সংবাদ শিরোনাম ::
বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে, বাবুগঞ্জে নদী ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজের উদ্বোধন বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

ভাসমান হাসপাতাল ‘জীবন তরী’ ঝালকাঠি ডিসি পার্কে সুগন্ধা নদীর তীরে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৫:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মার্চ ২০২১ ২০৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ভাসমান হাসপাতাল ‘জীবন তরী’ এখন ঝালকাঠি শহর বিধৌত সুগন্ধা নদীর তীরে ডিসি পার্কের সাথে অবস্থান নিয়েছে। ঝালকাঠি পৌর এলাকার বাসিন্দাদের স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের মাধ্যমে সুস্থ জীবন ফিরিয়ে দেয়ার লক্ষে কাজ করবে বলে জানা গেছে। ১২ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালটি বিভিন্ন এলাকার দুস্থ-অসহায় ও দরিদ্র মানুষকে মানসম্মত চিকিৎসা প্রদান করবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেসরকারি সংস্থা ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের পরিচালনাধীন হাসপাতালটি ঝালকাঠির ডিসি পার্কের সুগন্ধা নদীর তীরে নোঙর ফেলেছে সোমবার সকালে। নদী মাতৃক বাংলাদেশে ‘জীবন তরী’ নামে এই ভাসমান হাসপাতালটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে সারা বছর চিকিৎসা প্রদান করে থাকে। আগামী ৭ মার্চ থেকে ‘জীবন তরী’ দিয়ে ঝালকাঠিতে চিকিৎসা সেবা শুরু করবে।

জীবন তরী’ নামে ভাসমান এই হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদানের জন্য তিন জন চিকিৎসক দিয়ে নাক, কান, গলা, চক্ষু চিকিৎসা ও বিশেষজ্ঞ সার্জন দিয়ে অস্ত্রোপচার করারও ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া ‘জীবন তরী’ হাড়জোড়া, হাড়ভাঙা, পঙ্গুত্ব, জন্মগত ঠোঁটকাটা, ঠোঁটের তালুকাটা রোগীদের চিকিৎসাসহ প্লাস্টিক সার্জারি ও অন্যান্য চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে জানাগেছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ১২ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটিতে সার্বক্ষনিক ৩জন চিকিৎসক রয়েছে। এরমধ্যে একজন নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ, একজন চোখের, একজন অর্থোপেডিকসের। চারজন নার্স, দুজন কর্মকর্তাসহ মোট ৩৫ জন জনবল আছে হাসপাতালে। মুমূর্ষু রোগীদের জরুরী ভিত্তিতে আনা-নেয়া বা হস্তান্তরের জন্য স্পিডবোট আছে দুটি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, এখানে নিয়মিত এক্স-রে, রক্তসহ বেশ কয়েকটি পরীক্ষা করার ব্যবস্থা আছে। হাসপাতালটিতে স্বল্পমূল্যে চক্ষু রোগের চিকিৎসা করা হয়। লেন্স সংযোজনের মাধ্যমে চোখের ছানি অস্ত্রোপচার করা হয়। ভাসমান হাসপাতালে ফ্যাকো সার্জারিরও ব্যবস্থা আছে। চিকিৎসা ছাড়াও রোগীদের সহায়ক সামগ্রী দেয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভাসমান হাসপাতাল ‘জীবন তরী’ ঝালকাঠি ডিসি পার্কে সুগন্ধা নদীর তীরে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১১:৫৫:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মার্চ ২০২১

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ভাসমান হাসপাতাল ‘জীবন তরী’ এখন ঝালকাঠি শহর বিধৌত সুগন্ধা নদীর তীরে ডিসি পার্কের সাথে অবস্থান নিয়েছে। ঝালকাঠি পৌর এলাকার বাসিন্দাদের স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের মাধ্যমে সুস্থ জীবন ফিরিয়ে দেয়ার লক্ষে কাজ করবে বলে জানা গেছে। ১২ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালটি বিভিন্ন এলাকার দুস্থ-অসহায় ও দরিদ্র মানুষকে মানসম্মত চিকিৎসা প্রদান করবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেসরকারি সংস্থা ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের পরিচালনাধীন হাসপাতালটি ঝালকাঠির ডিসি পার্কের সুগন্ধা নদীর তীরে নোঙর ফেলেছে সোমবার সকালে। নদী মাতৃক বাংলাদেশে ‘জীবন তরী’ নামে এই ভাসমান হাসপাতালটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে সারা বছর চিকিৎসা প্রদান করে থাকে। আগামী ৭ মার্চ থেকে ‘জীবন তরী’ দিয়ে ঝালকাঠিতে চিকিৎসা সেবা শুরু করবে।

জীবন তরী’ নামে ভাসমান এই হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদানের জন্য তিন জন চিকিৎসক দিয়ে নাক, কান, গলা, চক্ষু চিকিৎসা ও বিশেষজ্ঞ সার্জন দিয়ে অস্ত্রোপচার করারও ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া ‘জীবন তরী’ হাড়জোড়া, হাড়ভাঙা, পঙ্গুত্ব, জন্মগত ঠোঁটকাটা, ঠোঁটের তালুকাটা রোগীদের চিকিৎসাসহ প্লাস্টিক সার্জারি ও অন্যান্য চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে জানাগেছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ১২ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটিতে সার্বক্ষনিক ৩জন চিকিৎসক রয়েছে। এরমধ্যে একজন নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ, একজন চোখের, একজন অর্থোপেডিকসের। চারজন নার্স, দুজন কর্মকর্তাসহ মোট ৩৫ জন জনবল আছে হাসপাতালে। মুমূর্ষু রোগীদের জরুরী ভিত্তিতে আনা-নেয়া বা হস্তান্তরের জন্য স্পিডবোট আছে দুটি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, এখানে নিয়মিত এক্স-রে, রক্তসহ বেশ কয়েকটি পরীক্ষা করার ব্যবস্থা আছে। হাসপাতালটিতে স্বল্পমূল্যে চক্ষু রোগের চিকিৎসা করা হয়। লেন্স সংযোজনের মাধ্যমে চোখের ছানি অস্ত্রোপচার করা হয়। ভাসমান হাসপাতালে ফ্যাকো সার্জারিরও ব্যবস্থা আছে। চিকিৎসা ছাড়াও রোগীদের সহায়ক সামগ্রী দেয়া হয়।