সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজা সেবনের প্রতিবাদ করায় দুই যুবককে মারধর, মাথা ফাটানোর অভিযোগ ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: গোডাউনসহ পুড়ে ছাই ৮ দোকান উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঢল ঠেকাতে বিজিবি মোতায়েন ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মে ২০২১ ১১০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঢল ঠেকাতে বিজিবি মোতায়েন করেছে সরকার। মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটকে ঘিরে দুই প্লাটুন বিজিবি ভাগ হয়ে কাজ করছেন।

জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণ ঝুঁকির মধ্যেই হাজার হাজার মানুষ গাদাগাদি করে ফেরি পার হচ্ছিল। শনিবার ফেরি পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছিল না। তাই বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
শনিবার (০৮ মে) রাত সাড়ে ৯টায় জানান জেলা প্রশাসক জানান, রাত থেকেই বিজিবি মাঠে কাজ শুরু করে দিয়েছে। একটি টিম ধলেশ্বরী সেতুর সামনে চেকপোস্ট বসিয়েছে। তারা কোনো জরুরি যানবাহন ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেবে না। বাকি সদস্যরা শিমুলিয়া ঘাট ও আশপাশে অবস্থান নিয়েছে।

এদিকে, দিনের বেলা ফেরি বন্ধের সরকারি ঘোষণার পর শনিবার ভোর সাড়ে ৩টা থেকে ফেরি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময়ে পারাপারের অপেক্ষায় ৪৮টি ছোট যান আটকা পড়ে শিমুলিয়া ঘাটে। পণ্যবাহী বেশ কিছু ট্রাকও লাইনে দাঁড়িয়ে ছিল। ফেরি বন্ধের ঘোষণার পরও লাখো মানুষের ঢল নামে শিমুলিয়া ঘাটে। সকাল সোয়া ৮টার দিকে বাংলাবাজার থেকে ৭টি অ্যাম্বোলেন্স নিয়ে কুঞ্জলতা নামে একটি ফেরি শিমুলিয়া ঘাটে ভিড়তেই হুমড়ি খেয়ে পড়ে মানুষ।
পরে পুলিশ মৃদু লাঠিচার্জ করে আটকে থাকা অ্যাম্বুলেন্সগুলো ফেরি থেকে নামিয়ে আনলেও লোকজনের স্রোত ঠেকাতে পারেনি। মুহূর্তেই ফেরি ভরে যায় হাজারো মানুষে। ফেরিটি টইটুম্বুর হবার পরও যাত্রীরা ফেরিতে উঠছিল। পরে ফেরিটি ছেড়ে মাঝ পদ্মায় নোঙ্গর করে রাখা হয়। পরবর্তীতে ফেরিটি শিমুলিয়া ঘাটে ফিরে আসলে জনতা ফেরি থেকে নামেনি। পরে ফেরিটি বাংলাবাজার ঘাটে এদের পার করে দেয়।

এরপর বেলা বাড়ার সাথে সাথে মানুষের চাপ আরও বাড়তে থাকে। ভোর রাত থেকে ছোট ছোট শিশু, বৃদ্ধ, নারী ঘাট এলাকায় প্রচণ্ড রোদে অপেক্ষা করছিল। এ সময় কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে মানবিক কারণে ২টি ফেরি দিয়ে বেলা সোয়া ১২টার দিকে কয়েক হাজার যাত্রী পার করা হয়। এ সময় কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দেয় আর কোনো ফেরি ছাড়া হবে না। বেলা ১টার দিকে ঘাট আবার জনসমুদ্রে পরিণত হয়। আস্তে আস্তে আবার জনতার চাপ বাড়তে থাকে। পরে বিকাল ৫টা থেকে রাতের পাশাপাশি দিনেও ৫টি ফেরি চলাচলের সিদ্ধান্ত নেয় বিআইডব্লিউটিসি।
বিআইডব্লিউটিসির সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম জানান জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রাতের পাশাপাশি দিনের বেলাও ৫টি ফেরি দিয়ে জরুরি যানবাহন পারাপার করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঢল ঠেকাতে বিজিবি মোতায়েন ।

