সংবাদ শিরোনাম ::
বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে, বাবুগঞ্জে নদী ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজের উদ্বোধন বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

সিলেটে বিআরটি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় !! দেখার কেউ নেই। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ ২০২১ ১২৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিলেট প্রতিনিধি : টাইগার আইটি বাংলাদেশ লিমিটেড নামে একটি দেশীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি রয়েছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি’র (বিআরটিএ)। চুক্তি অনুসারে সিএনজি অটোরিকশার ডিজিটাল নম্বর প্লেট এবং ডিজিটা রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ডিআরসি), ডিজিটাল ড্রাইভিং লাইসেন্স সরবরাহ করার দায়িত্ব এ প্রতিষ্ঠানের। এ সুবাদেই নগরীর বন্দরবাজারস্থ বিআরটিএ কার্যালয়ের একটি কক্ষ নির্ধারিত রয়েছে টাইগার আইটি’র জন্য। প্রতিষ্ঠানের সিলেট সার্কেলের ইনচার্জ সানাউল্লাহ ফকির বসেন ওই কক্ষে। অভিযোগ রয়েছে, ওই কক্ষ থেকে বিআরটিএ’র অজান্তে এক সিএনজি অটোরিকশার ডিজিটাল নম্বর প্লেট এবং ডিআরসি উঠে আসে অন্যজনের হাতে।
জানা গেছে, বর্তমানে নতুন করে সিএনজি অটোরিকশার রেজিস্ট্রেশন দিচ্ছে না বিআরটিএ। কিন্তু পুরোনো গাড়ি গুলোতে ডিআরসি এবং ডিজিটাল নম্বর প্লেট প্রদান করা হচ্ছে এখনো। সিলেট বিআরটিএ কার্যালয় থেকে যানবাহনের ডিআরসি এবং ডিজিটাল নম্বর প্লেট সংগ্রহ করেন সিএনজি অটোরিকশা মালিকেরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিলেটের অনেক সিএনজি অটোরিকশা মালিক নিজেদের গাড়ি বিক্রি করে দিয়েছেন। কোনো কোনো গাড়ি দুই থেকে তিন মালিকের হাত বদল হয়েছে। অনেক গাড়ি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। প্রকৃত মালিকেরা যোগাযোগ না করায় ওই গাড়ি গুলোর ডিআরসি ও ডিজিটাল নম্বর প্লেট তৈরি হয়ে আছে বিআরটিএ সিলেট অফিস অপরদিকে, নতুন গাড়ির রেজিস্ট্রেশন প্রদান বন্ধ থাকলেও বন্ধ হয়নি নতুন সিএনজি অটোরিকশা বিক্রি। প্রতিনিয়তই সড়কে নামছে গাড়ি গুলো। অভিযোগ, তৈরি হয়ে থাকা পুরনো অটোরিকশার ডিআরসি এবং ডিজিটাল নম্বর প্লেটগুলোই সানাউল্লাহ ফকির তুলে দিচ্ছেন নতুন অটোরিকশার মালিকদের হাতে। ওয়ার্কশপে চেসিস নম্বর বদলে পুরোনো গাড়ির নম্বর বসিয়ে দিলেই কেল্লা ফতে। নতুন গাড়ির মালিক পেয়ে যান ডিজিটাল ব্ল-ব্লুক বা ডিআরসি। এমনও অভিযোগ রয়েছে, কখনও কখনও একই ডিআরসি এবং ডিজিটাল নম্বর প্লেট বুঝিয়ে দেওয়া হয় একাধিক গাড়ির মালিককে।
এ ব্যাপারে সানাউল্লাহ ফকিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সকল দায়ভার বিআরটিএ সিলেট অফিসের সহকারী পরিচালকের উপর দিয়ে বলেন, এডি স্যারের লিখিত নির্দেশে আমরা পাঞ্চ করা চেসিসে ডিজিটাল নম্বর প্লেট লাগিয়ে দেই।
