সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

শপিংমল ও দোকান খোলা রাখার সময় বাড়ল।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২১ ১৪১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে রাজধানীতে প্রতিদিন রাত ৯টা পর্যন্ত দোকান ও শপিংমল খোলা রাখা যাবে। রোববার (২৫ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

এর আগে গত ২৩ এপ্রিল দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখার বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখা যাবে। তবে অবশ্যই মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি।
এদিকে, ঈদের আগে সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যেই রোববার (২৫ এপ্রিল) দোকানপাট ও শপিংমল খুলে দেওয়ায় হুড়মুড়িয়ে আসছিলেন ক্রেতারা। স্বাস্থ্যবিধি মানা আর না মানার দ্বন্দ্বে ছিলেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। ছিল না মুভমেন্ট পাসের কোনো তোয়াক্কাও। যদিও শর্ত মেনে সুরক্ষার ব্যবস্থা না নিলে দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ ছিল মালিক সমিতির।

বেলা বাড়তেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় রাজধানীর নিউমার্কেটের ভেতর ও বাইরের অংশ। সকাল ১০টায় মার্কেট আর শপিংমল খোলার কথা; কিন্তু তার আগে থেকেই ভিড় লেগে যায় দোকান-মালিক–কর্মচারীদের। দিনের শুরুতেই স্বাস্থ্যবিধি তোয়াক্কাহীন। চোখে পড়ে অকেজো জীবাণুনাশক টানেল ও সামাজিক দূরত্ব শূন্যের কোঠায়।
সকালে ধূলাবালি ঝেড়ে পসরা সাজিয়ে বসতে বসতে দুপুর। সময় গড়াতেই চেহারা পাল্টে যেতে থাকে বাজারের। তবে গত বছর জীবাণুনাশক টানেল ছাড়াও কিছু স্বাস্থ্যবিধি মার্কেট কর্তৃপক্ষ নিলেও এবার তা পুরোপুরি ছিল অনুপস্থিত।
বেলা বাড়তেই কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মানার সর্বোচ্চ শর্ত মুখ থুবড়ে পড়ে স্বাস্থ্যবিধি মানা আর মানানোয় ক্রেতা-বিক্রেতাদের মুখোমুখি দোষারোপে।
এছাড়া লকডাউনের সময়টিতে মার্কেট আর শপিংমলে যেতে মুভমেন্ট পাস নেয়ার কথা থাকলেও সবার কাছে তা যেন ছিল অপ্রয়োজনীয় কোনো বিধি।
এর আগে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলালউদ্দিন জানান, স্বাস্থ্যবিধি মানতে না পারলে দোকান বন্ধ রাখতে হবে।
তবে মার্কেট ও শপিংমলের কারণে করোনা সংক্রমণ বাড়ার যে শঙ্কা তা ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের সচেতনতার ওপরই নির্ভর করছে বলে মনে করে মালিক সমিতি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শপিংমল ও দোকান খোলা রাখার সময় বাড়ল।

আপডেট সময় : ০৩:০৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে রাজধানীতে প্রতিদিন রাত ৯টা পর্যন্ত দোকান ও শপিংমল খোলা রাখা যাবে। রোববার (২৫ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

এর আগে গত ২৩ এপ্রিল দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখার বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখা যাবে। তবে অবশ্যই মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি।
এদিকে, ঈদের আগে সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যেই রোববার (২৫ এপ্রিল) দোকানপাট ও শপিংমল খুলে দেওয়ায় হুড়মুড়িয়ে আসছিলেন ক্রেতারা। স্বাস্থ্যবিধি মানা আর না মানার দ্বন্দ্বে ছিলেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। ছিল না মুভমেন্ট পাসের কোনো তোয়াক্কাও। যদিও শর্ত মেনে সুরক্ষার ব্যবস্থা না নিলে দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ ছিল মালিক সমিতির।

বেলা বাড়তেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় রাজধানীর নিউমার্কেটের ভেতর ও বাইরের অংশ। সকাল ১০টায় মার্কেট আর শপিংমল খোলার কথা; কিন্তু তার আগে থেকেই ভিড় লেগে যায় দোকান-মালিক–কর্মচারীদের। দিনের শুরুতেই স্বাস্থ্যবিধি তোয়াক্কাহীন। চোখে পড়ে অকেজো জীবাণুনাশক টানেল ও সামাজিক দূরত্ব শূন্যের কোঠায়।
সকালে ধূলাবালি ঝেড়ে পসরা সাজিয়ে বসতে বসতে দুপুর। সময় গড়াতেই চেহারা পাল্টে যেতে থাকে বাজারের। তবে গত বছর জীবাণুনাশক টানেল ছাড়াও কিছু স্বাস্থ্যবিধি মার্কেট কর্তৃপক্ষ নিলেও এবার তা পুরোপুরি ছিল অনুপস্থিত।
বেলা বাড়তেই কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মানার সর্বোচ্চ শর্ত মুখ থুবড়ে পড়ে স্বাস্থ্যবিধি মানা আর মানানোয় ক্রেতা-বিক্রেতাদের মুখোমুখি দোষারোপে।
এছাড়া লকডাউনের সময়টিতে মার্কেট আর শপিংমলে যেতে মুভমেন্ট পাস নেয়ার কথা থাকলেও সবার কাছে তা যেন ছিল অপ্রয়োজনীয় কোনো বিধি।
এর আগে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলালউদ্দিন জানান, স্বাস্থ্যবিধি মানতে না পারলে দোকান বন্ধ রাখতে হবে।
তবে মার্কেট ও শপিংমলের কারণে করোনা সংক্রমণ বাড়ার যে শঙ্কা তা ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের সচেতনতার ওপরই নির্ভর করছে বলে মনে করে মালিক সমিতি।