সংবাদ শিরোনাম ::
বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে, বাবুগঞ্জে নদী ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজের উদ্বোধন বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

সুনামগঞ্জের শাল্লায় হিন্দু বাড়ি ঘরে হামলা ও ভাঙচুরে এখনও মামলা হয়নি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ মার্চ ২০২১ ১৩১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সুনামগঞ্জের নোওয়াগাঁও গ্রামের হিন্দু যুবকের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসের কারণে শাল্লার পুরো হিন্দু গ্রাম তছনছ করে দিয়েছে হেফাজতে ইসলামেমর নেতা মামুনুল হকের সমর্থক ও অনুসারীরা। ১৬ মার্চ মঙ্গল বার এক হিন্দু যুবক হেফজাতে ইসলামের নেতা মামুনুল হক নিয়ে সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য করলে পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে উঠে এবং হেফাজতে ইসলামের সমর্থক ও অনুসারী শাল্লা গ্রামে হিন্দু পরিবারগুলোর উপর হামলা ও ভাঙচুর লোঠ পাট চালায়। এ ঘটনায় বুধবার শেষ রাত পর্যন্ত এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। হিন্দু সম্প্রদায়ের দাবী ঘটনার দিন সকালে পুলিশসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিই হামলা চালানো হয়। তছনছ করে দেওয়া হয় পুরো একটি গ্রাম। এ দিকে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক বলেন, তারা যেখানে জড়ো হয়ে ছিলো পুলিশ সেখানে অবস্থান নিয়ে ছিলো। কিন্তু হঠাৎ কিছু লোক নদী পার হয়ে বাড়ি ঘরে হামলা চালায়। তবে পুলিশ এঘটার নিবিড় পর্যবেক্ষনে রয়েছে, এর পিছনে কারণ,কারা এই ঘটনার পেছনে রয়েছে তা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছে।
শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল-মুক্তাদির হোসেন বলেন, পুলিশ হামলাকারীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে। তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, যে জায়গায় ঘটনা ঘটেছে তা একে বারে প্রত্যন্ত এলাকা। থানা থেকে মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থলে যেতেও ৮০ মিনিট লাগে। ফলে পুলিশের পক্ষে তাৎক্ষণিক কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত করছে। তাছাড়া এখন পর্যন্ত কেউ এ ঘটনার বাদী হয়নী বিধায় মামলাও করেনি।
হিন্দু সম্প্রদায়ের হামলার ঘটনায় গোঠা সিলেটের হিন্দু সংগঠন এর তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা এখনও বিষয়টি পর্যবেক্ষনে রয়েছেন। হামলা কারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নিলে তারা আন্দোলনে নামবেন বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছক হিন্দ ঐক্য পরিষদের এক নেতা। এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে পুলিশ মামলা কিংবা হামকারীকের গ্রেফতার না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সুনামগঞ্জের শাল্লায় হিন্দু বাড়ি ঘরে হামলা ও ভাঙচুরে এখনও মামলা হয়নি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৮:৪৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ মার্চ ২০২১

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সুনামগঞ্জের নোওয়াগাঁও গ্রামের হিন্দু যুবকের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসের কারণে শাল্লার পুরো হিন্দু গ্রাম তছনছ করে দিয়েছে হেফাজতে ইসলামেমর নেতা মামুনুল হকের সমর্থক ও অনুসারীরা। ১৬ মার্চ মঙ্গল বার এক হিন্দু যুবক হেফজাতে ইসলামের নেতা মামুনুল হক নিয়ে সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য করলে পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে উঠে এবং হেফাজতে ইসলামের সমর্থক ও অনুসারী শাল্লা গ্রামে হিন্দু পরিবারগুলোর উপর হামলা ও ভাঙচুর লোঠ পাট চালায়। এ ঘটনায় বুধবার শেষ রাত পর্যন্ত এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। হিন্দু সম্প্রদায়ের দাবী ঘটনার দিন সকালে পুলিশসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিই হামলা চালানো হয়। তছনছ করে দেওয়া হয় পুরো একটি গ্রাম। এ দিকে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক বলেন, তারা যেখানে জড়ো হয়ে ছিলো পুলিশ সেখানে অবস্থান নিয়ে ছিলো। কিন্তু হঠাৎ কিছু লোক নদী পার হয়ে বাড়ি ঘরে হামলা চালায়। তবে পুলিশ এঘটার নিবিড় পর্যবেক্ষনে রয়েছে, এর পিছনে কারণ,কারা এই ঘটনার পেছনে রয়েছে তা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছে।
শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল-মুক্তাদির হোসেন বলেন, পুলিশ হামলাকারীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে। তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, যে জায়গায় ঘটনা ঘটেছে তা একে বারে প্রত্যন্ত এলাকা। থানা থেকে মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থলে যেতেও ৮০ মিনিট লাগে। ফলে পুলিশের পক্ষে তাৎক্ষণিক কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত করছে। তাছাড়া এখন পর্যন্ত কেউ এ ঘটনার বাদী হয়নী বিধায় মামলাও করেনি।
হিন্দু সম্প্রদায়ের হামলার ঘটনায় গোঠা সিলেটের হিন্দু সংগঠন এর তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা এখনও বিষয়টি পর্যবেক্ষনে রয়েছেন। হামলা কারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নিলে তারা আন্দোলনে নামবেন বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছক হিন্দ ঐক্য পরিষদের এক নেতা। এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে পুলিশ মামলা কিংবা হামকারীকের গ্রেফতার না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।