সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজা সেবনের প্রতিবাদ করায় দুই যুবককে মারধর, মাথা ফাটানোর অভিযোগ ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: গোডাউনসহ পুড়ে ছাই ৮ দোকান উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

দেশে করোনার আরেকটি ঢেউয়ের আশঙ্কা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৯:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১ ১১৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
দেশে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। এ অবস্থায় ঈদে যেভাবে মানুষ বাড়ি ফিরছে, তাতে দেশে করোনাভাইরাসের আরেকটি (তৃতীয়) ঢেউয়ের শঙ্কা তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।

মঙ্গলবার (১১ মে) বিকেল সাড়ে ৩টায় জরুরি ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্যে প্রদানকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক এসব কথা বলেন।
ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি সতর্ক করে বলেন, ঈদে আমরা যেভাবে গাদাগাদি করে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছি। এতে আমরা নিজেদের সর্বনাশ নিজেরা ডেকে আনছি। এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে করোনা সংক্রমণ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া মুশকিল হয়ে যাবে।
মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, আমরা এ বিষয়ে সঙ্কিত যে সংক্রমণ আবার বাড়ে কিনা। তবে বর্তমানে সারা দেশের কোভিড হাসপাতালগুলোতে সাড়ে ১২ হাজার সিট খালি আছে। এছাড়া দেশে শনাক্ত ও মৃত্যুর হারও কমেছে। দেশে করোনাভাইরাসের সেকেন্ড ওয়েভ মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।
তিনি বলেন, করোনা পৃথিবী থেকে কবে যাবে, তা কেউ বলতে পারে না। ফলে যতদিন করোনা থাকবে ততদিন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই।
অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ঈদের জামাত সীমিত আকারে করতে পারলে সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে। এ জন্য ঈদের জামাত খোলা স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে করার চেষ্টা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ঈদের নামাজ পড়ার পর কোলাকুলি করা যাবে না এবং হাত মেলানো যাবে না। এতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে। নামাজ পড়ার সময়ে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। আর পরবর্তী সময়ে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, ঈদের পর আমাদের বেশি বেশি করোনা পরীক্ষা করতে হবে। পরীক্ষা না করলে বিষয়টা কতটুকু ছড়াচ্ছে সেটা নিশ্চিত হওয়া যাবে না। আর আমাদের পরীক্ষার ফি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দেশে করোনার আরেকটি ঢেউয়ের আশঙ্কা।

আপডেট সময় : ১১:৩৯:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
দেশে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। এ অবস্থায় ঈদে যেভাবে মানুষ বাড়ি ফিরছে, তাতে দেশে করোনাভাইরাসের আরেকটি (তৃতীয়) ঢেউয়ের শঙ্কা তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।

মঙ্গলবার (১১ মে) বিকেল সাড়ে ৩টায় জরুরি ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্যে প্রদানকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক এসব কথা বলেন।
ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি সতর্ক করে বলেন, ঈদে আমরা যেভাবে গাদাগাদি করে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছি। এতে আমরা নিজেদের সর্বনাশ নিজেরা ডেকে আনছি। এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে করোনা সংক্রমণ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া মুশকিল হয়ে যাবে।
মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, আমরা এ বিষয়ে সঙ্কিত যে সংক্রমণ আবার বাড়ে কিনা। তবে বর্তমানে সারা দেশের কোভিড হাসপাতালগুলোতে সাড়ে ১২ হাজার সিট খালি আছে। এছাড়া দেশে শনাক্ত ও মৃত্যুর হারও কমেছে। দেশে করোনাভাইরাসের সেকেন্ড ওয়েভ মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।
তিনি বলেন, করোনা পৃথিবী থেকে কবে যাবে, তা কেউ বলতে পারে না। ফলে যতদিন করোনা থাকবে ততদিন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই।
অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ঈদের জামাত সীমিত আকারে করতে পারলে সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে। এ জন্য ঈদের জামাত খোলা স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে করার চেষ্টা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ঈদের নামাজ পড়ার পর কোলাকুলি করা যাবে না এবং হাত মেলানো যাবে না। এতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে। নামাজ পড়ার সময়ে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। আর পরবর্তী সময়ে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, ঈদের পর আমাদের বেশি বেশি করোনা পরীক্ষা করতে হবে। পরীক্ষা না করলে বিষয়টা কতটুকু ছড়াচ্ছে সেটা নিশ্চিত হওয়া যাবে না। আর আমাদের পরীক্ষার ফি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।