়া বেগম কে হত্যার চেষ্টায় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেন আসামি সুমন ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা।

এ ঘটনায় সাদ্দামের মা বেবি বেগম বাদী হয়ে নামধারী ৮ জনের বিরুদ্ধে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলো, ভাটার খাল এলাকার মৃত মাজেদ সরদার এর ছেলে আলমগীর আলমগীর সরদার, আলমগীরের ছেলে রুবেল সরদার, মেয়ে লিমা আক্তার, রুবি আক্তার, এবং তাদের সহযোগী আজাহার, শিপন, এবং রিনা বেগম।

এছাড়া ২০-২৫ জনকে অজ্ঞাত নামা আসামি করা হয়েছে।

মামলার ২ নং আসামী সুমন ওরফে কবুতর সুমন রবিবার বরিশাল বিজ্ঞ আদালতে জামিনের আবেদন করা হলে আদালতের বিচারক তা নামঞ্জুর করে সুমনকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

অভিযোগ রয়েছে, সুমন একজন বরিশালের আলোচিত নাঈম হত্যা মামলার ১ নং আসামি।

এছাড়া নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড ভাটারখাল এলাকায় সুমনের বিরুদ্ধে মাদক, চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যকলাপে থানায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এসবের মদদদাতা সুমনের শশুর আলমগীর সরদার ও তার পরিবারের সহযোগীরা।

সুমন ও আলমগীর সরদারের অত্যাচারে ভাটার খাল এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে আছে। এমনকি সাধারণ মানুষ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে একাধিক মানববন্ধন করেছে। যেকোনো সময় তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিভিন্নভাবে হামলা মামলার ভয় দেখিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে।

ভাটার খাল কলোনির বাসিন্দা ব্যবসায়ী হালিম শাহ ও তার পরিবার আলোচিত সুমন ও আলমগীর সরদারের অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা হলে সুমন ও তার সহযোগীরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে যায়।

ওদের অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে সাদ্দামের পরিবার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একটি ওপেন হাউজ ডে তে সুমন ও আলমগীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। অভিযোগের খবর জানতে পেরে সুমন ও তার সহযোগীরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে যায়।

এরই জের ধরে সুমন ও তার সহযোগীরা হত্যার টার্গেটে ঘটনার দিন গত ১৪ অক্টোবর হালিম শাহ্,র ছেলে সাদ্দাম ও সাদ্দামের খালাতো বোন তানিয়া কে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন সুমনসহ তার বাহিনী।

এদিকে আলোচিত সুমন ওরফে কবুতর সুমনের জেলহাজতে যাওয়ার সংবাদ ভাটার খাল এলাকায় পৌঁছালে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

বাদী বেবী বেগম জানান, সুমন মামলা থেকে বাঁচতে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ইনজুরি দেখিয়ে নাটকীয়ভাবে শেবাচিমে ভর্তি হয়। রবিবার সকালে হাসপাতাল থেকে পলাতক হয়ে আদালতে জামিন নিতে গেলে আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।