সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় মোছাঃ আশা খাতুন ফিরে পেল তার সুখের সংসার। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩০:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ১২৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

মোছাঃ আশা খাতুন (২৮), পিতা- আবু হানেফ, গ্রাম-খুলসিদাহ, থানা-কুমারখালী জেলা-কুষ্টিয়া এর সাথে অনুমান ১৫ বছর পূর্বে মোঃ হযরত আলী (৩৮), পিতা-মোঃ রিয়াজ উদ্দীন, সাং-এতিমখানা পাড়া (আশরাফুল ইসলাম এর বড়ীর ভাড়াটিয়া), থানা ও জেলা-চুয়াডাঙ্গা এর ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিবাহ হয়। তাদের সংসার জীবনে ১। আলিফ হোসেন (১২) ও ২। মোছাঃ জাসপিয়া খাতুন (২ বছর ৬ মাস) নামের ফুটফুটে দুইটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের কয়েক বছর পর হতে আর্থিক ও পারিবারিক বিভিন্ন কারনে মোঃ হযরত আলী তার স্ত্রী আশা খাতুনের সাথে পারিবারিক কলহে জড়িয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে হযরত আলী আশা খাতুনকে শরিরীক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে। আশা খাতুন স্বামীর দূর্ব্যবহার সহ্য করতে না পেরে তার সন্তানদেরকে নিয়ে তারা পিতা-আবু হানেফ এর বাড়ীতে চলে যায়। মোঃ হযরত তার স্ত্রী ও সন্তানদের খোজ খবর নেওয়া ও ভরণ পোষন দেওয়া বন্ধ করে দেয়। সংসারে চলমান বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আশা খাতুন বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করেও বিরোধ মিটেনি। অবশেষে তার অসহায়ত্ব থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য মান্যবর পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গা মহোদয়ের নিকট আসেন। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা মহোদয় উক্ত বিষয়টির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তার কার্যালয়ে অবস্থিত জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত এসআই (নিরস্ত্র)/ মুহিদ হাসান ও “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার” এর দায়িত্ব প্রাপ্ত এএসআই (নিরস্ত্র) মিতা রানী কে দায়িত্ব দেন। দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ উভয় পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম এর প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় মোঃ হযরত আলী তার স্ত্রী মোছাঃ আশা খাতুনকে পুনরায় নিজ বাড়ীতে ফিরিয়ে নিয়ে সংসার করতে ও সন্তানদের ভরণ পোষন দিতে সম্মত হয়। অবশেষে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম এর হস্তক্ষেপে মোছাঃ আশা খাতুন ফিরে পেল তার সুখের সংসার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় মোছাঃ আশা খাতুন ফিরে পেল তার সুখের সংসার। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:৩০:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স

মোছাঃ আশা খাতুন (২৮), পিতা- আবু হানেফ, গ্রাম-খুলসিদাহ, থানা-কুমারখালী জেলা-কুষ্টিয়া এর সাথে অনুমান ১৫ বছর পূর্বে মোঃ হযরত আলী (৩৮), পিতা-মোঃ রিয়াজ উদ্দীন, সাং-এতিমখানা পাড়া (আশরাফুল ইসলাম এর বড়ীর ভাড়াটিয়া), থানা ও জেলা-চুয়াডাঙ্গা এর ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিবাহ হয়। তাদের সংসার জীবনে ১। আলিফ হোসেন (১২) ও ২। মোছাঃ জাসপিয়া খাতুন (২ বছর ৬ মাস) নামের ফুটফুটে দুইটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের কয়েক বছর পর হতে আর্থিক ও পারিবারিক বিভিন্ন কারনে মোঃ হযরত আলী তার স্ত্রী আশা খাতুনের সাথে পারিবারিক কলহে জড়িয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে হযরত আলী আশা খাতুনকে শরিরীক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে। আশা খাতুন স্বামীর দূর্ব্যবহার সহ্য করতে না পেরে তার সন্তানদেরকে নিয়ে তারা পিতা-আবু হানেফ এর বাড়ীতে চলে যায়। মোঃ হযরত তার স্ত্রী ও সন্তানদের খোজ খবর নেওয়া ও ভরণ পোষন দেওয়া বন্ধ করে দেয়। সংসারে চলমান বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আশা খাতুন বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করেও বিরোধ মিটেনি। অবশেষে তার অসহায়ত্ব থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য মান্যবর পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গা মহোদয়ের নিকট আসেন। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা মহোদয় উক্ত বিষয়টির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তার কার্যালয়ে অবস্থিত জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত এসআই (নিরস্ত্র)/ মুহিদ হাসান ও “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার” এর দায়িত্ব প্রাপ্ত এএসআই (নিরস্ত্র) মিতা রানী কে দায়িত্ব দেন। দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ উভয় পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম এর প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় মোঃ হযরত আলী তার স্ত্রী মোছাঃ আশা খাতুনকে পুনরায় নিজ বাড়ীতে ফিরিয়ে নিয়ে সংসার করতে ও সন্তানদের ভরণ পোষন দিতে সম্মত হয়। অবশেষে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম এর হস্তক্ষেপে মোছাঃ আশা খাতুন ফিরে পেল তার সুখের সংসার।