সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন

পটুয়াখালীতে ছেলেকে গুম করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন বাবা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২১ ১৩২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দুমকিতে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে সাজানো অপহরণ ও গুমের মামলায় ফেঁসে গেছেন বাদী আজগর আলী (৫০)।
পূর্বশত্রুতায় নিজের ছেলে মিজানুর রহমানকে (১৭) গুম করে রেখে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে গতবছরের ২৯ আগস্ট পটুয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতিপক্ষের ৬ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন আজগর আলী।

এসআই জাফর গোপনীয় তদন্তে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে কয়েক দফা অভিযান চালান। শেষে শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে পটুয়াখালীর জনৈক নিকটাত্মীয়ের বাসা থেকে কথিত অপহরণ ও গুমের ভিকটিম মিজানুর রহমানকে উদ্ধার করতে সমর্থ হন তিনি। এতে ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হয়। ভিকটিমকে উদ্ধারের পর থেকেই মামলার বাদী আজগর আলী আত্মগোপন করেছেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, উপজেলার দুমকি গ্রামের আমজেদ আলী হাওলাদারের ছেলে আজগর আলী হাওলাদার (৫০) একই উপজেলার লেবুখালী গ্রামের প্রতিপক্ষ আনোয়ার প্যাদা (৫০), দেলোয়ার প্যাদা (৪৫), আরিফ প্যাদা (২২), রাহাত প্যাদা (২০) ও শাহজাহান প্যাদার (৫৫) বিরুদ্ধে তার নিজের ছেলেকে অপহরণ এবং গুমের মামলাটি দায়ের করে। আদালত মামলাটি দুমকি থানায় এজাহারভুক্ত করে দ্রুত ভিকটিমকে উদ্ধারের নির্দেশ দেন।
দুমকি থানার পুলিশ হেফাজতে উদ্ধার ভিকটিম মিজানুর রহমান অপহৃত কিম্বা গুম হয়নি মর্মে স্বীকারোক্তি করে জানায়, তিনি তার বাবার নির্দেশে নিজেই বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে ছিলেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা দুমকি থানার এসআই জাফর বলেন, ভিকটিম উদ্ধারের মধ্যে দিয়ে প্রমাণিত হলো বাদী আসামিদের হয়রানী করার উদ্দেশ্যে সাজানো গুমের মামলাটি করেছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদি হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধার ভিকটিমের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করতে আদালতে সোপর্দ করা হবে। বাদীর বিরুদ্ধেও আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পটুয়াখালীতে ছেলেকে গুম করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন বাবা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২১

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দুমকিতে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে সাজানো অপহরণ ও গুমের মামলায় ফেঁসে গেছেন বাদী আজগর আলী (৫০)।
পূর্বশত্রুতায় নিজের ছেলে মিজানুর রহমানকে (১৭) গুম করে রেখে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে গতবছরের ২৯ আগস্ট পটুয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতিপক্ষের ৬ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন আজগর আলী।

এসআই জাফর গোপনীয় তদন্তে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে কয়েক দফা অভিযান চালান। শেষে শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে পটুয়াখালীর জনৈক নিকটাত্মীয়ের বাসা থেকে কথিত অপহরণ ও গুমের ভিকটিম মিজানুর রহমানকে উদ্ধার করতে সমর্থ হন তিনি। এতে ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হয়। ভিকটিমকে উদ্ধারের পর থেকেই মামলার বাদী আজগর আলী আত্মগোপন করেছেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, উপজেলার দুমকি গ্রামের আমজেদ আলী হাওলাদারের ছেলে আজগর আলী হাওলাদার (৫০) একই উপজেলার লেবুখালী গ্রামের প্রতিপক্ষ আনোয়ার প্যাদা (৫০), দেলোয়ার প্যাদা (৪৫), আরিফ প্যাদা (২২), রাহাত প্যাদা (২০) ও শাহজাহান প্যাদার (৫৫) বিরুদ্ধে তার নিজের ছেলেকে অপহরণ এবং গুমের মামলাটি দায়ের করে। আদালত মামলাটি দুমকি থানায় এজাহারভুক্ত করে দ্রুত ভিকটিমকে উদ্ধারের নির্দেশ দেন।
দুমকি থানার পুলিশ হেফাজতে উদ্ধার ভিকটিম মিজানুর রহমান অপহৃত কিম্বা গুম হয়নি মর্মে স্বীকারোক্তি করে জানায়, তিনি তার বাবার নির্দেশে নিজেই বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে ছিলেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা দুমকি থানার এসআই জাফর বলেন, ভিকটিম উদ্ধারের মধ্যে দিয়ে প্রমাণিত হলো বাদী আসামিদের হয়রানী করার উদ্দেশ্যে সাজানো গুমের মামলাটি করেছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদি হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধার ভিকটিমের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করতে আদালতে সোপর্দ করা হবে। বাদীর বিরুদ্ধেও আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’