সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

বরিশালে যান চলাচল জনসমাগম বেড়েছে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৫:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১ ৯৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

লকডাউনের ৭ম দিনে অসহিষ্ণু হয়ে পড়েছে বরিশালের বেশিরভাগ মানুষ। আজ ৭ম দিনে রাস্তাঘাটে মানুষ এবং যানবাহন চলাচল আগের চেয়ে বেড়েছে। রাস্তাঘাটে লকডাউনের চিত্র উধাও হয়ে গেছে। খুলেছে অধিক সংখ্যক দোকানপাঠ।

এদিকে লকডাউন বাস্তবায়নে আজও একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। মেট্রোপলিটন পুলিশও নগরীর বিভিন্ন প্রবেশ পথসহ ২০টি স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন করে মানুষ এবং যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে। এছাড়া সেনা বাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব এবং পুলিশের টহল জোড়দার করা হয়েছে।
লকডাউনের ৭ম দিন আজ বরিশালের রাস্তাঘাটের চিত্র ছিলো আগের ৬ দিনের চেয়ে একেবারেই আলাদা। পায়ে হেটে, রিকশায়, মোটরসাইকেলে এবং ব্যক্তিগত যানবাহনে চলাচল করেন হাজার হাজার মানুষ। কেউ কাজের সন্ধানে, কেউ বাজারে এবং অনেকে ওষুধ কিনতে এবং হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রাস্তায় বের হওয়ার কথা বলেছেন। তবে কিছু মানুষ অজুহাত সৃষ্টি করে রাস্তায় বেড়িয়েছেন।

আগের ৬ দিনের চেয়ে আজ নগরীতে অধিক সংখ্যক দোকানপাঠ খুলেছে।

এক শাটার খোলা রেখে বেঁচা বিক্রি করেন তারা। পুলিশ কিংবা ভ্রাম্যমাণ আদালত দেখলেই তারা শাটার আটকে দিচ্ছেন।
এদিকে নগরীর বিভিন্ন প্রবেশ পথসহ ২০টি স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন করে মানুষ এবং যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে পুলিশ। লকডাউন এবং স্বাস্থ্য বিধি বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব এবং পুলিশও টহল জোড়দার করেছে। এছাড়া নগরীর এবং জেলায় আজও একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে জেলা এবং উপজেলা প্রশাসন।

স্বাস্থ্যবিধি এবং লকডাউন উপেক্ষা করলেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার বলেন, সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। গত ৭ দিনে প্রায় আড়াই শ’ ভ্রাম্যমাণ আদালত সাড়ে ৪শ’ মানুষকে ১৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। বিনা প্রয়োজনে কেউ রাস্তায় বের হলে তাকেই শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে।

তিনি বলেন, জাতীয় জরুরী সেবা ৩৩৩ থেকে ফোন করলেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাসায় ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। কুইক রেসপন্স টিম রয়েছে। জেলা প্রশাসন থেকেও সহায়তা দেয়া হচ্ছে। নিজে এবং অপরকে করোনা সংক্রামণ থেকে রক্ষায় লকডাউনকালীন সময়ে সকলকে ঘরে থাকার আহ্বান জানান জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে যান চলাচল জনসমাগম বেড়েছে।

আপডেট সময় : ০৮:১৫:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স

লকডাউনের ৭ম দিনে অসহিষ্ণু হয়ে পড়েছে বরিশালের বেশিরভাগ মানুষ। আজ ৭ম দিনে রাস্তাঘাটে মানুষ এবং যানবাহন চলাচল আগের চেয়ে বেড়েছে। রাস্তাঘাটে লকডাউনের চিত্র উধাও হয়ে গেছে। খুলেছে অধিক সংখ্যক দোকানপাঠ।

এদিকে লকডাউন বাস্তবায়নে আজও একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। মেট্রোপলিটন পুলিশও নগরীর বিভিন্ন প্রবেশ পথসহ ২০টি স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন করে মানুষ এবং যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে। এছাড়া সেনা বাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব এবং পুলিশের টহল জোড়দার করা হয়েছে।
লকডাউনের ৭ম দিন আজ বরিশালের রাস্তাঘাটের চিত্র ছিলো আগের ৬ দিনের চেয়ে একেবারেই আলাদা। পায়ে হেটে, রিকশায়, মোটরসাইকেলে এবং ব্যক্তিগত যানবাহনে চলাচল করেন হাজার হাজার মানুষ। কেউ কাজের সন্ধানে, কেউ বাজারে এবং অনেকে ওষুধ কিনতে এবং হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রাস্তায় বের হওয়ার কথা বলেছেন। তবে কিছু মানুষ অজুহাত সৃষ্টি করে রাস্তায় বেড়িয়েছেন।

আগের ৬ দিনের চেয়ে আজ নগরীতে অধিক সংখ্যক দোকানপাঠ খুলেছে।

এক শাটার খোলা রেখে বেঁচা বিক্রি করেন তারা। পুলিশ কিংবা ভ্রাম্যমাণ আদালত দেখলেই তারা শাটার আটকে দিচ্ছেন।
এদিকে নগরীর বিভিন্ন প্রবেশ পথসহ ২০টি স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন করে মানুষ এবং যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে পুলিশ। লকডাউন এবং স্বাস্থ্য বিধি বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব এবং পুলিশও টহল জোড়দার করেছে। এছাড়া নগরীর এবং জেলায় আজও একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে জেলা এবং উপজেলা প্রশাসন।

স্বাস্থ্যবিধি এবং লকডাউন উপেক্ষা করলেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার বলেন, সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। গত ৭ দিনে প্রায় আড়াই শ’ ভ্রাম্যমাণ আদালত সাড়ে ৪শ’ মানুষকে ১৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। বিনা প্রয়োজনে কেউ রাস্তায় বের হলে তাকেই শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে।

তিনি বলেন, জাতীয় জরুরী সেবা ৩৩৩ থেকে ফোন করলেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাসায় ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। কুইক রেসপন্স টিম রয়েছে। জেলা প্রশাসন থেকেও সহায়তা দেয়া হচ্ছে। নিজে এবং অপরকে করোনা সংক্রামণ থেকে রক্ষায় লকডাউনকালীন সময়ে সকলকে ঘরে থাকার আহ্বান জানান জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার।