সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ঘোড়াঘাটে মাদক সেবলের বিস্তার ৬ মাদক সেবীর কারাদন্ড উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী জীবননগর ও উথলী বিজিবি হাতে ভারতীয় কীটনাশক,মদ,ভায়াগ্রাসহ মহেশপুর সীমান্তে ৬ হিজড়া আটক বাবুগঞ্জ রহমতপুর ইউনিয়নে তরুণ সমাজসেবক শিমুল সিকদারের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ ভাণ্ডারিয়ায় মাদক প্রতিরোধে গঠিত জেলা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঝালকাঠিতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ১৮ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীকে সংবর্ধনা প্রদান চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সেক্রেটারী আটক সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির পাওনা পরিবারকে বুঝিয়ে দিল সমকাল কর্তৃপক্ষ কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা

ভারতীয় প্যারাসুট, কুমারিকা ও ডাবর আমলা তৈরি হয় পুরান ঢাকায়! আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ ২০২১ ১৬৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
ভারতীয় প্যারাসুট, কুমারিকা ও ডাবর আমলা আর দেশি ব্র‍্যান্ড কিউট নারিকেল তেল কিংবা মেরিল গ্লিসারিন সবই তৈরি হচ্ছে পুরান ঢাকায়। আর সেসব পণ্য শুধু ঢাকায় নয় সারাদেশেই ডিলারের হাত ধরে চলে যাচ্ছে গ্রাহকের হাতে। এতে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবহারকারীরা।

পুরান ঢাকার সাতরওজা এলাকার একটি আবাসিক ভবনে নামিদামি ব্র্যান্ডের নকল মোড়কের আড়ালে ভেজাল পণ্য তৈরি করে আসছিল নুরুজ্জামান কসমেটিক্স নামে একটি প্রতিষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুপুর থেকে বিএসটিআইয়ের অনুমোদনহীন ওই নকল প্রসাধনী কারখানায় অভিযান চালায় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযানের নেতৃত্ব দেন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার। অভিযানে সহযোগিতা করেন বিএসটিআই ও র‍্যাব-৩-এর সদস্যরা।

অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার জাগো নিউজকে বলেন, নকল প্রসাধনী সামগ্রী তৈরি ও অনুমোদন না নিয়ে বাজারজাতকরণের অভিযোগে বাড়ির মালিকসহ দুজনকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তবে অভিযানের খবর পেয়ে প্রতিষ্ঠানটির মূল মালিক নুরুজ্জামান পালিয়ে যান।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআই কিংবা ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি না নিয়েই সাতরওজার ১৩৫/১আবাসিক ভবনে কারখানা পরিচালনা করছিল। সেখানে ভারতীয় বিভিন্ন ব্রান্ডের নকল তেল ও দেশি কিছু ব্র‍্যান্ডের প্যারাসুট, কুমারিকা, ডাবর আমলা, কিউট নারিকেল তেল এবং মেরিল গ্লিসারিনের নকল পণ্য বাজারজাত করে আসছিল।

পলাশ কুমার বসু আরও বলেন, অভিযান চালিয়ে ওই কারখানা থেকে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা সমমূল্যের ভেজাল পণ্য জব্দ করে বিএসটিআই কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হয়। বিএসটিআই ও ভোক্তা অধিকার আইনে প্রতিষ্ঠানটির কারিগর মো. আকতার হোসেনকে (২১) ৩ লাখ টাকা অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড এবং ব্যবসায়িক অংশীদার মো. আরমান হোসেনকে (৩৮) ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

চক্রটি প্রায় আড়াই বছর ধরে এভাবেই নকল তেল ও গ্লিসারিন বাজারজাত করে আসছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে তারা ঘনঘন নিজেদের বাসা পরিবর্তন করতো। এ ব্যবসা পরিচালনার জন্য তারা শক্তিশালী ডিস্ট্রিবিউটর সিন্ডিকেট মেইনটেইন করতো বলেও জানান র‍্যাবের এই ম্যাজিস্ট্রেট।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভারতীয় প্যারাসুট, কুমারিকা ও ডাবর আমলা তৈরি হয় পুরান ঢাকায়! আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:১৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
ভারতীয় প্যারাসুট, কুমারিকা ও ডাবর আমলা আর দেশি ব্র‍্যান্ড কিউট নারিকেল তেল কিংবা মেরিল গ্লিসারিন সবই তৈরি হচ্ছে পুরান ঢাকায়। আর সেসব পণ্য শুধু ঢাকায় নয় সারাদেশেই ডিলারের হাত ধরে চলে যাচ্ছে গ্রাহকের হাতে। এতে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবহারকারীরা।

পুরান ঢাকার সাতরওজা এলাকার একটি আবাসিক ভবনে নামিদামি ব্র্যান্ডের নকল মোড়কের আড়ালে ভেজাল পণ্য তৈরি করে আসছিল নুরুজ্জামান কসমেটিক্স নামে একটি প্রতিষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুপুর থেকে বিএসটিআইয়ের অনুমোদনহীন ওই নকল প্রসাধনী কারখানায় অভিযান চালায় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযানের নেতৃত্ব দেন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার। অভিযানে সহযোগিতা করেন বিএসটিআই ও র‍্যাব-৩-এর সদস্যরা।

অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার জাগো নিউজকে বলেন, নকল প্রসাধনী সামগ্রী তৈরি ও অনুমোদন না নিয়ে বাজারজাতকরণের অভিযোগে বাড়ির মালিকসহ দুজনকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তবে অভিযানের খবর পেয়ে প্রতিষ্ঠানটির মূল মালিক নুরুজ্জামান পালিয়ে যান।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআই কিংবা ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি না নিয়েই সাতরওজার ১৩৫/১আবাসিক ভবনে কারখানা পরিচালনা করছিল। সেখানে ভারতীয় বিভিন্ন ব্রান্ডের নকল তেল ও দেশি কিছু ব্র‍্যান্ডের প্যারাসুট, কুমারিকা, ডাবর আমলা, কিউট নারিকেল তেল এবং মেরিল গ্লিসারিনের নকল পণ্য বাজারজাত করে আসছিল।

পলাশ কুমার বসু আরও বলেন, অভিযান চালিয়ে ওই কারখানা থেকে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা সমমূল্যের ভেজাল পণ্য জব্দ করে বিএসটিআই কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হয়। বিএসটিআই ও ভোক্তা অধিকার আইনে প্রতিষ্ঠানটির কারিগর মো. আকতার হোসেনকে (২১) ৩ লাখ টাকা অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড এবং ব্যবসায়িক অংশীদার মো. আরমান হোসেনকে (৩৮) ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

চক্রটি প্রায় আড়াই বছর ধরে এভাবেই নকল তেল ও গ্লিসারিন বাজারজাত করে আসছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে তারা ঘনঘন নিজেদের বাসা পরিবর্তন করতো। এ ব্যবসা পরিচালনার জন্য তারা শক্তিশালী ডিস্ট্রিবিউটর সিন্ডিকেট মেইনটেইন করতো বলেও জানান র‍্যাবের এই ম্যাজিস্ট্রেট।