সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ঘোড়াঘাটে মাদক সেবলের বিস্তার ৬ মাদক সেবীর কারাদন্ড উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী জীবননগর ও উথলী বিজিবি হাতে ভারতীয় কীটনাশক,মদ,ভায়াগ্রাসহ মহেশপুর সীমান্তে ৬ হিজড়া আটক বাবুগঞ্জ রহমতপুর ইউনিয়নে তরুণ সমাজসেবক শিমুল সিকদারের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ ভাণ্ডারিয়ায় মাদক প্রতিরোধে গঠিত জেলা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঝালকাঠিতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ১৮ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীকে সংবর্ধনা প্রদান চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সেক্রেটারী আটক সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির পাওনা পরিবারকে বুঝিয়ে দিল সমকাল কর্তৃপক্ষ কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা

রাজধানীতে কেয়ারটেকারের সহায়তায় ঘটছে ডাকাতি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ এপ্রিল ২০২১ ১৯২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
ছিলেন বাড়ির কেয়ারটেকার। কৌশলে ১৮ থেকে ২০ জনের সংঘবদ্ধ দলের সহযোগিতায় গৃহকর্তা ও সন্তানদের অস্ত্রের মুখে জিম্মির পর সর্বস্ব লুট করে পালায়। রাজধানীতে পরিচিত, নিজস্ব কিংবা বাড়ির কাজের সহযোগীদের হাতে প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট-বড় চুরি ও ডাকাতির ঘটনা। অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গৃহকর্মের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সঠিক তথ্য ও পরিচয়পত্র সংরক্ষণ করতে হবে। প্রয়োজনে অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা বাসায় ব্যবহার করতে হবে। অন্যদিকে, পুলিশ বলছে, বাসাবাড়িতে চুরি-ডাকাতি নিয়ন্ত্রণে সচেতন হতে হবে বাসিন্দাদের।

আনসার আলী। বাড়ি নির্মাণের সময় থেকে শুরু করে ছিলেন শেষ পর্যন্ত কেয়ারটেকার হিসেবে। একদিন সুযোগ বুঝে ৮ তলা ভবনে একে একে ১৮ থেকে ২০ জন দুর্বৃত্তদের সঙ্গে নিয়ে প্রবেশ করেন ডাকাতির উদ্দেশ্যে। ভবনের নাড়ি নক্ষত্র জানা এই আনসার আলী তার সহযোগীদের নিয়ে কেটে ফেলেন সিসি ক্যামেরার সংযোগের তার।
পুরে উত্তর কাফরুলের বাসিন্দা এক ঠিকাদারের স্ত্রী সন্তানকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের পর লুটে নেয় সর্বস্ব।

ভুক্তভোগী জানান, দরজা খোলার সঙ্গে ১০-১২ জন ছেলে একটা অস্ত্র ধরছে। এরপর মুখে বেঁধে সব নিয়ে যায়।
এমন সব চুরি-ডাকাতির ঘটনায়, কেয়ারটেকার, গাড়িচালক, গৃহকর্মী কিংবা দারোয়ানের সরাসরি জড়িত থাকার অনেক উদাহরণই রয়েছে রাজধানীতে। কখনও কখনও এদের আক্রোশের কাছে জীবনও দিতে হয় সাধারণ মানুষের। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে এদের বেশির ভাগ গ্রেফতারও হচ্ছে।
সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ তৌহিদুল হক বলেন, কোন জায়গায় ছুরি-ছিনতাই করতে হলে অবশ্যই তার প্রবেশদ্বার ও বের হওয়ার পথ জানা থাকতে হবে। অপরাধীরা সেটা নিশ্চিত করে ঘটনাগুলো করে থাকে। এ জন্য দারোয়ান ও বুয়াদের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রাখতে হবে। একই সঙ্গে বাসার অভ্যন্তরে সিসি ক্যামেরা রাখতে হবে।
ডিএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার ইফতেখায়রুল ইসলাম বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় কোনো ঘাটতি নেই। চুরি-ডাকাতির ক্ষেত্রে বাসিন্দাদের সচেতন হতে হবে নিজেদেরই।
রাজধানীতে, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষায়িত বেশ কয়েকটি দল মাঠে কাজ করেছে বলেও জানান ডিএমপির কর্মকর্তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাজধানীতে কেয়ারটেকারের সহায়তায় ঘটছে ডাকাতি।

আপডেট সময় : ১০:১৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ এপ্রিল ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
ছিলেন বাড়ির কেয়ারটেকার। কৌশলে ১৮ থেকে ২০ জনের সংঘবদ্ধ দলের সহযোগিতায় গৃহকর্তা ও সন্তানদের অস্ত্রের মুখে জিম্মির পর সর্বস্ব লুট করে পালায়। রাজধানীতে পরিচিত, নিজস্ব কিংবা বাড়ির কাজের সহযোগীদের হাতে প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট-বড় চুরি ও ডাকাতির ঘটনা। অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গৃহকর্মের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সঠিক তথ্য ও পরিচয়পত্র সংরক্ষণ করতে হবে। প্রয়োজনে অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা বাসায় ব্যবহার করতে হবে। অন্যদিকে, পুলিশ বলছে, বাসাবাড়িতে চুরি-ডাকাতি নিয়ন্ত্রণে সচেতন হতে হবে বাসিন্দাদের।

আনসার আলী। বাড়ি নির্মাণের সময় থেকে শুরু করে ছিলেন শেষ পর্যন্ত কেয়ারটেকার হিসেবে। একদিন সুযোগ বুঝে ৮ তলা ভবনে একে একে ১৮ থেকে ২০ জন দুর্বৃত্তদের সঙ্গে নিয়ে প্রবেশ করেন ডাকাতির উদ্দেশ্যে। ভবনের নাড়ি নক্ষত্র জানা এই আনসার আলী তার সহযোগীদের নিয়ে কেটে ফেলেন সিসি ক্যামেরার সংযোগের তার।
পুরে উত্তর কাফরুলের বাসিন্দা এক ঠিকাদারের স্ত্রী সন্তানকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের পর লুটে নেয় সর্বস্ব।

ভুক্তভোগী জানান, দরজা খোলার সঙ্গে ১০-১২ জন ছেলে একটা অস্ত্র ধরছে। এরপর মুখে বেঁধে সব নিয়ে যায়।
এমন সব চুরি-ডাকাতির ঘটনায়, কেয়ারটেকার, গাড়িচালক, গৃহকর্মী কিংবা দারোয়ানের সরাসরি জড়িত থাকার অনেক উদাহরণই রয়েছে রাজধানীতে। কখনও কখনও এদের আক্রোশের কাছে জীবনও দিতে হয় সাধারণ মানুষের। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে এদের বেশির ভাগ গ্রেফতারও হচ্ছে।
সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ তৌহিদুল হক বলেন, কোন জায়গায় ছুরি-ছিনতাই করতে হলে অবশ্যই তার প্রবেশদ্বার ও বের হওয়ার পথ জানা থাকতে হবে। অপরাধীরা সেটা নিশ্চিত করে ঘটনাগুলো করে থাকে। এ জন্য দারোয়ান ও বুয়াদের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রাখতে হবে। একই সঙ্গে বাসার অভ্যন্তরে সিসি ক্যামেরা রাখতে হবে।
ডিএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার ইফতেখায়রুল ইসলাম বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় কোনো ঘাটতি নেই। চুরি-ডাকাতির ক্ষেত্রে বাসিন্দাদের সচেতন হতে হবে নিজেদেরই।
রাজধানীতে, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষায়িত বেশ কয়েকটি দল মাঠে কাজ করেছে বলেও জানান ডিএমপির কর্মকর্তারা।