সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ ভান্ডারিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মাথায় পিস্তল ঠেকিয়েও দমানো যায়নি, এবার সাংবাদিক আসলামকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ছক! বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা

বাবুগঞ্জে কালা বাবুর দাম হাঁকা হয়েছে ১৫ লাখ ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুন ২০২১ ১৯৮ বার পড়া হয়েছে

Exif_JPEG_420

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
ঈদুল আযহা কে সামনে রেখে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ভুতের দিয়া বোয়ালিয়া এলাকায় নিজস্ব খামারে আমিনুল ইসলাম সিজান সিকদারের পরিচর্যায় বড় হওয়া ষাঁড়ের নাম রেখেছেন ‘কালা বাবু’। কোরবানির ঈদের জন্য প্রস্তুত করা কালা বাবুর ওজন প্রায় ৩২ মন।
সাড়ে ৮ ফুট লম্বা ও ৭ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতার। কালা বাবুর দাম হাঁকা হয়েছে ১৫ লাখ টাকা। সাড়ে চার বছর আগে মো. আমিনুল ইসলাম সিজান সিকদারের মেঝো ভাই মোঃ সুমন সিকদারের খামারে জন্ম হয় কালো ও সাদা রঙের ফ্রিজিয়ান প্রজাতির ষাঁড়টি। জন্মের সাড়ে ৭ মাস বয়সে ভাইয়ের কাছ থেকে ক্রয় করে কোন প্রকার ক্ষতিকর ও মোটাতাজা করন ঔষধ ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে লালন-পালন করা হয়েছে। শান্ত প্রকৃতির ও গায়ের রং কালো হওয়ায় শখ করে ষাঁড়টির নাম রেখেছেন ‘কালা বাবু’।

মো. আমিনুল ইসলাম সিজান সিকদারের গরুর ফার্মের দায়িত্বে থাকা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ফার্মের মালিক শখ করে ফ্রিজিয়ান প্রজাতির ষাঁড়টি লালন-পালন করে তার নাম রেখেছেন কালা বাবু।

ফার্মের দায়িত্বে থাকা জাহাঙ্গীর হোসেন অারো জানান, উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসের পরামর্শক্রমে ক্ষতিকর ঔষধ ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে ষাঁড়টিকে বড় করছি। এখন পর্যন্ত বাজারে ওঠানোর চিন্তা নেই। ষাঁড়টি কিনতে বাড়িতেই বিভিন্ন লোকজন আসছে। কালা বাবুর দাম বিভিন্ন জন বিভিন্ন দাম বলেছেন কিন্তু আমার চাহিদা ১৫ লাখ টাকা। মালিকের দাবী” কালা বাবু “এ উপজেলার সবচেয়ে বড় ষাঁড়। বর্তমান মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে বাজারে না নিয়ে বাড়ি থেকেই বিক্রির চেষ্টা করছেন। এ ছাড়াও অামাদের ফার্মে অারো ৯ টি বড় জাতের ষাঁড় গরু রয়েছে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ গোলাম মাওলা সাংবাদিকদের বলেন, বাবুগঞ্জে একটি বড় ষাঁড় গরুর কথা তিনি লোক মুখে শুনেছেন। এ ছাড়াও উপজেলা পশু হাসপাতালের পক্ষ থেকেও উপজেলার বিভিন্ন গরুর খামারে খোজ খবর নিয়ে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাবুগঞ্জে কালা বাবুর দাম হাঁকা হয়েছে ১৫ লাখ ।

আপডেট সময় : ১১:০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুন ২০২১

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
ঈদুল আযহা কে সামনে রেখে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ভুতের দিয়া বোয়ালিয়া এলাকায় নিজস্ব খামারে আমিনুল ইসলাম সিজান সিকদারের পরিচর্যায় বড় হওয়া ষাঁড়ের নাম রেখেছেন ‘কালা বাবু’। কোরবানির ঈদের জন্য প্রস্তুত করা কালা বাবুর ওজন প্রায় ৩২ মন।
সাড়ে ৮ ফুট লম্বা ও ৭ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতার। কালা বাবুর দাম হাঁকা হয়েছে ১৫ লাখ টাকা। সাড়ে চার বছর আগে মো. আমিনুল ইসলাম সিজান সিকদারের মেঝো ভাই মোঃ সুমন সিকদারের খামারে জন্ম হয় কালো ও সাদা রঙের ফ্রিজিয়ান প্রজাতির ষাঁড়টি। জন্মের সাড়ে ৭ মাস বয়সে ভাইয়ের কাছ থেকে ক্রয় করে কোন প্রকার ক্ষতিকর ও মোটাতাজা করন ঔষধ ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে লালন-পালন করা হয়েছে। শান্ত প্রকৃতির ও গায়ের রং কালো হওয়ায় শখ করে ষাঁড়টির নাম রেখেছেন ‘কালা বাবু’।

মো. আমিনুল ইসলাম সিজান সিকদারের গরুর ফার্মের দায়িত্বে থাকা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ফার্মের মালিক শখ করে ফ্রিজিয়ান প্রজাতির ষাঁড়টি লালন-পালন করে তার নাম রেখেছেন কালা বাবু।

ফার্মের দায়িত্বে থাকা জাহাঙ্গীর হোসেন অারো জানান, উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসের পরামর্শক্রমে ক্ষতিকর ঔষধ ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে ষাঁড়টিকে বড় করছি। এখন পর্যন্ত বাজারে ওঠানোর চিন্তা নেই। ষাঁড়টি কিনতে বাড়িতেই বিভিন্ন লোকজন আসছে। কালা বাবুর দাম বিভিন্ন জন বিভিন্ন দাম বলেছেন কিন্তু আমার চাহিদা ১৫ লাখ টাকা। মালিকের দাবী” কালা বাবু “এ উপজেলার সবচেয়ে বড় ষাঁড়। বর্তমান মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে বাজারে না নিয়ে বাড়ি থেকেই বিক্রির চেষ্টা করছেন। এ ছাড়াও অামাদের ফার্মে অারো ৯ টি বড় জাতের ষাঁড় গরু রয়েছে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ গোলাম মাওলা সাংবাদিকদের বলেন, বাবুগঞ্জে একটি বড় ষাঁড় গরুর কথা তিনি লোক মুখে শুনেছেন। এ ছাড়াও উপজেলা পশু হাসপাতালের পক্ষ থেকেও উপজেলার বিভিন্ন গরুর খামারে খোজ খবর নিয়ে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করছেন।