সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

বানারীপাড়ায় সিংহভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকায় নতুন প্রজন্ম একুশের চেতনা ধারণ ও লালণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ১০৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি॥
ভাষার মাস ফেব্রুয়ারী। শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ অর্পণের মধ্য দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দিন মহান ২১ ফেব্রুয়ারী ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস। মায়ের মুখের ভাষা প্রতিষ্ঠার জন্য সারা বিশ্বে একটি মাত্র জাতি রক্ত দিয়েছে। আর সেই গৌরব অর্জনের জাতি বাঙালী জাতি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের স্বপ্নের অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল সোনার বাংলা বির্নিমাণে একুশ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হলো মুক্তিযদ্ধের শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ ও ভাষা আন্দোলনের শহীদ মিনার। কিন্তু পরিতাপের বিষয় বানারীপাড়ায় সিংহভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকায় শিক্ষার্থীরা ৫২’র ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও একুশের চেতনা লালণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। উপজেলার বেশির ভাগ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ গুলোতে শহীদ মিনার থাকলেও সিংহভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় শহীদ মিনার নেই। বানারীপাড়া উপজেলার ১২৬ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে হাতে গোনা কয়েকটি স্কুলে শহীদ মিনার রয়েছে। এছাড়া উপজেলায় ২০ টি মাদ্রাসার মধ্যে একটিতেও শহীদ মিনার নেই। ফলে ওই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা একুশের চেতনা ধারণ ও লালণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বহুতল ভবন নির্মাণ সহ অবকাঠামো উন্নয়নে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করলেও একুশ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার ও শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় প্রতি বছর চাঁদা তুলে ‘কলা গাছের’ শহীদ মিনার তৈরী করে কোমল মতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা রাস্তার মোড়ে মোড়ে দিবসটি পালণ করতে দেখা যায়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ গোলাম ফারুক বলেন শৈশব ও কৈশোর কাল থেকে একুশের চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার থাকা প্রয়োজন। উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে ইতোমধ্যে জাতীয় শ্রেষ্ঠ পুরস্কারপ্রাপ্ত বন্দর মডেল ও দক্ষিণ নাজিরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ উপজেলার কয়েকটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫২’র ভাষা আন্দোলণের স্মৃতির শহীদ মিনার নির্মাণ করা হবে। এদিকে বানারীপাড়া প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দসহ সচেতন মহল একুশের চেতনা প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণের দাবী জানিয়েছেন। ###

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বানারীপাড়ায় সিংহভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকায় নতুন প্রজন্ম একুশের চেতনা ধারণ ও লালণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০২:২৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১

রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি॥
ভাষার মাস ফেব্রুয়ারী। শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ অর্পণের মধ্য দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দিন মহান ২১ ফেব্রুয়ারী ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস। মায়ের মুখের ভাষা প্রতিষ্ঠার জন্য সারা বিশ্বে একটি মাত্র জাতি রক্ত দিয়েছে। আর সেই গৌরব অর্জনের জাতি বাঙালী জাতি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের স্বপ্নের অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল সোনার বাংলা বির্নিমাণে একুশ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হলো মুক্তিযদ্ধের শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ ও ভাষা আন্দোলনের শহীদ মিনার। কিন্তু পরিতাপের বিষয় বানারীপাড়ায় সিংহভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকায় শিক্ষার্থীরা ৫২’র ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও একুশের চেতনা লালণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। উপজেলার বেশির ভাগ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ গুলোতে শহীদ মিনার থাকলেও সিংহভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় শহীদ মিনার নেই। বানারীপাড়া উপজেলার ১২৬ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে হাতে গোনা কয়েকটি স্কুলে শহীদ মিনার রয়েছে। এছাড়া উপজেলায় ২০ টি মাদ্রাসার মধ্যে একটিতেও শহীদ মিনার নেই। ফলে ওই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা একুশের চেতনা ধারণ ও লালণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বহুতল ভবন নির্মাণ সহ অবকাঠামো উন্নয়নে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করলেও একুশ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার ও শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় প্রতি বছর চাঁদা তুলে ‘কলা গাছের’ শহীদ মিনার তৈরী করে কোমল মতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা রাস্তার মোড়ে মোড়ে দিবসটি পালণ করতে দেখা যায়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ গোলাম ফারুক বলেন শৈশব ও কৈশোর কাল থেকে একুশের চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার থাকা প্রয়োজন। উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে ইতোমধ্যে জাতীয় শ্রেষ্ঠ পুরস্কারপ্রাপ্ত বন্দর মডেল ও দক্ষিণ নাজিরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ উপজেলার কয়েকটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫২’র ভাষা আন্দোলণের স্মৃতির শহীদ মিনার নির্মাণ করা হবে। এদিকে বানারীপাড়া প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দসহ সচেতন মহল একুশের চেতনা প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণের দাবী জানিয়েছেন। ###