সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

চুয়াডাঙ্গার সীমান্তবর্তী গ্রামে বাড়ছে সংক্রমণ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৭:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১ ১০৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
চুয়াডাঙ্গায় দিন দিন করোনা পরিস্থিতির ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। বেড়েই চলেছে সংক্রমণ। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে বাড়ছে সংক্রমণের হার। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় আরও ৪৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। মোট শনাক্তের হার ৬৭ দশমিক ১৯ শতাংশ। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ২৯ জনই চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বাসিন্দা। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৪৪৭ জনে দাঁড়ালো।

এদিকে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে জেলায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন এবং আরেকজনের মৃত্যু হয় বাড়িতে।

এদিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রহমত আলী (৭৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি দামুড়হুদা উপজেলার চারুলিয়া গ্রামে।

মৃত আরেকজন হলেন জীবননগর পৌর এলাকার সুবোলপুর মাঝেরপাড়ার গোলাম মোস্তাফা (৪০)। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে নিজ বাড়িতে মারা যান। আক্রান্ত হওয়ার পর নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এ পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে জেলায় মৃত্যু হয়েছে ৭০ জনের ও জেলার বাইরের ৮ জনের।

চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪৩ জন কোভিড-১৯ পজিটিভ হয়। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৬৭ দশমিক ১৯ শতাংশ। নতুন ৪৩ জনকে নিয়ে জেলায় মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৪৭ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৯৩১ জন। নতুন শনাক্ত ৪৩ জনের মধ্যে সদর উপজেলায় ২৯ জন, আলমডাঙ্গা উপজেলায় ১২ জন, দামুড়হুদা উপজেলায় ৬ জন এবং জীবননগর উপজেলায় ৬ জন।

এদিন জেলায় আরও ১৪৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, দামুড়হুদা উপজেলায় ১৪ দিনের লকডাউন চলছে। বৃহস্পতিবার ছিল লকডাউনের তৃতীয় দিন। এদিন দামুড়হুদা উপজেলার করোনা রোগী শনাক্ত হার কিছুটা কমেছে।

চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. এএসএম মারুফ হাসান শুক্রবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, চুয়াডাঙ্গায় বৃহস্পতিবার রাতে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সক্রিয় রোগী ছিলেন ৪৪২ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ৪০ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হয়েছে ৪ জনকে। বাড়িতে রয়েছেন ৩৯৮ জন। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ১৩৮ জনের মধ্যে বাড়িতে ১১৮ জন এবং হাসপাতালে ১৯ জন। স্থানান্তরিত হয়েছেন ১ জন। আলমডাঙ্গা উপজেলায় ৪৯ জনের মধ্যে বাড়িতে ৪১ জন এবং ৭ জন হাসপাতালে। স্থানান্তরিত এক জন। দামুড়হুদা উপজেলার ১৬৮ জনের মধ্যে বাডিতে ১৫৪ জন এবং হাসপাতালে ১২ জন। স্থানান্তরিত হয়েছেন ২ জন। জীবননগর উপজেলার ৮৭ জনের মধ্যে বাড়িতে ৮৫ জন এবং দুজন হাসপাতালে আইসোলেশনে রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চুয়াডাঙ্গার সীমান্তবর্তী গ্রামে বাড়ছে সংক্রমণ।

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
চুয়াডাঙ্গায় দিন দিন করোনা পরিস্থিতির ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। বেড়েই চলেছে সংক্রমণ। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে বাড়ছে সংক্রমণের হার। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় আরও ৪৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। মোট শনাক্তের হার ৬৭ দশমিক ১৯ শতাংশ। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ২৯ জনই চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বাসিন্দা। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৪৪৭ জনে দাঁড়ালো।

এদিকে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে জেলায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন এবং আরেকজনের মৃত্যু হয় বাড়িতে।

এদিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রহমত আলী (৭৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি দামুড়হুদা উপজেলার চারুলিয়া গ্রামে।

মৃত আরেকজন হলেন জীবননগর পৌর এলাকার সুবোলপুর মাঝেরপাড়ার গোলাম মোস্তাফা (৪০)। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে নিজ বাড়িতে মারা যান। আক্রান্ত হওয়ার পর নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এ পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে জেলায় মৃত্যু হয়েছে ৭০ জনের ও জেলার বাইরের ৮ জনের।

চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪৩ জন কোভিড-১৯ পজিটিভ হয়। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৬৭ দশমিক ১৯ শতাংশ। নতুন ৪৩ জনকে নিয়ে জেলায় মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৪৭ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৯৩১ জন। নতুন শনাক্ত ৪৩ জনের মধ্যে সদর উপজেলায় ২৯ জন, আলমডাঙ্গা উপজেলায় ১২ জন, দামুড়হুদা উপজেলায় ৬ জন এবং জীবননগর উপজেলায় ৬ জন।

এদিন জেলায় আরও ১৪৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, দামুড়হুদা উপজেলায় ১৪ দিনের লকডাউন চলছে। বৃহস্পতিবার ছিল লকডাউনের তৃতীয় দিন। এদিন দামুড়হুদা উপজেলার করোনা রোগী শনাক্ত হার কিছুটা কমেছে।

চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. এএসএম মারুফ হাসান শুক্রবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, চুয়াডাঙ্গায় বৃহস্পতিবার রাতে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সক্রিয় রোগী ছিলেন ৪৪২ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ৪০ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হয়েছে ৪ জনকে। বাড়িতে রয়েছেন ৩৯৮ জন। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ১৩৮ জনের মধ্যে বাড়িতে ১১৮ জন এবং হাসপাতালে ১৯ জন। স্থানান্তরিত হয়েছেন ১ জন। আলমডাঙ্গা উপজেলায় ৪৯ জনের মধ্যে বাড়িতে ৪১ জন এবং ৭ জন হাসপাতালে। স্থানান্তরিত এক জন। দামুড়হুদা উপজেলার ১৬৮ জনের মধ্যে বাডিতে ১৫৪ জন এবং হাসপাতালে ১২ জন। স্থানান্তরিত হয়েছেন ২ জন। জীবননগর উপজেলার ৮৭ জনের মধ্যে বাড়িতে ৮৫ জন এবং দুজন হাসপাতালে আইসোলেশনে রয়েছেন।