সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

লকডাউনে চাকরি হারিয়ে স্ত্রীকে খুন করলেন স্বামী।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুন ২০২১ ৯০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

স্বামী জানালেন, করোনায় আক্রান্ত হয়ে তার স্ত্রী মারা গেছেন। পরে পুলিশি তদন্তে জানা গেল, স্ত্রীকে খুন করেছেন ওই ব্যক্তি।

শ্রীকান্ত রেড্ডি নামে অভিযুক্তকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরপর পুলিশি জেরা জানা গেল, স্ত্রী হত্যার আসল রহস্য।

জানা গেছে. লকডাউনের জেরে চাকরি হারান প্রকৌশলী শ্রীকান্ত রেড্ডি। এ নিয়ে বেশ কিছুদিন হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এক সময় হতাশা আর ক্ষোভ উগড়ে দেন নিজের স্ত্রী ভূবনেশ্বরীর ওপর। স্ত্রীকে হত্যার পর পুড়িয়ে ফেলেন। এরপর দগ্ধ লাশ একটি স্যুটকেসে ভরে ফেলে দেন এক হাসপাতালের সামনে পরিত্যাক্ত স্থানে।

এমন হৃদয়বিদারক আর বিভৎস ঘটনা ঘটেছে ভারতের হায়দরাবাদের অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতিতে।

ভারতের গণমাধ্যম এবিপি আনন্দে প্রকাশ, চলতি সপ্তাহে অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতির এসভিআরআর সরকারি হাসপাতালের কাছে একটি স্যুটকেস পড়ে থাকতে দেখা যায়। এটি খোলার পর হতভম্ব হয়ে পড়েন হাসপাতালের কর্মীরা। তার ভিতর থেকে উদ্ধার হয় এক যুবতীর দগ্ধ মরদেহ।

তদন্তে পুলিশ জানতে পারে দেহটি চিত্তুরের রামসমুন্দ্রমের বাসিন্দা ভুবনেশ্বরী নামে বছর ২৭ বছরের এক যুবতীর। টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসে কর্মরত ছিলেন তিনি।

হাসপাতালের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে স্যুটকেসটি সেখানে ফেলে যাওয়ার দৃশ্য। ফুটেজে দেখা যায়, ক্যাবচালকের সহায়তায় এক যুবক স্যুটকেসটি ফেলে চলে যায়। ফুটেজ থেকে ক্যাবের নাম্বার নিয়ে চালককে খুঁজে বের করে পুলিশ। সেই সূত্র ধরে শ্রীকান্ত রেড্ডিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

নিহতের পরিবাবের বরাতে তিরুপতি থানা পুলিশ জানিয়েছে, ২০১৯ সালে কাদাপার শ্রীকান্ত রেড্ডির সঙ্গে বিয়ে হয় ভুবনেশ্বরীর। তাদের ১৮ মাসের একটি মেয়েও রয়েছে। লকডাউনে কাজ হারান শ্রীকান্ত। তারপর থেকেই মদের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকতেন। বিষয়টি নিয়ে ভূবনেশ্বরীর সঙ্গে ঝগড়া হতো। গত ২২ জুন ঝগড়ার মধ্যে মেজাজ হারিয়ে ভুবনেশ্বরীকে খুন করেন শ্রীকান্ত। পরে স্ত্রীর মৃতদেহ পুড়িয়ে একটি স্যুটকেসে ভরে গভীর রাতে ফেলে দিয়ে আসেন।

খুনের পর শ্রীকান্ত নিহতের বাবা-মাকে জানান, করোনার আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ভুবনেশ্বরীর। বিষয়টি খটকা লাগে ভুবনেশ্বরীর পরিবারের। বেশ কয়েকটি হাসপাতাল এবং মর্গে খোঁজ চালান তারা। মরদেহ খুঁজে না পেয়ে থানায় ভুবনেশ্বরীর নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন তারা।

তিরুপতি পুলিশের প্রধান কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিহতের দেহ ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে। খুন করার পর দেহটি পোড়ানোর চেষ্টা করেন শ্রীকান্ত। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য় পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