আপডেট সময় : ০৫:৫১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মে ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঢল ঠেকাতে বিজিবি মোতায়েন করেছে সরকার। মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটকে ঘিরে দুই প্লাটুন বিজিবি ভাগ হয়ে কাজ করছেন।

জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণ ঝুঁকির মধ্যেই হাজার হাজার মানুষ গাদাগাদি করে ফেরি পার হচ্ছিল। শনিবার ফেরি পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছিল না। তাই বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
শনিবার (০৮ মে) রাত সাড়ে ৯টায় জানান জেলা প্রশাসক জানান, রাত থেকেই বিজিবি মাঠে কাজ শুরু করে দিয়েছে। একটি টিম ধলেশ্বরী সেতুর সামনে চেকপোস্ট বসিয়েছে। তারা কোনো জরুরি যানবাহন ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেবে না। বাকি সদস্যরা শিমুলিয়া ঘাট ও আশপাশে অবস্থান নিয়েছে।

এদিকে, দিনের বেলা ফেরি বন্ধের সরকারি ঘোষণার পর শনিবার ভোর সাড়ে ৩টা থেকে ফেরি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময়ে পারাপারের অপেক্ষায় ৪৮টি ছোট যান আটকা পড়ে শিমুলিয়া ঘাটে। পণ্যবাহী বেশ কিছু ট্রাকও লাইনে দাঁড়িয়ে ছিল। ফেরি বন্ধের ঘোষণার পরও লাখো মানুষের ঢল নামে শিমুলিয়া ঘাটে। সকাল সোয়া ৮টার দিকে বাংলাবাজার থেকে ৭টি অ্যাম্বোলেন্স নিয়ে কুঞ্জলতা নামে একটি ফেরি শিমুলিয়া ঘাটে ভিড়তেই হুমড়ি খেয়ে পড়ে মানুষ।
পরে পুলিশ মৃদু লাঠিচার্জ করে আটকে থাকা অ্যাম্বুলেন্সগুলো ফেরি থেকে নামিয়ে আনলেও লোকজনের স্রোত ঠেকাতে পারেনি। মুহূর্তেই ফেরি ভরে যায় হাজারো মানুষে। ফেরিটি টইটুম্বুর হবার পরও যাত্রীরা ফেরিতে উঠছিল। পরে ফেরিটি ছেড়ে মাঝ পদ্মায় নোঙ্গর করে রাখা হয়। পরবর্তীতে ফেরিটি শিমুলিয়া ঘাটে ফিরে আসলে জনতা ফেরি থেকে নামেনি। পরে ফেরিটি বাংলাবাজার ঘাটে এদের পার করে দেয়।

এরপর বেলা বাড়ার সাথে সাথে মানুষের চাপ আরও বাড়তে থাকে। ভোর রাত থেকে ছোট ছোট শিশু, বৃদ্ধ, নারী ঘাট এলাকায় প্রচণ্ড রোদে অপেক্ষা করছিল। এ সময় কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে মানবিক কারণে ২টি ফেরি দিয়ে বেলা সোয়া ১২টার দিকে কয়েক হাজার যাত্রী পার করা হয়। এ সময় কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দেয় আর কোনো ফেরি ছাড়া হবে না। বেলা ১টার দিকে ঘাট আবার জনসমুদ্রে পরিণত হয়। আস্তে আস্তে আবার জনতার চাপ বাড়তে থাকে। পরে বিকাল ৫টা থেকে রাতের পাশাপাশি দিনেও ৫টি ফেরি চলাচলের সিদ্ধান্ত নেয় বিআইডব্লিউটিসি।
বিআইডব্লিউটিসির সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম জানান জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রাতের পাশাপাশি দিনের বেলাও ৫টি ফেরি দিয়ে জরুরি যানবাহন পারাপার করা হবে।