সংবাদ শিরোনাম ::
বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে, বাবুগঞ্জে নদী ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজের উদ্বোধন বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

জগন্নাথপুরে নলজুর নদী খননের মাটি হরিলুট চলছে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩১:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ এপ্রিল ২০২১ ৮৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিলেট প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নদী খননের মাটি হরিলুট চলছে। এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। জানাগেছে, গত কয়েক মাস ধরে চলছে নলজুর নদী খনন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে বাদাউড়া নদীর মুখ থেকে এরালিয়া বাজার পর্যন্ত ৫ কিলোমিটর নদী খনন কাজ হচ্ছে। এর মধ্যে হাসিমাবাদ এলাকায় খননকালে উত্তোলনকৃত মাটি যে যেভাবে পারছে হরিলুট করে নিয়ে যাচ্ছে। আবার এসব মাটি বিভিন্ন স্থানে বিক্রির অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা।
২ এপ্রিল শুক্রবার সরজমিনে দেখা যায়, নদী খননের স্তুপকৃত মাটি এক্সেভেটর মেশিন দিয়ে কেটে ট্রাক ও ড্রাম ট্রাকে ভর্তি করা হচ্ছে। ৭/৮টি ট্রাক এসব মাটি এনে ভরাট করছে স্লুইচ গেইট এলাকার আলী আহমদের মালিকানা জমি ও সড়কের সাথে থাকা সরকারি খাল। এ বিষয়ে আলী আহমদ বলেন, নদী খননের মাটি আমার ও আরো বিভিন্ন মালিকানা জমিতে রাখা হয়েছে। জমি আবাদের স্বার্থে এসব মাটি এনেছি। এতেও বিভিন্ন মানুষ জমির ভূয়া মালিক সেজে চাঁদা দাবি সহ আমাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি কারো কাছে মাটি বিক্রি করিনা। আমার জমি ভরাট করছি। অন্যরাও সরকারি খাল ভরাট করেছেন। তাই আমার জমির সামনে থাকা খাল আমিও ভরাট করছি।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের জগন্নাথপুর উপজেলার দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারি প্রকৌশলী হাসান গাজী বলেন, আলী আহমদকে কিছু মাটি নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে। জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, নদী খননের মাটি নদী পাড়ে স্তুপ করে রাখা আছে। বর্ষায় পানির ঢেউয়ে এসব মাটি আবার নদীতে পড়ে ভরাট হয়ে যাবে। তাই অতিরিক্ত মাটি সরানো প্রয়োজন। এ জন্য এসব মাটি সরিয়ে নিতে জমির মালিকদের বলা হয়েছে। তিনি বলেন, শুধু আলী আহমদ নয়, আরো বিভিন্ন মানুষ মাটি নিচ্ছে। তবে কোথাও বিক্রি করা যাবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জগন্নাথপুরে নলজুর নদী খননের মাটি হরিলুট চলছে।

আপডেট সময় : ০৪:৩১:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ এপ্রিল ২০২১

সিলেট প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নদী খননের মাটি হরিলুট চলছে। এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। জানাগেছে, গত কয়েক মাস ধরে চলছে নলজুর নদী খনন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে বাদাউড়া নদীর মুখ থেকে এরালিয়া বাজার পর্যন্ত ৫ কিলোমিটর নদী খনন কাজ হচ্ছে। এর মধ্যে হাসিমাবাদ এলাকায় খননকালে উত্তোলনকৃত মাটি যে যেভাবে পারছে হরিলুট করে নিয়ে যাচ্ছে। আবার এসব মাটি বিভিন্ন স্থানে বিক্রির অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা।
২ এপ্রিল শুক্রবার সরজমিনে দেখা যায়, নদী খননের স্তুপকৃত মাটি এক্সেভেটর মেশিন দিয়ে কেটে ট্রাক ও ড্রাম ট্রাকে ভর্তি করা হচ্ছে। ৭/৮টি ট্রাক এসব মাটি এনে ভরাট করছে স্লুইচ গেইট এলাকার আলী আহমদের মালিকানা জমি ও সড়কের সাথে থাকা সরকারি খাল। এ বিষয়ে আলী আহমদ বলেন, নদী খননের মাটি আমার ও আরো বিভিন্ন মালিকানা জমিতে রাখা হয়েছে। জমি আবাদের স্বার্থে এসব মাটি এনেছি। এতেও বিভিন্ন মানুষ জমির ভূয়া মালিক সেজে চাঁদা দাবি সহ আমাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি কারো কাছে মাটি বিক্রি করিনা। আমার জমি ভরাট করছি। অন্যরাও সরকারি খাল ভরাট করেছেন। তাই আমার জমির সামনে থাকা খাল আমিও ভরাট করছি।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের জগন্নাথপুর উপজেলার দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারি প্রকৌশলী হাসান গাজী বলেন, আলী আহমদকে কিছু মাটি নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে। জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, নদী খননের মাটি নদী পাড়ে স্তুপ করে রাখা আছে। বর্ষায় পানির ঢেউয়ে এসব মাটি আবার নদীতে পড়ে ভরাট হয়ে যাবে। তাই অতিরিক্ত মাটি সরানো প্রয়োজন। এ জন্য এসব মাটি সরিয়ে নিতে জমির মালিকদের বলা হয়েছে। তিনি বলেন, শুধু আলী আহমদ নয়, আরো বিভিন্ন মানুষ মাটি নিচ্ছে। তবে কোথাও বিক্রি করা যাবে না।