সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজা সেবনের প্রতিবাদ করায় দুই যুবককে মারধর, মাথা ফাটানোর অভিযোগ ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: গোডাউনসহ পুড়ে ছাই ৮ দোকান উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

তালতলীতে করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করেন থানায় প্রীতিভোজ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৮:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১ ১১৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চলমান করোনা ভাইরাসের প্রভাববিস্থার ঠেকাতে দেশে সরকারের দেওয়া লকডাউন চলছে। লকডাউনের বিধিনিষেধকে উপেক্ষা করে বরগুনার তালতলী থানার ওসি কামরুজ্জামান মিয়া প্রায় দেড় শতাধিক স্থানীয় রাজনৈতিক,ব্যবসায়ী ও সুশিল ব্যক্তিদের নিয়ে ঈদ উপলক্ষে প্রীতিভোজের আয়োজন করেছে।

শুক্রবার(১৪ মে)দুপুর ২টার দিকে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে চলে এ প্রীতিভোজ।

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ১৮ দফা নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারী করে সরকার। সেখানে একটি দফায় বলা আছে বিয়ে, জন্মদিনসহ যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে কোনরকম জনসমাগম করা সম্পূর্ন নিষেধ। সরকারী নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে থানায় প্রায় দেড় শতাধিক স্থানীয় রাজনৈতিক,ব্যবসায়ী ও সুশিল ব্যক্তিদের নিয়ে বড় পেন্ডেল করে ধুমধাম করে খানাপিনা করানো হয়। খানাপিনা পরিবেশন করনে পুলিশ সদস্যরা তবে কারও মুখে নেই মাস্ক। মানা হয়নি কোনো ধরণের স্বাস্থ্যবিধি। এতে সচেতন মহল এমন প্রীতিভোজের আয়োজনে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছে আগামী ১৬ মে এর পরে দেশে কঠোর বিধিনিষেধ আসছে বলে ঘোষনা দেওয়া হয়। সেখানে পুলিশের হাতেই বিচারিক ক্ষমতা দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন সরকার কিন্তু এমন সময়ই থানার কর্তারা যদি স্বাস্থ্যবিধিকে তোয়াক্কা না করে লোকজনের জনসমাগমের মধ্যেই এ প্রীতিভোজ করেন। তাহলে সাধারণ মানুষ কতোটা স্বাস্থ্যবিধি মানবে।

এবিষয়ে তালতলী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন বলেন, থানার প্রীতিভোজের আয়োজনে আমাকেও দাওয়াত দিয়েন তারা। কিন্তু দেশের চলমান করোন ভাইরাসের প্রভাব ঠেকাতে লকডাউন চলাতে ও স্বাস্থ্যবিধির ঝুকি থাকায় আমি যাইনি।করোনাকালে থানা পুলিশের এমন প্রীতিভোজের আয়োজন করা ঠিক হয়নি।

এবিষয়ে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান মিয়া বলেন,পুলিশ সদস্যদেও খাওয়ানো হয়েছে। কে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা ছিলো না। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই খানাপিনা করানো হয়েছে।

বরগুনা পুলিশ সুপার মুহম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিক বলেন বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।

বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমনা বলেন,সরকারের বিধিনিষেধ ভিতরে কোনো কাজ কেউ করতে পারবে না তবে তালতলী থানার দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের প্রীতিভোজ আয়োজন করা ঠিক হয়নি। তবে আমি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তালতলীতে করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করেন থানায় প্রীতিভোজ।

আপডেট সময় : ০২:০৮:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১

চলমান করোনা ভাইরাসের প্রভাববিস্থার ঠেকাতে দেশে সরকারের দেওয়া লকডাউন চলছে। লকডাউনের বিধিনিষেধকে উপেক্ষা করে বরগুনার তালতলী থানার ওসি কামরুজ্জামান মিয়া প্রায় দেড় শতাধিক স্থানীয় রাজনৈতিক,ব্যবসায়ী ও সুশিল ব্যক্তিদের নিয়ে ঈদ উপলক্ষে প্রীতিভোজের আয়োজন করেছে।

শুক্রবার(১৪ মে)দুপুর ২টার দিকে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে চলে এ প্রীতিভোজ।

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ১৮ দফা নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারী করে সরকার। সেখানে একটি দফায় বলা আছে বিয়ে, জন্মদিনসহ যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে কোনরকম জনসমাগম করা সম্পূর্ন নিষেধ। সরকারী নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে থানায় প্রায় দেড় শতাধিক স্থানীয় রাজনৈতিক,ব্যবসায়ী ও সুশিল ব্যক্তিদের নিয়ে বড় পেন্ডেল করে ধুমধাম করে খানাপিনা করানো হয়। খানাপিনা পরিবেশন করনে পুলিশ সদস্যরা তবে কারও মুখে নেই মাস্ক। মানা হয়নি কোনো ধরণের স্বাস্থ্যবিধি। এতে সচেতন মহল এমন প্রীতিভোজের আয়োজনে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছে আগামী ১৬ মে এর পরে দেশে কঠোর বিধিনিষেধ আসছে বলে ঘোষনা দেওয়া হয়। সেখানে পুলিশের হাতেই বিচারিক ক্ষমতা দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন সরকার কিন্তু এমন সময়ই থানার কর্তারা যদি স্বাস্থ্যবিধিকে তোয়াক্কা না করে লোকজনের জনসমাগমের মধ্যেই এ প্রীতিভোজ করেন। তাহলে সাধারণ মানুষ কতোটা স্বাস্থ্যবিধি মানবে।

এবিষয়ে তালতলী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন বলেন, থানার প্রীতিভোজের আয়োজনে আমাকেও দাওয়াত দিয়েন তারা। কিন্তু দেশের চলমান করোন ভাইরাসের প্রভাব ঠেকাতে লকডাউন চলাতে ও স্বাস্থ্যবিধির ঝুকি থাকায় আমি যাইনি।করোনাকালে থানা পুলিশের এমন প্রীতিভোজের আয়োজন করা ঠিক হয়নি।

এবিষয়ে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান মিয়া বলেন,পুলিশ সদস্যদেও খাওয়ানো হয়েছে। কে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা ছিলো না। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই খানাপিনা করানো হয়েছে।

বরগুনা পুলিশ সুপার মুহম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিক বলেন বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।

বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমনা বলেন,সরকারের বিধিনিষেধ ভিতরে কোনো কাজ কেউ করতে পারবে না তবে তালতলী থানার দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের প্রীতিভোজ আয়োজন করা ঠিক হয়নি। তবে আমি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।