সংবাদ শিরোনাম ::
আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল বানারীপাড়ায় আওয়ামী লীগের ১০ নেতা-কর্মীকে জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা বাবুগঞ্জে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল কারার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল কাঠালিয়ায় সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা দাবি: মানববন্ধনে প্রতিবাদ বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে সুবিধা না করতে পেরে মানববন্ধনের নাটক ঘোড়াঘাট থানার নবাগত ওসি সাথে ঘোড়াঘাট প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা জাতিসংঘ সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বাস্থ্যবিষয়ক সাইড ইভেন্টে নেতৃত্ব দেবেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝালকাঠিতে ২০ পিস ইয়াবা ৫০ হাজার টাকা সহ মাদক কারবারি গ্রেফতার কাঠালিয়ায় এক শিক্ষক কে ঘিরে নানা অভিযোগ, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

লতিফ সিদ্দিকীর কাছ থেকে উদ্ধার করা জমিতে শেখ রাসেল শিশু পার্ক। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১ ২০৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

টাঙ্গাইলে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী অবৈধভাবে দখলে রাখা ৬৬ শতাংশ উদ্ধার করা জমিতে শিশু পার্ক করার উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। পার্কটি বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠপুত্র শেখ রাসেলের নামে টাঙ্গাইল শেখ রাসেল শিশুপার্ক নামকরণ করার প্রস্তাবনা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন বুধবার জেলার বিভিন্নস্তরের মানুষের সাথে মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে।

রবিবার শহরের জেলা সদর সড়কের আকুর টাকুর পাড়ায় সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সাবেক সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর দখলে থাকা প্রায় ৫০ লাখ টাকা মূল্যের দুই বিঘা (৬৬ শতাংশ) জমি অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করে জেলা প্রশাসন।

এ সময় ওই জমিতে লতিফ সিদ্দিকীর নির্মিত স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়া হয়। উদ্ধার করার পর জমিটিতে লাল নিশান এবং এটি “ক” তালিকাভুক্ত অর্পিত সম্পত্তি বলে সাইনবোর্ড টানিয়ে দেয়া হয়।
জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গণি জানান, উদ্ধার করা জমিতে শেখ রাসেলের নামে একটি শিশু পার্ক করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বুধবার মতবিনিময় সভা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ১৯৭২ সালে সরকারের কাছ থেকে ওই জমিটি ইজারা নেন। ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত তিনি ইজারার টাকাও পরিশোধ করেন। এরপর দীর্ঘসময় তিনি ইজারার টাকা পরিশোধ না করে সাব-জজ আদালতে মালিকানা দাবি করে মামলা করেন। মামলার রায় লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে যায়।

পরে জেলা জজ আদালতে সরকার পক্ষ আপিল করে, সেখানেও লতিফ সিদ্দিকী ডিক্রি প্রাপ্ত হন। পরে সরকার পক্ষ হাই কোর্টে রিভিশন মামলা করেন, সেখানে লতিফ সিদ্দিকী হেরে যান।
পরে লতিফ সিদ্দিকী হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন। সেখানে সরকার পক্ষ ডিক্রি প্রাপ্ত হন। লতিফ সিদ্দিকীকে ওই জমির ওপর তার নির্মিত স্থাপনা অপসারণের জন্য গত ৩১ ডিসেম্বর প্রশাসন নোটিশ দেয়।

নোটিশ পাওয়ার পরও তিনি স্থাপনা অপসারণ না করায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে জমি উদ্ধার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

লতিফ সিদ্দিকীর কাছ থেকে উদ্ধার করা জমিতে শেখ রাসেল শিশু পার্ক। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১০:০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

টাঙ্গাইলে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী অবৈধভাবে দখলে রাখা ৬৬ শতাংশ উদ্ধার করা জমিতে শিশু পার্ক করার উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। পার্কটি বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠপুত্র শেখ রাসেলের নামে টাঙ্গাইল শেখ রাসেল শিশুপার্ক নামকরণ করার প্রস্তাবনা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন বুধবার জেলার বিভিন্নস্তরের মানুষের সাথে মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে।

রবিবার শহরের জেলা সদর সড়কের আকুর টাকুর পাড়ায় সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সাবেক সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর দখলে থাকা প্রায় ৫০ লাখ টাকা মূল্যের দুই বিঘা (৬৬ শতাংশ) জমি অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করে জেলা প্রশাসন।

এ সময় ওই জমিতে লতিফ সিদ্দিকীর নির্মিত স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়া হয়। উদ্ধার করার পর জমিটিতে লাল নিশান এবং এটি “ক” তালিকাভুক্ত অর্পিত সম্পত্তি বলে সাইনবোর্ড টানিয়ে দেয়া হয়।
জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গণি জানান, উদ্ধার করা জমিতে শেখ রাসেলের নামে একটি শিশু পার্ক করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বুধবার মতবিনিময় সভা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ১৯৭২ সালে সরকারের কাছ থেকে ওই জমিটি ইজারা নেন। ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত তিনি ইজারার টাকাও পরিশোধ করেন। এরপর দীর্ঘসময় তিনি ইজারার টাকা পরিশোধ না করে সাব-জজ আদালতে মালিকানা দাবি করে মামলা করেন। মামলার রায় লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে যায়।

পরে জেলা জজ আদালতে সরকার পক্ষ আপিল করে, সেখানেও লতিফ সিদ্দিকী ডিক্রি প্রাপ্ত হন। পরে সরকার পক্ষ হাই কোর্টে রিভিশন মামলা করেন, সেখানে লতিফ সিদ্দিকী হেরে যান।
পরে লতিফ সিদ্দিকী হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন। সেখানে সরকার পক্ষ ডিক্রি প্রাপ্ত হন। লতিফ সিদ্দিকীকে ওই জমির ওপর তার নির্মিত স্থাপনা অপসারণের জন্য গত ৩১ ডিসেম্বর প্রশাসন নোটিশ দেয়।

নোটিশ পাওয়ার পরও তিনি স্থাপনা অপসারণ না করায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে জমি উদ্ধার করা হয়।