সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজা সেবনের প্রতিবাদ করায় দুই যুবককে মারধর, মাথা ফাটানোর অভিযোগ ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: গোডাউনসহ পুড়ে ছাই ৮ দোকান উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

জাল টাকা সহ বরিশালের ২ ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আটক।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মে ২০২১ ১৫২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
প্রিন্টারে চাপ দিতেই বেরিয়ে আসছে চকচকে হাজার টাকার নোট। খালি চোখে দেখে বোঝার উপায় নেই এগুলো সবই জাল টাকা। রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে নয়াগাঁও এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে জাল টাকার কারখানা বসিয়েছিল একটি চক্র। চার সদস্যের চক্র। আছেন দুই ডিপ্লোমা প্রকৌশলীও। পেশা বদলে এখন তারা জাল নোটের বড় কারবারি। চক্রের মূল হোতা এর আগেও একই অপরাধে জেল খেটেছেন দু’বার। তাদের তৈরি করা ৪৬ লাখ টাকার জাল নোটসহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

এই চক্রের মূল হোতা পাইকারি বিক্রেতার কাছে প্রতি লাখ জাল টাকা বিক্রি করতেন ১০ থেকে ১২ হাজার টাকায়। পাইকারি বিক্রেতা খুচরা বিক্রেতার কাছে বিক্রি করতেন ১৪ থেকে ১৬ হাজার টাকায়। খুচরা বিক্রেতা আবার এক লাখ টাকা দ্বিতীয় খুচরা বিক্রেতার কাছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করতেন।
জাল টাকা তৈরির জন্য বিশেষ ধরনের কাগজ তৈরি, তাতে বিভিন্ন ধরনের আঠা, নিরাপত্তা চিহ্ন বসানো ও ছাপা হওয়ার পর নোটগুলোকে মূল নোটের মতো করে কাটার জন্য কারখানায় কারিগর রয়েছে ৩ জন। বেতন দেয়া হয় মাসে ২০ হাজার টাকা।

একজন বলেন, আমি বরিশাল পলিটেকনিক থেকে ডিপ্লোমা করেছি ২০১৮ সালে। এখানে ২০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করি। আমার কাজ হচ্ছে, এখান থেকে প্রিন্ট করা।
আরেকজন বলেন, আগে আমি গ্রামীণ ফোনে চাকরি করতাম। সেখান থেকে প্রলোভন দেখিয়ে আমাকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে। আমার কাজ হচ্ছে, কাজ যখন কমপ্লিট হয়, তখন সাইজ করা, রাবার দিয়ে বান্ডেল করা।

অভিযানে ৪৬ লাখ জাল টাকা এবং কয়েক কোটি টাকা জাল নোট তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়। পুলিশ বলছে, ঈদ সামনে রেখে চক্রটি তৎপর হয়ে উঠেছিল।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, লকডাউনের পর পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হতে যাচ্ছে। মানুষও দোকানপাটে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। তাই এই সুযোগে দুই ঈদকে কেন্দ্র করে বিপুল পরিমাণে জাল টাকা ছড়িয়ে দেয়ার জন্য এ চক্রটি চেষ্টা করছিল।
চক্রের ২ সদস্য পিয়াস ও ইমাম ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। মূল হোতা জীবনের প্ররোচনায় তারা এই পেশায় যুক্ত হন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জাল টাকা সহ বরিশালের ২ ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আটক।

আপডেট সময় : ০৬:১২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মে ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
প্রিন্টারে চাপ দিতেই বেরিয়ে আসছে চকচকে হাজার টাকার নোট। খালি চোখে দেখে বোঝার উপায় নেই এগুলো সবই জাল টাকা। রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে নয়াগাঁও এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে জাল টাকার কারখানা বসিয়েছিল একটি চক্র। চার সদস্যের চক্র। আছেন দুই ডিপ্লোমা প্রকৌশলীও। পেশা বদলে এখন তারা জাল নোটের বড় কারবারি। চক্রের মূল হোতা এর আগেও একই অপরাধে জেল খেটেছেন দু’বার। তাদের তৈরি করা ৪৬ লাখ টাকার জাল নোটসহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

এই চক্রের মূল হোতা পাইকারি বিক্রেতার কাছে প্রতি লাখ জাল টাকা বিক্রি করতেন ১০ থেকে ১২ হাজার টাকায়। পাইকারি বিক্রেতা খুচরা বিক্রেতার কাছে বিক্রি করতেন ১৪ থেকে ১৬ হাজার টাকায়। খুচরা বিক্রেতা আবার এক লাখ টাকা দ্বিতীয় খুচরা বিক্রেতার কাছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করতেন।
জাল টাকা তৈরির জন্য বিশেষ ধরনের কাগজ তৈরি, তাতে বিভিন্ন ধরনের আঠা, নিরাপত্তা চিহ্ন বসানো ও ছাপা হওয়ার পর নোটগুলোকে মূল নোটের মতো করে কাটার জন্য কারখানায় কারিগর রয়েছে ৩ জন। বেতন দেয়া হয় মাসে ২০ হাজার টাকা।

একজন বলেন, আমি বরিশাল পলিটেকনিক থেকে ডিপ্লোমা করেছি ২০১৮ সালে। এখানে ২০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করি। আমার কাজ হচ্ছে, এখান থেকে প্রিন্ট করা।
আরেকজন বলেন, আগে আমি গ্রামীণ ফোনে চাকরি করতাম। সেখান থেকে প্রলোভন দেখিয়ে আমাকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে। আমার কাজ হচ্ছে, কাজ যখন কমপ্লিট হয়, তখন সাইজ করা, রাবার দিয়ে বান্ডেল করা।

অভিযানে ৪৬ লাখ জাল টাকা এবং কয়েক কোটি টাকা জাল নোট তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়। পুলিশ বলছে, ঈদ সামনে রেখে চক্রটি তৎপর হয়ে উঠেছিল।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, লকডাউনের পর পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হতে যাচ্ছে। মানুষও দোকানপাটে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। তাই এই সুযোগে দুই ঈদকে কেন্দ্র করে বিপুল পরিমাণে জাল টাকা ছড়িয়ে দেয়ার জন্য এ চক্রটি চেষ্টা করছিল।
চক্রের ২ সদস্য পিয়াস ও ইমাম ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। মূল হোতা জীবনের প্ররোচনায় তারা এই পেশায় যুক্ত হন।