সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেফতার দম্পতি কারাগারে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৮:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১ ১০৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীর তোপখানা রোডে একটি বাসায় ১২ বছরের এক গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেফতার দম্পতিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। তারা হলেন- গৃহকর্তা মো. তানভির আহসান ও তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট নাহিদ।

রোববার (৪ জুলাই) তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এরপর ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

অন্যদিকে, তাদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম শাহিনুর রহমান তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে শনিবার (৩ জুলাই) ওই বাসার এক প্রতিবেশী মেয়েটির শরীরে আঘাতের চিহ্নসহ কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেন। পোস্টে তিনি দ্রুত সহযোগিতা ও আইনি ব্যবস্থার আর্জি জানান। এরপর তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

ছবিতে মেয়েটির চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন, হাতে গুরুতর জখম এবং আরেকটি ছবিতে মেয়েটির শরীরের পেছেন দিকে আগুনে পোড়া ঘা চোখে পড়ে। পোস্টটি চোখে পড়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের এক নারী সাংবাদিকের। তিনি পোস্টটি বাংলাদেশ পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইংকে পাঠিয়ে দ্রুত সহযোগিতার আহ্বান জানান।

পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) মো. সোহেল রানা বলেন, ঘটনাস্থল কোন থানার অধীনে তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত না হওয়ায় মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম ও শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদুত হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়।

উভয় থানা থেকেই ঘটনাস্থলে একটি করে টিম যায়। পরবর্তীতে জানা যায়, ঘটনাস্থলটি শাহবাগ থানার অধীনে। এরপর শাহবাগ থানার ওসি মওদুত হাওলাদারের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় সেখানকার ইন্সপেক্টর (অপারেশন্স) মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জাহাঙ্গীর আলমসহ পুলিশের একটি টিম মেয়েটিকে উদ্ধার করে এবং নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্তা মো. তানভির আহসান ও তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট নাহিদকে গ্রেফতার করে।

এআইজি সোহেল রানা আরও বলেন, ফেসবুকে দেয়া পোস্টের মাত্র দেড় ঘণ্টার মধ্যে এবং বিষয়টি পুলিশের নজরে আসার এক ঘণ্টার মধ্যেই ভুক্তভোগীকে উদ্ধার ও অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। এ বিষয়টি কোনো এক সচেতন নাগরিক ৯৯৯-কেও ফোন করে জানায়। পরে ৯৯৯ থেকেও থানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেফতার দম্পতি কারাগারে।

আপডেট সময় : ১১:২৮:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীর তোপখানা রোডে একটি বাসায় ১২ বছরের এক গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেফতার দম্পতিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। তারা হলেন- গৃহকর্তা মো. তানভির আহসান ও তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট নাহিদ।

রোববার (৪ জুলাই) তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এরপর ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

অন্যদিকে, তাদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম শাহিনুর রহমান তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে শনিবার (৩ জুলাই) ওই বাসার এক প্রতিবেশী মেয়েটির শরীরে আঘাতের চিহ্নসহ কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেন। পোস্টে তিনি দ্রুত সহযোগিতা ও আইনি ব্যবস্থার আর্জি জানান। এরপর তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

ছবিতে মেয়েটির চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন, হাতে গুরুতর জখম এবং আরেকটি ছবিতে মেয়েটির শরীরের পেছেন দিকে আগুনে পোড়া ঘা চোখে পড়ে। পোস্টটি চোখে পড়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের এক নারী সাংবাদিকের। তিনি পোস্টটি বাংলাদেশ পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইংকে পাঠিয়ে দ্রুত সহযোগিতার আহ্বান জানান।

পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) মো. সোহেল রানা বলেন, ঘটনাস্থল কোন থানার অধীনে তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত না হওয়ায় মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম ও শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদুত হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়।

উভয় থানা থেকেই ঘটনাস্থলে একটি করে টিম যায়। পরবর্তীতে জানা যায়, ঘটনাস্থলটি শাহবাগ থানার অধীনে। এরপর শাহবাগ থানার ওসি মওদুত হাওলাদারের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় সেখানকার ইন্সপেক্টর (অপারেশন্স) মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জাহাঙ্গীর আলমসহ পুলিশের একটি টিম মেয়েটিকে উদ্ধার করে এবং নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্তা মো. তানভির আহসান ও তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট নাহিদকে গ্রেফতার করে।

এআইজি সোহেল রানা আরও বলেন, ফেসবুকে দেয়া পোস্টের মাত্র দেড় ঘণ্টার মধ্যে এবং বিষয়টি পুলিশের নজরে আসার এক ঘণ্টার মধ্যেই ভুক্তভোগীকে উদ্ধার ও অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। এ বিষয়টি কোনো এক সচেতন নাগরিক ৯৯৯-কেও ফোন করে জানায়। পরে ৯৯৯ থেকেও থানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।