সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মাথায় পিস্তল ঠেকিয়েও দমানো যায়নি, এবার সাংবাদিক আসলামকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ছক! বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫

১৫ জুলাইয়ের মধ্যে বেতন-বোনাস পরিশোধের আহ্বান।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২০:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই ২০২১ ১২২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ওএসকে গার্মেন্টস অ্যান্ড টেক্সটাইল শ্রমিক ফেডারেশন।

আজ সোমবার (১২ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াসিন ও সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ দত্ত এ আহ্বান জানান।

যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, করোনা মহামারিতে চলমান লকডাউনে যখন প্রায় সব শিল্প সেক্টর বন্ধ, তখন গার্মেন্টস-শ্রমিকদের প্রচণ্ড ঝুঁকির মধ্যে মালিকরা কাজ করাতে বাধ্য করছেন। কারখানা থেকে শ্রমিকদের পরিবহনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার কথা থাকলেও মালিকরা তা করেননি। ফলে বাধ্য হয়ে অনেক দূর থেকে পায়ে হেঁটে বা কয়েকগুণ বেশি ভাড়ায় ব্যক্তিগত পরিবহনের ব্যবস্থা করে শ্রমিকদের কারখানায় যাতায়াত করতে হচ্ছে। তার বিনিময়ে শ্রমিকদের কোনো ঝুঁকি ভাতা বা অতিরিক্ত পরিবহন খরচ পরিশোধের কোনো প্রতিশ্রুতি মালিকরা প্রদান করেনি।

নেতৃদ্বয় আরও বলেন, প্রত্যেক ঈদ উৎসবেই দেখা যায়, বেতন-বোনাস নিয়ে মালিকরা সমস্যা সৃষ্টি করে। ঈদের দিনেও শ্রমিকদের বেতন-বোনাসের জন্য কারখানায় অবস্থান করতে হয়। অনেক কারখানায় ১৮/১৯ তারিখে বেতন বোনাস পরিশোধের কথা বলছে মালিকরা। এ প্রেক্ষিতে আশঙ্কা প্রকাশ করে নেতৃদ্বয় বলেন, এর ফলে দেখা যাবে ব্যাংকের ঝামেলার কথা বলে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস অনিশ্চিত করে তুলবে মালিকরা। তাই ১৫ জুলাইয়ের মধ্যেই সকল কারখানায় সম্পূর্ণ বেতন-বোনাস পরিশোধ করার আহ্বান জানান তারা।

বিবৃতিতে তারা আরও উল্লেখ করেন, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অবস্থিত হাসেম ফুডস অ্যান্ড বেভারেজ কারখানার অর্ধশতাধিক শ্রমিক হত্যার দায় কোম্পানির মালিক এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের শুধু নয়। কারখানার পরিদর্শন ও লাইসেন্স প্রদানের সঙ্গে যুক্ত যেসব দফতর রয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদেরও এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

একই সঙ্গে নিহত শ্রমিকদের আইএলও কনভেনশন-১২১ অনুযায়ী একজীবনের আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ, আহত শ্রমিকদের সুচিকিৎসা ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসন করার আহ্বান জানান তারা।

এছাড়াও নেতৃদ্বয় নিখোঁজ শ্রমিকদের অবিলম্বে উদ্ধার এবং তার সংখ্যা প্রকাশ করে অগ্নিকাণ্ডের বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দায়ী সকল পক্ষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার কথা বলেন। অনুমোদনহীন ও ঝুঁকিপূর্ণ সকল কারখানা বন্ধ করে দেয়া এবং শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের কাছে আহবান জানান তারা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

১৫ জুলাইয়ের মধ্যে বেতন-বোনাস পরিশোধের আহ্বান।

আপডেট সময় : ০৮:২০:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ওএসকে গার্মেন্টস অ্যান্ড টেক্সটাইল শ্রমিক ফেডারেশন।

আজ সোমবার (১২ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াসিন ও সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ দত্ত এ আহ্বান জানান।

যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, করোনা মহামারিতে চলমান লকডাউনে যখন প্রায় সব শিল্প সেক্টর বন্ধ, তখন গার্মেন্টস-শ্রমিকদের প্রচণ্ড ঝুঁকির মধ্যে মালিকরা কাজ করাতে বাধ্য করছেন। কারখানা থেকে শ্রমিকদের পরিবহনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার কথা থাকলেও মালিকরা তা করেননি। ফলে বাধ্য হয়ে অনেক দূর থেকে পায়ে হেঁটে বা কয়েকগুণ বেশি ভাড়ায় ব্যক্তিগত পরিবহনের ব্যবস্থা করে শ্রমিকদের কারখানায় যাতায়াত করতে হচ্ছে। তার বিনিময়ে শ্রমিকদের কোনো ঝুঁকি ভাতা বা অতিরিক্ত পরিবহন খরচ পরিশোধের কোনো প্রতিশ্রুতি মালিকরা প্রদান করেনি।

নেতৃদ্বয় আরও বলেন, প্রত্যেক ঈদ উৎসবেই দেখা যায়, বেতন-বোনাস নিয়ে মালিকরা সমস্যা সৃষ্টি করে। ঈদের দিনেও শ্রমিকদের বেতন-বোনাসের জন্য কারখানায় অবস্থান করতে হয়। অনেক কারখানায় ১৮/১৯ তারিখে বেতন বোনাস পরিশোধের কথা বলছে মালিকরা। এ প্রেক্ষিতে আশঙ্কা প্রকাশ করে নেতৃদ্বয় বলেন, এর ফলে দেখা যাবে ব্যাংকের ঝামেলার কথা বলে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস অনিশ্চিত করে তুলবে মালিকরা। তাই ১৫ জুলাইয়ের মধ্যেই সকল কারখানায় সম্পূর্ণ বেতন-বোনাস পরিশোধ করার আহ্বান জানান তারা।

বিবৃতিতে তারা আরও উল্লেখ করেন, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অবস্থিত হাসেম ফুডস অ্যান্ড বেভারেজ কারখানার অর্ধশতাধিক শ্রমিক হত্যার দায় কোম্পানির মালিক এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের শুধু নয়। কারখানার পরিদর্শন ও লাইসেন্স প্রদানের সঙ্গে যুক্ত যেসব দফতর রয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদেরও এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

একই সঙ্গে নিহত শ্রমিকদের আইএলও কনভেনশন-১২১ অনুযায়ী একজীবনের আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ, আহত শ্রমিকদের সুচিকিৎসা ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসন করার আহ্বান জানান তারা।

এছাড়াও নেতৃদ্বয় নিখোঁজ শ্রমিকদের অবিলম্বে উদ্ধার এবং তার সংখ্যা প্রকাশ করে অগ্নিকাণ্ডের বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দায়ী সকল পক্ষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার কথা বলেন। অনুমোদনহীন ও ঝুঁকিপূর্ণ সকল কারখানা বন্ধ করে দেয়া এবং শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের কাছে আহবান জানান তারা