সংবাদ শিরোনাম ::
পাকিস্তান হাইকমিশনারের বাসভবনে অগ্নিকাণ্ড, হাইকমিশনার ও স্ত্রী হাসপাতালে কীর্ত্তিপাশায় আওয়ামী লীগ নেতার ফুলেল সংবর্ধনা ঘিরে বিএনপিতে অসন্তোষ, হলরুমে তালা চুয়াডাঙ্গায় ১১ দলীয় ঐক্য জোটের উদ্যোগে গ্যাস, লোডশেডিং, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি, ভুতুড়ে বিল, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ ও স্মারকলিপি প্রদান ১১দলীয় ঐক্যজোট ঝালকাঠি জেলা জামায়াতে ইসলামী জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান অভিযোগের ভিত্তিতে ঝালকাঠি খাদ্য গুদাম পরিদর্শন; চালের মান সন্তোষজনক, বললেন এসএম জিয়া উদ্দিন হায়দার বিজয়নগরে জুলাই গণঅদ্ভুত্থান উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে হাত কড়া পড়েই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু

বাবুগঞ্জে ৩৩৩ নম্বরে কল করে খাদ্য সহায়তা পেয়েছে ৭৫০ পরিবার।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৯:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর ২০২১ ৮৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শফিকুল ইসলাম :: করোনাভাইরাস মহামারিকালে চার শর্তে ৩৩৩ (ট্রিপল থ্রি) জরুরী নম্বরে ফোন করে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭৫০টি পরিবার খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন। গত ৪ মাসে প্রায় ৫হাজার ফোন কলের অনুকুলে যাচাই বাছাই করে তিন ধাপে ৭৫০টি পরিবারকে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তথ্য অনুযায়ী বাবুগঞ্জ উপজেলায় ৩৩৩ জরুরী নম্বরে কল করে খাদ্য সহায়তা প্রত্যাশীদের জন্য জেলা প্রশাসক ১০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন বলেন, উপজেলার ৭৫০টি পরিবারের মধ্যে পরিবার প্রতি গড়ে ১৩০০ টাকার খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। খাদ্য সহায়তা পওয়ার যোগ্য নয় এমন উপজেলার অনেকেই জরুরী সেবা নম্বরে ফোন করেছেন। শর্ত অনুযায়ী যাচাই-বাছাই শেষে আরো কিছু পরিবারকে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় বরাদ্দ কৃত অর্থে উপজেলা প্রশাসন এ খাদ্য সহায়তা প্রকৃত অসহায় পরিবারের মধ্যে বিতরণ করেছেন।

উপজেলার রাজগুরু এলাকার শাহিনা বলেন, আমি ৩৩৩ নম্বরে ফোন করেছিলাম। পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে আমাকে ফোন করে ডেকে তথ্য যাচাই করে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে। করোনাকালিন খাদ্য সহায়তা পেয়ে আমাদের উপকার হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন উদ্যোগকে আমারা সাদুবাদ জানাই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আমীনুল ইসলাম বলেন, ৭৫০ জনকে খাদ্য সহায়তা দেয়ার পরেও আমাদের কাছে ৩৩৩ নম্বরে ফোন করেছে এমন তালিকা রয়েছে। আমরা বরাদ্দ চেয়ে জেলা প্রশাসক মহাদয় বরাবর আবেদন করেছি। বরাদ্দ পেলে আরো অসহায় পরিবারের মধ্যে সহায়তা প্রদান করা হবে।

উল্লেখ্য ভাতা বা ভিজিডি সুবিধা ভোগী না হলে, খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি (১০টাকা কেজি দরে চাল) বা সরকারি যেকোন ত্রাণ না পেলে, মাসিক আয় ৫হাজার টাকার বেশি না হলে, পরিবারের সদস্যদের সংখ্যা তিনের অধিক হলে এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনশীল ব্যক্তি হলে ৩৩৩ নম্বরে কল করলে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে এই খাদ্য সহায়তা পাওয়া যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাবুগঞ্জে ৩৩৩ নম্বরে কল করে খাদ্য সহায়তা পেয়েছে ৭৫০ পরিবার।

আপডেট সময় : ০২:৫৯:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর ২০২১

শফিকুল ইসলাম :: করোনাভাইরাস মহামারিকালে চার শর্তে ৩৩৩ (ট্রিপল থ্রি) জরুরী নম্বরে ফোন করে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭৫০টি পরিবার খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন। গত ৪ মাসে প্রায় ৫হাজার ফোন কলের অনুকুলে যাচাই বাছাই করে তিন ধাপে ৭৫০টি পরিবারকে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তথ্য অনুযায়ী বাবুগঞ্জ উপজেলায় ৩৩৩ জরুরী নম্বরে কল করে খাদ্য সহায়তা প্রত্যাশীদের জন্য জেলা প্রশাসক ১০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন বলেন, উপজেলার ৭৫০টি পরিবারের মধ্যে পরিবার প্রতি গড়ে ১৩০০ টাকার খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। খাদ্য সহায়তা পওয়ার যোগ্য নয় এমন উপজেলার অনেকেই জরুরী সেবা নম্বরে ফোন করেছেন। শর্ত অনুযায়ী যাচাই-বাছাই শেষে আরো কিছু পরিবারকে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় বরাদ্দ কৃত অর্থে উপজেলা প্রশাসন এ খাদ্য সহায়তা প্রকৃত অসহায় পরিবারের মধ্যে বিতরণ করেছেন।

উপজেলার রাজগুরু এলাকার শাহিনা বলেন, আমি ৩৩৩ নম্বরে ফোন করেছিলাম। পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে আমাকে ফোন করে ডেকে তথ্য যাচাই করে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে। করোনাকালিন খাদ্য সহায়তা পেয়ে আমাদের উপকার হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন উদ্যোগকে আমারা সাদুবাদ জানাই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আমীনুল ইসলাম বলেন, ৭৫০ জনকে খাদ্য সহায়তা দেয়ার পরেও আমাদের কাছে ৩৩৩ নম্বরে ফোন করেছে এমন তালিকা রয়েছে। আমরা বরাদ্দ চেয়ে জেলা প্রশাসক মহাদয় বরাবর আবেদন করেছি। বরাদ্দ পেলে আরো অসহায় পরিবারের মধ্যে সহায়তা প্রদান করা হবে।

উল্লেখ্য ভাতা বা ভিজিডি সুবিধা ভোগী না হলে, খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি (১০টাকা কেজি দরে চাল) বা সরকারি যেকোন ত্রাণ না পেলে, মাসিক আয় ৫হাজার টাকার বেশি না হলে, পরিবারের সদস্যদের সংখ্যা তিনের অধিক হলে এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনশীল ব্যক্তি হলে ৩৩৩ নম্বরে কল করলে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে এই খাদ্য সহায়তা পাওয়া যায়।