সংবাদ শিরোনাম ::
চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন ঝালকাঠি জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীরের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন চুয়াডাঙ্গার জেলা জামায়াতের জেলা আমির এমপি রুহুল আমিনের শপথ ঘোড়াঘাটে গবাদিপশুর খাদ্য সংকট জানাযার খাদ্যের দাম বৃদ্ধি বিপাকে গরুর মালিক ও খামারিরা চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার

বাংলাদেশ থেকে শিক্ষা নিতে চায় ভারত! আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২১ ১৭৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নের রোল মডেল। যে পশ্চিম পাকিস্তানের কাছ থেকে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল বাংলাদেশ, সেই পাকিস্তানই এখন বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে অভিভূত। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী কিংবা অর্থনীতিবিদরা প্রায়ই এখন দেশটির গণমাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন। এতদিন বাংলাদেশকে খাটো চোখে দেখলেও এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো প্রতিবেশী দেশ ভারতের নামও।

ভারতের বার্ষিক নথিতে বাংলাদেশের ক্রমাগত রফতানি বৃদ্ধি দেখে বাংলাদেশ থেকেই শিক্ষা নিতে বলেছে ভারতীয় অর্থ মন্ত্রণালয়। এতে বাংলাদেশ-ভারতের রফতানি খাতের বিভিন্ন পরিসংখ্যানগত তুলনা উল্লেখ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক নথি ‘ইকোনমিক সার্ভে’তে বলা হয়েছে যেভাবে রফতানি বাড়ছে তাতে বাংলাদেশ শিগগিরই একটি প্রভাবশালী রফতানিকারক দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
এতে আরো বলা হয়েছে, ২০১১ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সমন্বিত বার্ষিক প্রবৃদ্ধি (সিএজিআর) হয়েছে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ, যা ভারতে ছিল মাত্র ০.৯ শতাংশ, আর গোটা বিশ্বে ০.৪ শতাংশ মাত্র। ২০১১ সালে যেখানে বৈশ্বিক রফতানিতে বাংলাদেশের অবদান ছিল মাত্র ০.১ শতাংশ, ২০১৯ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ০.৩ শতাংশে।
২০১৫ সাল থেকে বাংলাদেশের মোট রফতানিতে দেশটির শীর্ষ পাঁচ পণ্যের (বস্ত্র, পোশাক, জুতা প্রভৃতি) অবদান ৯০ শতাংশেরও বেশি। এদিক থেকে ভারতের রফতানি খাত বেশি বৈচিত্র্যময়। দেশটির মোট রফতানিতে শীর্ষ পাঁচ পণ্যের অবদান ৪০ শতাংশের কাছাকাছি।
রফতানি বৃদ্ধির পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে ধীরে ধীরে বাণিজ্য ঘাটতিও কমিয়ে আনছে বাংলাদেশ। ২০১৮-১৯ সালে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছিল প্রায় ১ হাজার ২৫ কোটি মার্কিন ডলার। কিন্তু ২০১৯-২০ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪৬ কোটি ডলারে।
এসব তথ্য উল্লেখ করে ভারতীয় অর্থ মন্ত্রণালয় বলেছে, প্রতিযোগিতামূলক পণ্যগুলোতে বিশেষত্ব তৈরিতে বাংলাদেশকে দেখে শিক্ষা নিতে পারে ভারত।
ভারতীয় বাণিজ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বিশ্বের বেশ কিছু বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পায়, যা দেশটির রফতানি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। উদীয়মান ভারত বা অন্য উন্নত দেশগুলো এধরনের সুবিধা পায় না তাই দেশটি পিছিয়ে পড়ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশ থেকে শিক্ষা নিতে চায় ভারত! আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২১

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নের রোল মডেল। যে পশ্চিম পাকিস্তানের কাছ থেকে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল বাংলাদেশ, সেই পাকিস্তানই এখন বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে অভিভূত। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী কিংবা অর্থনীতিবিদরা প্রায়ই এখন দেশটির গণমাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন। এতদিন বাংলাদেশকে খাটো চোখে দেখলেও এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো প্রতিবেশী দেশ ভারতের নামও।

ভারতের বার্ষিক নথিতে বাংলাদেশের ক্রমাগত রফতানি বৃদ্ধি দেখে বাংলাদেশ থেকেই শিক্ষা নিতে বলেছে ভারতীয় অর্থ মন্ত্রণালয়। এতে বাংলাদেশ-ভারতের রফতানি খাতের বিভিন্ন পরিসংখ্যানগত তুলনা উল্লেখ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক নথি ‘ইকোনমিক সার্ভে’তে বলা হয়েছে যেভাবে রফতানি বাড়ছে তাতে বাংলাদেশ শিগগিরই একটি প্রভাবশালী রফতানিকারক দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
এতে আরো বলা হয়েছে, ২০১১ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সমন্বিত বার্ষিক প্রবৃদ্ধি (সিএজিআর) হয়েছে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ, যা ভারতে ছিল মাত্র ০.৯ শতাংশ, আর গোটা বিশ্বে ০.৪ শতাংশ মাত্র। ২০১১ সালে যেখানে বৈশ্বিক রফতানিতে বাংলাদেশের অবদান ছিল মাত্র ০.১ শতাংশ, ২০১৯ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ০.৩ শতাংশে।
২০১৫ সাল থেকে বাংলাদেশের মোট রফতানিতে দেশটির শীর্ষ পাঁচ পণ্যের (বস্ত্র, পোশাক, জুতা প্রভৃতি) অবদান ৯০ শতাংশেরও বেশি। এদিক থেকে ভারতের রফতানি খাত বেশি বৈচিত্র্যময়। দেশটির মোট রফতানিতে শীর্ষ পাঁচ পণ্যের অবদান ৪০ শতাংশের কাছাকাছি।
রফতানি বৃদ্ধির পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে ধীরে ধীরে বাণিজ্য ঘাটতিও কমিয়ে আনছে বাংলাদেশ। ২০১৮-১৯ সালে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছিল প্রায় ১ হাজার ২৫ কোটি মার্কিন ডলার। কিন্তু ২০১৯-২০ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪৬ কোটি ডলারে।
এসব তথ্য উল্লেখ করে ভারতীয় অর্থ মন্ত্রণালয় বলেছে, প্রতিযোগিতামূলক পণ্যগুলোতে বিশেষত্ব তৈরিতে বাংলাদেশকে দেখে শিক্ষা নিতে পারে ভারত।
ভারতীয় বাণিজ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বিশ্বের বেশ কিছু বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পায়, যা দেশটির রফতানি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। উদীয়মান ভারত বা অন্য উন্নত দেশগুলো এধরনের সুবিধা পায় না তাই দেশটি পিছিয়ে পড়ছে।