শুক্রবার, ৩০ Jul ২০২১, ০১:৪৮ অপরাহ্ন

লিড নিউজ
চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর। ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ হলেই খোলা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: সংসদে প্রধানমন্ত্রী।বরিশাল-পটুয়াখালী হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত ২৪৪ কিলোমিটার রেললাইন ২০৩০ সালে শেষ করার আশা।
পদ্মা সেতুতে গ্যাসের পাইপলাইন বসানোর কাজ চলছে।

পদ্মা সেতুতে গ্যাসের পাইপলাইন বসানোর কাজ চলছে।

আজকের ক্রাইম ডেক্স
পদ্মা সেতুতে সব রেল স্ল্যাব বসে যাওয়ার পর এখন গ্যাস পাইপলাইন বসাতে চলছে ব্যস্ততা। চীন থেকে সমুদ্রপথে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর পর পাইপ নিয়ে আসা হয়েছে প্রকল্প এলাকায়। পাইপলাইন চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলের কোটি কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে দেশের প্রধান এই জ্বালানি সম্পদ।
পদ্মা সেতুর গ্যাসলাইন স্থাপনের কাজ চলছে এখন পুরোদমে। চীন থেকে সমুদ্রপথে ১২ মিটার লম্বা ৫৩১টি গ্যাস পাইপ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। এর মধ্যে পাঁচটি পাইপ পদ্মা সেতুর মাওয়ার কুমারভোগ কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে এসে গেছে। বাকি পাইপগুলো আসার পথে রয়েছে। এই গ্যাস পাইপ কেটে পরবর্তী ধাপের প্রক্রিয়া চলছে এখন।
পদ্মা সেতু প্রকল্পের নিয়োজিত কর্মীরা জানান, চীন সব ধরনের মালামাল চলে এসেছে; সেগুলো চট্টগ্রাম পোর্টে রয়েছে।। এ ছাড়া কিছু মাল আগেই চলে এসেছে সেগুলো কাজ এখন চলছে।
সাতটি মডিউলে ভাগ করে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার সেতুতে ৬.৭০ কিলোমিটার গ্যাস পাইপ বসবে। এই পাইপলাইন সেতুর ১ নম্বর ও ৪২ নম্বর খুঁটি দিয়ে মাটিতে নামিয়ে আনা হবে। যুক্ত হবে জিটিসিএলের সাব স্টেশনে। দুই প্রান্তে দুটি সাবস্টেশন থাকবে। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ হয়ে লাঙ্গলবন্দ থেকে মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর হয়ে এই গ্যাস যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে মাওয়া গ্যাস সাবস্টেশনে। এখান থেকেই গ্যাস যাবে দক্ষিণাঞ্চলের কোটি কোটি মানুষের কাছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন- ছয় মাসের মধ্যেই সেতুতে পাইপ বসানো সম্ভব হবে।
পদ্মা সেতু প্রাকৃতিক গ্যাসলাইন প্রকল্পের প্রকৌশলী তানভীর হাসান বলেন, আমাদের পদ্মা সেতুতে গ্যাস সম্প্রসার লাইন জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ হবে। পরে এই লাইনটা জিটিসিএলের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
সেতুর ৪২ থেকে ৩৭ নম্বর খুঁটি পর্যন্ত ১ জুলাই সেতুতে পাইপ স্থাপন শুরু হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019
Bengali English