বিআরটিএ সিলেট অফিসের সহকারী পরিচালক (এডি) সানাউল হক জানান, অসম্ভব। এটা হতেই পারে না। আমি কখনো এরকম কোনো নির্দেশ দেই নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সিলেটে বিআরটি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় !! দেখার কেউ নেই। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৯:১৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ ২০২১

সিলেট প্রতিনিধি : টাইগার আইটি বাংলাদেশ লিমিটেড নামে একটি দেশীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি রয়েছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি’র (বিআরটিএ)। চুক্তি অনুসারে সিএনজি অটোরিকশার ডিজিটাল নম্বর প্লেট এবং ডিজিটা রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ডিআরসি), ডিজিটাল ড্রাইভিং লাইসেন্স সরবরাহ করার দায়িত্ব এ প্রতিষ্ঠানের। এ সুবাদেই নগরীর বন্দরবাজারস্থ বিআরটিএ কার্যালয়ের একটি কক্ষ নির্ধারিত রয়েছে টাইগার আইটি’র জন্য। প্রতিষ্ঠানের সিলেট সার্কেলের ইনচার্জ সানাউল্লাহ ফকির বসেন ওই কক্ষে। অভিযোগ রয়েছে, ওই কক্ষ থেকে বিআরটিএ’র অজান্তে এক সিএনজি অটোরিকশার ডিজিটাল নম্বর প্লেট এবং ডিআরসি উঠে আসে অন্যজনের হাতে।
জানা গেছে, বর্তমানে নতুন করে সিএনজি অটোরিকশার রেজিস্ট্রেশন দিচ্ছে না বিআরটিএ। কিন্তু পুরোনো গাড়ি গুলোতে ডিআরসি এবং ডিজিটাল নম্বর প্লেট প্রদান করা হচ্ছে এখনো। সিলেট বিআরটিএ কার্যালয় থেকে যানবাহনের ডিআরসি এবং ডিজিটাল নম্বর প্লেট সংগ্রহ করেন সিএনজি অটোরিকশা মালিকেরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিলেটের অনেক সিএনজি অটোরিকশা মালিক নিজেদের গাড়ি বিক্রি করে দিয়েছেন। কোনো কোনো গাড়ি দুই থেকে তিন মালিকের হাত বদল হয়েছে। অনেক গাড়ি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। প্রকৃত মালিকেরা যোগাযোগ না করায় ওই গাড়ি গুলোর ডিআরসি ও ডিজিটাল নম্বর প্লেট তৈরি হয়ে আছে বিআরটিএ সিলেট অফিস অপরদিকে, নতুন গাড়ির রেজিস্ট্রেশন প্রদান বন্ধ থাকলেও বন্ধ হয়নি নতুন সিএনজি অটোরিকশা বিক্রি। প্রতিনিয়তই সড়কে নামছে গাড়ি গুলো। অভিযোগ, তৈরি হয়ে থাকা পুরনো অটোরিকশার ডিআরসি এবং ডিজিটাল নম্বর প্লেটগুলোই সানাউল্লাহ ফকির তুলে দিচ্ছেন নতুন অটোরিকশার মালিকদের হাতে। ওয়ার্কশপে চেসিস নম্বর বদলে পুরোনো গাড়ির নম্বর বসিয়ে দিলেই কেল্লা ফতে। নতুন গাড়ির মালিক পেয়ে যান ডিজিটাল ব্ল-ব্লুক বা ডিআরসি। এমনও অভিযোগ রয়েছে, কখনও কখনও একই ডিআরসি এবং ডিজিটাল নম্বর প্লেট বুঝিয়ে দেওয়া হয় একাধিক গাড়ির মালিককে।
এ ব্যাপারে সানাউল্লাহ ফকিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সকল দায়ভার বিআরটিএ সিলেট অফিসের সহকারী পরিচালকের উপর দিয়ে বলেন, এডি স্যারের লিখিত নির্দেশে আমরা পাঞ্চ করা চেসিসে ডিজিটাল নম্বর প্লেট লাগিয়ে দেই।
বিআরটিএ সিলেট অফিসের সহকারী পরিচালক (এডি) সানাউল হক জানান, অসম্ভব। এটা হতেই পারে না। আমি কখনো এরকম কোনো নির্দেশ দেই নি।