সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্ল্যাণ কেন্দ্রটি ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ,’অস্থায়ী’ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার, পিবিআইয়ের সহায়তায় মিললো পরিচয় ঝালকাঠিতে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে: কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাঠালিয়া পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটময় অবস্থায় পৌঁছেছে ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আটক ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ

বাউফলে চেয়ারম্যানকে তালাক দিয়ে প্রেমিককেই বিয়ে করলেন সেই কিশোরী।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুন ২০২১ ১১২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাউফল প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলের সেই কিশোরী (১৪) বিয়ের এক দিন পরই চেয়ারম্যানকে তালাক দিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। তালাকের পরের দিনই প্রেমিক রমজানকে বিয়ে করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে ওই কিশোরী। গত রোববার রমজানের মামাবাড়িতে সেই আগের কাজী ৫০ হাজার টাকা দেনমোহরে বিয়ে পড়ান। এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন হাওলাদারকে (৬০) তালাক দেয় কিশোরী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে কুম্ভখালী গ্রামের মামাশ্বশুর বাড়িতেই অবস্থান করছে মেয়েটি। চেয়ারম্যান শাহীন হাওলাদার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কনকদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

শাহীন হাওলাদারের এ বিবাহকাণ্ডে উপজেলা আওয়ামী লীগ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব হাওলাদার সংবাদকর্মীদের বলেন, শাহীন হাওলাদারের কর্মকাণ্ডে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিব্রত। আমি নিজেও বিব্রত ।

এদিকে তালাক দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, বিচারপ্রার্থী কিশোরীকে বিয়ে করে চেয়ারম্যান বিপাকে পড়েছেন। সামাজিক ও পারিবারিক চাপসহ আইনি জটিলতা এড়াতে চেয়ারম্যান কৌশলে কিশোরীর কাছ থেকে তালাকনামা রেখেছেন। অবশ্য ওই কিশোরী বলেছেন, রোববার তার প্রেমিক রমজানের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে। এখন তিনি শৃঙ্খলমুক্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে ওই বিবাহকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বাল্যবিবাহের অভিযোগ প্রশ্নে আইনের অপপ্রয়োগ হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত মে মাসে কনকদিয়া ইউনিয়নের চুনারপুল এলাকার ওই কিশোরীর সঙ্গে নাজিরপুর ইউনিয়নের তাতেরকাঠি গ্রামের গার্মেন্টসকর্মী সোহেলের বিয়ে হয়। ওই বিয়েতে সম্মতি ছিল না মেয়েটির। তাছাড়া মেয়েটির সঙ্গে তার গৃহশিক্ষক রমজানের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন সোহেল, কিশোরী ও রমজানের পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে।

গত শুক্রবার কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে মীমাংসার জন্য যান উভয় পরিবারের সদস্যরা। সেখানে সোহেল ও কিশোরীর বিয়ে বিচ্ছেদ করান চেয়ারম্যান। সালিশ বৈঠকে বসে কিশোরী তার প্রেমিক রমজানের সঙ্গে সংসার করতে চায়। এ সময় চেয়ারম্যান কিশোরীকে দেখে পছন্দ করেন। পরে কিশোরীর সম্মতি নিয়ে শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর কাজী ডেকে চেয়ারম্যান বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাউফলে চেয়ারম্যানকে তালাক দিয়ে প্রেমিককেই বিয়ে করলেন সেই কিশোরী।

আপডেট সময় : ০১:০৪:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুন ২০২১

বাউফল প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলের সেই কিশোরী (১৪) বিয়ের এক দিন পরই চেয়ারম্যানকে তালাক দিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। তালাকের পরের দিনই প্রেমিক রমজানকে বিয়ে করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে ওই কিশোরী। গত রোববার রমজানের মামাবাড়িতে সেই আগের কাজী ৫০ হাজার টাকা দেনমোহরে বিয়ে পড়ান। এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন হাওলাদারকে (৬০) তালাক দেয় কিশোরী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে কুম্ভখালী গ্রামের মামাশ্বশুর বাড়িতেই অবস্থান করছে মেয়েটি। চেয়ারম্যান শাহীন হাওলাদার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কনকদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

শাহীন হাওলাদারের এ বিবাহকাণ্ডে উপজেলা আওয়ামী লীগ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব হাওলাদার সংবাদকর্মীদের বলেন, শাহীন হাওলাদারের কর্মকাণ্ডে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিব্রত। আমি নিজেও বিব্রত ।

এদিকে তালাক দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, বিচারপ্রার্থী কিশোরীকে বিয়ে করে চেয়ারম্যান বিপাকে পড়েছেন। সামাজিক ও পারিবারিক চাপসহ আইনি জটিলতা এড়াতে চেয়ারম্যান কৌশলে কিশোরীর কাছ থেকে তালাকনামা রেখেছেন। অবশ্য ওই কিশোরী বলেছেন, রোববার তার প্রেমিক রমজানের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে। এখন তিনি শৃঙ্খলমুক্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে ওই বিবাহকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বাল্যবিবাহের অভিযোগ প্রশ্নে আইনের অপপ্রয়োগ হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত মে মাসে কনকদিয়া ইউনিয়নের চুনারপুল এলাকার ওই কিশোরীর সঙ্গে নাজিরপুর ইউনিয়নের তাতেরকাঠি গ্রামের গার্মেন্টসকর্মী সোহেলের বিয়ে হয়। ওই বিয়েতে সম্মতি ছিল না মেয়েটির। তাছাড়া মেয়েটির সঙ্গে তার গৃহশিক্ষক রমজানের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন সোহেল, কিশোরী ও রমজানের পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে।

গত শুক্রবার কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে মীমাংসার জন্য যান উভয় পরিবারের সদস্যরা। সেখানে সোহেল ও কিশোরীর বিয়ে বিচ্ছেদ করান চেয়ারম্যান। সালিশ বৈঠকে বসে কিশোরী তার প্রেমিক রমজানের সঙ্গে সংসার করতে চায়। এ সময় চেয়ারম্যান কিশোরীকে দেখে পছন্দ করেন। পরে কিশোরীর সম্মতি নিয়ে শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর কাজী ডেকে চেয়ারম্যান বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন।’