লকডাউনে চাকরি হারিয়ে স্ত্রীকে খুন করলেন স্বামী।

আপডেট সময় : ১০:২৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুন ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স

স্বামী জানালেন, করোনায় আক্রান্ত হয়ে তার স্ত্রী মারা গেছেন। পরে পুলিশি তদন্তে জানা গেল, স্ত্রীকে খুন করেছেন ওই ব্যক্তি।

শ্রীকান্ত রেড্ডি নামে অভিযুক্তকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরপর পুলিশি জেরা জানা গেল, স্ত্রী হত্যার আসল রহস্য।

জানা গেছে. লকডাউনের জেরে চাকরি হারান প্রকৌশলী শ্রীকান্ত রেড্ডি। এ নিয়ে বেশ কিছুদিন হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এক সময় হতাশা আর ক্ষোভ উগড়ে দেন নিজের স্ত্রী ভূবনেশ্বরীর ওপর। স্ত্রীকে হত্যার পর পুড়িয়ে ফেলেন। এরপর দগ্ধ লাশ একটি স্যুটকেসে ভরে ফেলে দেন এক হাসপাতালের সামনে পরিত্যাক্ত স্থানে।

এমন হৃদয়বিদারক আর বিভৎস ঘটনা ঘটেছে ভারতের হায়দরাবাদের অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতিতে।

ভারতের গণমাধ্যম এবিপি আনন্দে প্রকাশ, চলতি সপ্তাহে অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতির এসভিআরআর সরকারি হাসপাতালের কাছে একটি স্যুটকেস পড়ে থাকতে দেখা যায়। এটি খোলার পর হতভম্ব হয়ে পড়েন হাসপাতালের কর্মীরা। তার ভিতর থেকে উদ্ধার হয় এক যুবতীর দগ্ধ মরদেহ।

তদন্তে পুলিশ জানতে পারে দেহটি চিত্তুরের রামসমুন্দ্রমের বাসিন্দা ভুবনেশ্বরী নামে বছর ২৭ বছরের এক যুবতীর। টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসে কর্মরত ছিলেন তিনি।

হাসপাতালের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে স্যুটকেসটি সেখানে ফেলে যাওয়ার দৃশ্য। ফুটেজে দেখা যায়, ক্যাবচালকের সহায়তায় এক যুবক স্যুটকেসটি ফেলে চলে যায়। ফুটেজ থেকে ক্যাবের নাম্বার নিয়ে চালককে খুঁজে বের করে পুলিশ। সেই সূত্র ধরে শ্রীকান্ত রেড্ডিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

নিহতের পরিবাবের বরাতে তিরুপতি থানা পুলিশ জানিয়েছে, ২০১৯ সালে কাদাপার শ্রীকান্ত রেড্ডির সঙ্গে বিয়ে হয় ভুবনেশ্বরীর। তাদের ১৮ মাসের একটি মেয়েও রয়েছে। লকডাউনে কাজ হারান শ্রীকান্ত। তারপর থেকেই মদের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকতেন। বিষয়টি নিয়ে ভূবনেশ্বরীর সঙ্গে ঝগড়া হতো। গত ২২ জুন ঝগড়ার মধ্যে মেজাজ হারিয়ে ভুবনেশ্বরীকে খুন করেন শ্রীকান্ত। পরে স্ত্রীর মৃতদেহ পুড়িয়ে একটি স্যুটকেসে ভরে গভীর রাতে ফেলে দিয়ে আসেন।

খুনের পর শ্রীকান্ত নিহতের বাবা-মাকে জানান, করোনার আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ভুবনেশ্বরীর। বিষয়টি খটকা লাগে ভুবনেশ্বরীর পরিবারের। বেশ কয়েকটি হাসপাতাল এবং মর্গে খোঁজ চালান তারা। মরদেহ খুঁজে না পেয়ে থানায় ভুবনেশ্বরীর নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন তারা।

তিরুপতি পুলিশের প্রধান কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিহতের দেহ ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে। খুন করার পর দেহটি পোড়ানোর চেষ্টা করেন শ্রীকান্ত। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য় পাঠানো হয়েছে।