সংবাদ শিরোনাম ::
বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে, বাবুগঞ্জে নদী ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজের উদ্বোধন বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

জাল টাকা সহ বরিশালের ২ ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আটক।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মে ২০২১ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
প্রিন্টারে চাপ দিতেই বেরিয়ে আসছে চকচকে হাজার টাকার নোট। খালি চোখে দেখে বোঝার উপায় নেই এগুলো সবই জাল টাকা। রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে নয়াগাঁও এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে জাল টাকার কারখানা বসিয়েছিল একটি চক্র। চার সদস্যের চক্র। আছেন দুই ডিপ্লোমা প্রকৌশলীও। পেশা বদলে এখন তারা জাল নোটের বড় কারবারি। চক্রের মূল হোতা এর আগেও একই অপরাধে জেল খেটেছেন দু’বার। তাদের তৈরি করা ৪৬ লাখ টাকার জাল নোটসহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

এই চক্রের মূল হোতা পাইকারি বিক্রেতার কাছে প্রতি লাখ জাল টাকা বিক্রি করতেন ১০ থেকে ১২ হাজার টাকায়। পাইকারি বিক্রেতা খুচরা বিক্রেতার কাছে বিক্রি করতেন ১৪ থেকে ১৬ হাজার টাকায়। খুচরা বিক্রেতা আবার এক লাখ টাকা দ্বিতীয় খুচরা বিক্রেতার কাছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করতেন।
জাল টাকা তৈরির জন্য বিশেষ ধরনের কাগজ তৈরি, তাতে বিভিন্ন ধরনের আঠা, নিরাপত্তা চিহ্ন বসানো ও ছাপা হওয়ার পর নোটগুলোকে মূল নোটের মতো করে কাটার জন্য কারখানায় কারিগর রয়েছে ৩ জন। বেতন দেয়া হয় মাসে ২০ হাজার টাকা।

একজন বলেন, আমি বরিশাল পলিটেকনিক থেকে ডিপ্লোমা করেছি ২০১৮ সালে। এখানে ২০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করি। আমার কাজ হচ্ছে, এখান থেকে প্রিন্ট করা।
আরেকজন বলেন, আগে আমি গ্রামীণ ফোনে চাকরি করতাম। সেখান থেকে প্রলোভন দেখিয়ে আমাকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে। আমার কাজ হচ্ছে, কাজ যখন কমপ্লিট হয়, তখন সাইজ করা, রাবার দিয়ে বান্ডেল করা।

অভিযানে ৪৬ লাখ জাল টাকা এবং কয়েক কোটি টাকা জাল নোট তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়। পুলিশ বলছে, ঈদ সামনে রেখে চক্রটি তৎপর হয়ে উঠেছিল।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, লকডাউনের পর পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হতে যাচ্ছে। মানুষও দোকানপাটে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। তাই এই সুযোগে দুই ঈদকে কেন্দ্র করে বিপুল পরিমাণে জাল টাকা ছড়িয়ে দেয়ার জন্য এ চক্রটি চেষ্টা করছিল।
চক্রের ২ সদস্য পিয়াস ও ইমাম ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। মূল হোতা জীবনের প্ররোচনায় তারা এই পেশায় যুক্ত হন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জাল টাকা সহ বরিশালের ২ ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আটক।

আপডেট সময় : ০৬:১২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মে ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
প্রিন্টারে চাপ দিতেই বেরিয়ে আসছে চকচকে হাজার টাকার নোট। খালি চোখে দেখে বোঝার উপায় নেই এগুলো সবই জাল টাকা। রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে নয়াগাঁও এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে জাল টাকার কারখানা বসিয়েছিল একটি চক্র। চার সদস্যের চক্র। আছেন দুই ডিপ্লোমা প্রকৌশলীও। পেশা বদলে এখন তারা জাল নোটের বড় কারবারি। চক্রের মূল হোতা এর আগেও একই অপরাধে জেল খেটেছেন দু’বার। তাদের তৈরি করা ৪৬ লাখ টাকার জাল নোটসহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

এই চক্রের মূল হোতা পাইকারি বিক্রেতার কাছে প্রতি লাখ জাল টাকা বিক্রি করতেন ১০ থেকে ১২ হাজার টাকায়। পাইকারি বিক্রেতা খুচরা বিক্রেতার কাছে বিক্রি করতেন ১৪ থেকে ১৬ হাজার টাকায়। খুচরা বিক্রেতা আবার এক লাখ টাকা দ্বিতীয় খুচরা বিক্রেতার কাছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করতেন।
জাল টাকা তৈরির জন্য বিশেষ ধরনের কাগজ তৈরি, তাতে বিভিন্ন ধরনের আঠা, নিরাপত্তা চিহ্ন বসানো ও ছাপা হওয়ার পর নোটগুলোকে মূল নোটের মতো করে কাটার জন্য কারখানায় কারিগর রয়েছে ৩ জন। বেতন দেয়া হয় মাসে ২০ হাজার টাকা।

একজন বলেন, আমি বরিশাল পলিটেকনিক থেকে ডিপ্লোমা করেছি ২০১৮ সালে। এখানে ২০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করি। আমার কাজ হচ্ছে, এখান থেকে প্রিন্ট করা।
আরেকজন বলেন, আগে আমি গ্রামীণ ফোনে চাকরি করতাম। সেখান থেকে প্রলোভন দেখিয়ে আমাকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে। আমার কাজ হচ্ছে, কাজ যখন কমপ্লিট হয়, তখন সাইজ করা, রাবার দিয়ে বান্ডেল করা।

অভিযানে ৪৬ লাখ জাল টাকা এবং কয়েক কোটি টাকা জাল নোট তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়। পুলিশ বলছে, ঈদ সামনে রেখে চক্রটি তৎপর হয়ে উঠেছিল।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, লকডাউনের পর পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হতে যাচ্ছে। মানুষও দোকানপাটে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। তাই এই সুযোগে দুই ঈদকে কেন্দ্র করে বিপুল পরিমাণে জাল টাকা ছড়িয়ে দেয়ার জন্য এ চক্রটি চেষ্টা করছিল।
চক্রের ২ সদস্য পিয়াস ও ইমাম ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। মূল হোতা জীবনের প্ররোচনায় তারা এই পেশায় যুক্ত হন।