সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় নাম্বারপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা রেঞ্জের নবগত ডিআইজি কে নিয়ে অপপ্রচারের মেতে উঠেছে কুচক্রী মহল নারীসহ ফ্ল্যাটে ওসি আটক, ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’র বিস্ফোরক অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজা সেবনের প্রতিবাদ করায় দুই যুবককে মারধর, মাথা ফাটানোর অভিযোগ ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: গোডাউনসহ পুড়ে ছাই ৮ দোকান উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

মৃত সেই সহিদা বেগম জীবিত হয়ে ব্যাংকে গিয়ে টাকা তুললেন।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০১:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১ ১১০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
ভোটার তালিকায় মৃত দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার বাসিন্দা সহিদা বেগম (৪৮) অবশেষে ‘জীবিত’ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তাকে জীবিত হিসেবে অন্তুর্ভুক্ত করে নতুন সার্টিফিকেট দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মালেক বিষয়টি নিশ্চি করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সহিদা বেগমের স্বামী মারা গেছেন এক যুগ আগে। স্বামী ছিলেন ভূমি অফিসের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী। স্বামীর মৃত্যুর পর অবসরভাতা উত্তোলন করে কোনো রকমে সংসার চলছিল তার। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের গাফিলতির কারণে ভোটার তালিকায় তিনি ‘মৃত’ হয়ে যান। জীবিত থেকেও ভোটার তালিকায় তাকে ‘মৃত’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করায় প্রায় ১৪ মাস ধরে স্বামীর অবসরভাতা তুলতে পারছিলেন না সহিদা বেগম। এনিয়ে জাগোনিউজ২৪.কম-এ ‘জীবিত’ থাকতেও সহিদা বেগমকে মেরে ফেলল কে শিরোনামে ১৬ এপ্রিল সংবাদ প্রকাশিত হলে টনক নড়ে নির্বাচন কমিশনের। বৃদ্ধা সহিদা বেগমকে ভোটার তালিকায় জীবিত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে কমিশন।

ভোটার তালিকায় পুনরায় জীবিত হওয়া বৃদ্ধা সহিদা বেগম বলেন, ‘সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন আমার নাম জীবিত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সার্টিফিকেট দিয়েছে। সেই সার্টিফিকেট দিয়ে আমি আজ বৃহস্পতিবার ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করেছি।’

এ ব্যাপারে চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মালেক বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় সহিদা বেগমকে ভূলবশত ‘মৃত’ দেখানো হয়েছিল। আমরা তার নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় ‘জীবিত’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সার্টিফিকেট প্রদান করেছি।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ব্যাংকে অবসরভাতা উত্তোলন করতে গিয়ে সহিদা বেগম জানতে পারেন তিনি ‘মৃত’। এরপর থেকে বন্ধ হয়ে যায় অবসরভাতা উত্তোলন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মৃত সেই সহিদা বেগম জীবিত হয়ে ব্যাংকে গিয়ে টাকা তুললেন।

আপডেট সময় : ১২:০১:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
ভোটার তালিকায় মৃত দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার বাসিন্দা সহিদা বেগম (৪৮) অবশেষে ‘জীবিত’ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তাকে জীবিত হিসেবে অন্তুর্ভুক্ত করে নতুন সার্টিফিকেট দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মালেক বিষয়টি নিশ্চি করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সহিদা বেগমের স্বামী মারা গেছেন এক যুগ আগে। স্বামী ছিলেন ভূমি অফিসের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী। স্বামীর মৃত্যুর পর অবসরভাতা উত্তোলন করে কোনো রকমে সংসার চলছিল তার। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের গাফিলতির কারণে ভোটার তালিকায় তিনি ‘মৃত’ হয়ে যান। জীবিত থেকেও ভোটার তালিকায় তাকে ‘মৃত’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করায় প্রায় ১৪ মাস ধরে স্বামীর অবসরভাতা তুলতে পারছিলেন না সহিদা বেগম। এনিয়ে জাগোনিউজ২৪.কম-এ ‘জীবিত’ থাকতেও সহিদা বেগমকে মেরে ফেলল কে শিরোনামে ১৬ এপ্রিল সংবাদ প্রকাশিত হলে টনক নড়ে নির্বাচন কমিশনের। বৃদ্ধা সহিদা বেগমকে ভোটার তালিকায় জীবিত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে কমিশন।

ভোটার তালিকায় পুনরায় জীবিত হওয়া বৃদ্ধা সহিদা বেগম বলেন, ‘সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন আমার নাম জীবিত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সার্টিফিকেট দিয়েছে। সেই সার্টিফিকেট দিয়ে আমি আজ বৃহস্পতিবার ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করেছি।’

এ ব্যাপারে চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মালেক বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় সহিদা বেগমকে ভূলবশত ‘মৃত’ দেখানো হয়েছিল। আমরা তার নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় ‘জীবিত’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সার্টিফিকেট প্রদান করেছি।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ব্যাংকে অবসরভাতা উত্তোলন করতে গিয়ে সহিদা বেগম জানতে পারেন তিনি ‘মৃত’। এরপর থেকে বন্ধ হয়ে যায় অবসরভাতা উত্তোলন।