সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা, পুনঃতদন্তে প্রশাসন রাজাপুরে বেহাল সড়ক পুনঃনির্মাণ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন: দুই যুগের দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ চুয়াডাঙ্গায় রাইচ কুকারের সুইচ দেবার কালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু রহমতপুর সমিতি ঢাকা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে, বাবুগঞ্জে নদী ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজের উদ্বোধন

ঝড়ে গাছে আম না দেখে বাগানেই মারা গেলেন মালিক।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ মে ২০২১ ১২১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক :: পুঠিয়ায় ঘূর্ণিঝড় ও ব্যাপক শিলাবৃষ্টিতে বাগানের বেশিরভাগ আম পড়ে গেছে। খবর শুনে বাগানে গিয়ে হার্ট অ্যাটাকে নব কুমার সরকার নামের এক স্কুলশিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে।

তিনি উপজেলার পচা মাড়িয়া হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক।

মঙ্গলবার (১১ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের বড়বরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শিলমাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন মকুল বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে এই এলাকায় ফসল ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ওই শিক্ষক তার বাগানে আমের কেমন ক্ষতি হয়েছে তা দেখতে যান। বাগানের বেশিরভাগ আম পড়ে যাওয়ায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে সেখানেই তিনি মারা যান। পরে এলাকার লোকজন তার লাশ উদ্ধার করেন এবং বিকেলে স্থানীয় শ্মশানে তাকে দাহ করা হয়।’

মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে ঝড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়ে টানা চলে পৌনে এক ঘণ্টা পর্যন্ত। উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের কার্তিকপাড়া, বড়বরিয়া, পদপাড়া, কাশিয়াপুকুর, তেবাড়িয়া, পচামাড়িয়া, নান্দিপাড়া, মোল্লাপাড়া, শক্তিপাড়া, যশোপাড়া, কানমাড়িয়া, রাতোয়াল এবং ভালুকগাছি ইউনিয়নের ধোকড়াকুল এলাকার ওপর দিয়ে এ ঝড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টি বয়ে যায়। এতে করে আম, কলা, পাটসহ বিভিন্ন কাঁচা বাড়িঘর ও ফল-ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার একটি তালিকা দিতে বলা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামসুন নাহার ভুইয়া বলেন, ভোররাতের ঝড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টিতে কয়েকটি গ্রামে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইতোমধ্যে আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে কাজ করছেন। তারা রিপোর্ট দিলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।’’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঝড়ে গাছে আম না দেখে বাগানেই মারা গেলেন মালিক।

আপডেট সময় : ১১:২৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ মে ২০২১

অনলাইন ডেস্ক :: পুঠিয়ায় ঘূর্ণিঝড় ও ব্যাপক শিলাবৃষ্টিতে বাগানের বেশিরভাগ আম পড়ে গেছে। খবর শুনে বাগানে গিয়ে হার্ট অ্যাটাকে নব কুমার সরকার নামের এক স্কুলশিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে।

তিনি উপজেলার পচা মাড়িয়া হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক।

মঙ্গলবার (১১ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের বড়বরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শিলমাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন মকুল বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে এই এলাকায় ফসল ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ওই শিক্ষক তার বাগানে আমের কেমন ক্ষতি হয়েছে তা দেখতে যান। বাগানের বেশিরভাগ আম পড়ে যাওয়ায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে সেখানেই তিনি মারা যান। পরে এলাকার লোকজন তার লাশ উদ্ধার করেন এবং বিকেলে স্থানীয় শ্মশানে তাকে দাহ করা হয়।’

মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে ঝড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়ে টানা চলে পৌনে এক ঘণ্টা পর্যন্ত। উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের কার্তিকপাড়া, বড়বরিয়া, পদপাড়া, কাশিয়াপুকুর, তেবাড়িয়া, পচামাড়িয়া, নান্দিপাড়া, মোল্লাপাড়া, শক্তিপাড়া, যশোপাড়া, কানমাড়িয়া, রাতোয়াল এবং ভালুকগাছি ইউনিয়নের ধোকড়াকুল এলাকার ওপর দিয়ে এ ঝড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টি বয়ে যায়। এতে করে আম, কলা, পাটসহ বিভিন্ন কাঁচা বাড়িঘর ও ফল-ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার একটি তালিকা দিতে বলা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামসুন নাহার ভুইয়া বলেন, ভোররাতের ঝড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টিতে কয়েকটি গ্রামে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইতোমধ্যে আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে কাজ করছেন। তারা রিপোর্ট দিলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।’’