সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা, পুনঃতদন্তে প্রশাসন রাজাপুরে বেহাল সড়ক পুনঃনির্মাণ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন: দুই যুগের দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ চুয়াডাঙ্গায় রাইচ কুকারের সুইচ দেবার কালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু রহমতপুর সমিতি ঢাকা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে, বাবুগঞ্জে নদী ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজের উদ্বোধন

পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় মোছাঃ ববিতা খাতুন, ফিরে পেল তার সুখের সংসার, আরিয়ান ফিরে পেল পিতৃ স্নেহ।।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৪:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১ ১২৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

মোছাঃ ববিতা খাতুন (২৮), পিতা- মোঃ রমজান আলী, সাং-ভাংবাড়ীয়া, থানা-আলমডাঙ্গা,জেলা-চুয়াডাঙ্গা এর সাথে অনুমান ১২ বছর পূর্বে মোঃ আশাবুল ইসলাম (৩০), পিতা-ছুরালী মন্ডল, সাং-ভাংবাড়ীয়া মন্ডল পাড়া, থানা-আলমডাঙ্গা,জেলা-চুয়াডাঙ্গা এর ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিবাহ হয়। তাদের সংসার জীবনে ১। আরিয়ান (০৬) নামের ফুটফুটে একটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের কয়েক বছর পর হতে যৌতুকের দাবিতে মোঃ আশাবুল তার স্ত্রী ববিতা খাতুনের সাথে পারিবারিক কলহে জড়িয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে আশাবুল ববিতা খাতুনকে শরিরীক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে। ইতোমধ্যে ববিতা খাতুন যৌতুক দিতে ব্যার্থ হওয়ায় ০২ বছর পূর্বে আশাবুল ইতি খাতুন নামক একজনকে বিবাহ করে হাটবোয়ালিয়া, বাসাভাড়া করে থাকতে শুরু করে এবং ববিতা খাতুন ও তার সন্তানের কোন খোজ খবর নেয় না। ববিতা খাতুন বিভিন্ন জায়গায় তার সমস্যার সমাধান চেয়ে যোগাযোগ করেও কোন সমাধান না পেয়ে। অবশেষে তার অসহায়ত্ব থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য মান্যবর পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গা মহোদয়ের নিকট আসেন। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা মহোদয় উক্ত বিষয়টির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তার কার্যালয়ে অবস্থিত “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার” এর দায়িত্ব প্রাপ্ত এএসআই (নিরস্ত্র) মিতা রানী কে দায়িত্ব দেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ উভয় পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম এর প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় মোঃ আশাবুল ইসলাম তার স্ত্রী মোছাঃ ববিতা খাতুনের সাথে পুনরায় সংসার করতে ও সন্তানের ভরণ পোষন দিতে সম্মত হয়। অবশেষে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম এর হস্তক্ষেপে মোছাঃ ববিতা খাতুন ফিরে পেল তার সুখের সংসার ও আরিয়ান ফিরে পেল পিতৃ স্নেহ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় মোছাঃ ববিতা খাতুন, ফিরে পেল তার সুখের সংসার, আরিয়ান ফিরে পেল পিতৃ স্নেহ।।

আপডেট সময় : ১১:১৪:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স

মোছাঃ ববিতা খাতুন (২৮), পিতা- মোঃ রমজান আলী, সাং-ভাংবাড়ীয়া, থানা-আলমডাঙ্গা,জেলা-চুয়াডাঙ্গা এর সাথে অনুমান ১২ বছর পূর্বে মোঃ আশাবুল ইসলাম (৩০), পিতা-ছুরালী মন্ডল, সাং-ভাংবাড়ীয়া মন্ডল পাড়া, থানা-আলমডাঙ্গা,জেলা-চুয়াডাঙ্গা এর ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিবাহ হয়। তাদের সংসার জীবনে ১। আরিয়ান (০৬) নামের ফুটফুটে একটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের কয়েক বছর পর হতে যৌতুকের দাবিতে মোঃ আশাবুল তার স্ত্রী ববিতা খাতুনের সাথে পারিবারিক কলহে জড়িয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে আশাবুল ববিতা খাতুনকে শরিরীক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে। ইতোমধ্যে ববিতা খাতুন যৌতুক দিতে ব্যার্থ হওয়ায় ০২ বছর পূর্বে আশাবুল ইতি খাতুন নামক একজনকে বিবাহ করে হাটবোয়ালিয়া, বাসাভাড়া করে থাকতে শুরু করে এবং ববিতা খাতুন ও তার সন্তানের কোন খোজ খবর নেয় না। ববিতা খাতুন বিভিন্ন জায়গায় তার সমস্যার সমাধান চেয়ে যোগাযোগ করেও কোন সমাধান না পেয়ে। অবশেষে তার অসহায়ত্ব থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য মান্যবর পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গা মহোদয়ের নিকট আসেন। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা মহোদয় উক্ত বিষয়টির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তার কার্যালয়ে অবস্থিত “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার” এর দায়িত্ব প্রাপ্ত এএসআই (নিরস্ত্র) মিতা রানী কে দায়িত্ব দেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ উভয় পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম এর প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় মোঃ আশাবুল ইসলাম তার স্ত্রী মোছাঃ ববিতা খাতুনের সাথে পুনরায় সংসার করতে ও সন্তানের ভরণ পোষন দিতে সম্মত হয়। অবশেষে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম এর হস্তক্ষেপে মোছাঃ ববিতা খাতুন ফিরে পেল তার সুখের সংসার ও আরিয়ান ফিরে পেল পিতৃ স্নেহ।